মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

জীবদেহের অকেজো কোষসমূহের ধ্বংস করে কোনটি? 

A. ইডিওসোম
B. পারোক্সিসোম
C. লাইসোসোম 
D. রাইবোসোম
Poster Download
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ ও এর গঠনলাইসোসোম (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. লাইসোসোম 
Explanation:

Another Explanation (5):

লাইসোসোম: কোষের পরিচ্ছন্নতাকর্??ী 🗑️

লাইসোসোম কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। এটি মূলত জীবদেহের অকেজো কোষসমূহকে ধ্বংস করে দেয়। একে কোষের পরিচ্ছন্নতাকর্মী বা আত্মঘাতী থলিও বলা হয়।

লাইসোসোমের গঠন 🔬

  • একক পর্দা: এটি একটি দ্বিস্তর বিশিষ্ট লিপিড পর্দা দিয়ে ঘেরা।
  • এনজাইম: এর মধ্যে ৪০টিরও বেশি বিভিন্ন ধরনের এনজাইম (যেমন: হাইড্রোলেজ, প্রোটিয়েজ, লাইপেজ) থাকে যা কোষীয় উপাদান ভাঙতে সাহায্য করে।
  • অম্লীয় পরিবেশ: লাইসোসোমের অভ্যন্তর বেশ অম্লীয় (pH প্রায় 4.5-5.0) থাকে, যা এনজাইমগুলোর কার্যকারিতার জন্য অনুকূল।

লাইসোসোমের কার্যাবলী ⚙️

  1. অটোফেজি (Autophagy): এটি কোষের মধ্যে থাকা পুরাতন বা ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গাণুগুলোকে (যেমন: মাইটোকন্ড্রিয়া, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম) পরিবেষ্টন করে লাইসোসোমের সাথে মিশে যায় এবং এনজাইমের মাধ্যমে সেগুলোকে ভেঙে ফেলে।♻️
  2. হেটেরোফেজি (Heterophagy): কোষের বাইরে থেকে আসা জীবাণু, ভাইরাস বা অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থকে ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় গ্রহণ করে লাইসোসোম সেগুলোকে ধ্বংস করে। 🦠🚫
  3. অ্যাপোপটোসিস (Apoptosis): এটি programmed cell death বা কোষের স্বাভাবিক মৃত্যুর প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। যখন কোষের আর প্রয়োজন থাকে না অথবা কোষটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন লাইসোসোম ফেটে গিয়ে কোষের মধ্যে থাকা এনজাইমগুলো নির্গত হয় এবং কোষটি ধ্বংস হয়ে যায়। 💀
  4. বহিঃকোষীয় পরিপাক: কিছু ক্ষেত্রে লাইসোসোম কোষের বাইরে এনজাইম নিঃসরণ করে বড় আকারের উপাদানকে ছোট অংশে ভেঙে দেয়, যা পরবর্তীতে কোষ কর্তৃক শোষিত হতে পারে।

লাইসোসোমের গুরুত্ব ✨

গুরুত্বপূর্ণ দিক ব্যাখ্যা
কোষের পরিচ্ছন্নতা ক্ষতিগ্রস্ত ও অকেজো অঙ্গাণু অপসারণ করে কোষকে সুস্থ রাখে। 🧹
রোগ প্রতিরোধ জীবাণু ও ক্ষতিকর পদার্থ ধ্বংস করে শরীরকে রক্ষা করে। 🛡️
কোষের পুনর্গঠন ভাঙন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাপ্ত উপাদান নতুন কোষীয় উপাদান তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 🏗️
ভ্রূণীয় বিকাশ ভ্রূণের বিকাশের সময় কিছু কোষকে সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। 👶➡️🧑

লাইসোসোমাল রোগ ⚠️

লাইসোসোমের কার্যকারিতা ব্যাহত হলে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে, যাদেরকে লাইসোসোমাল স্টোরেজ ডিজঅর্ডার (Lysosomal Storage Disorders) বলা হয়। যেমন: টে-স্যাক্স রোগ, গাউচার রোগ ইত্যাদি।🧬

মোটকথা, লাইসোসোম কোষের আবর্জনা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র হিসাবে কাজ করে এবং কোষকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 👍

Option A Explanation:
  • ইডিওসোম (Endosome): এটি একটি আণবিক ভাঁজ বা গর্ত যা কোষের মধ্যে গ্লুকোজ, লিপিড, এবং অন্যান্য পদার্থের পরিবহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • গঠন: ইডিওসোম সাধারণত কোষের ঝিল্লি দ্বারা ঘেরা হয় এবং এটি বিভিন্ন ধরণের আণবিক তরল ধারণ করে।
  • ফাংশন: এটি প্রাথমিকভাবে কোষের বাইরে থেকে অন্তঃপ্রবেশকৃত পদার্থকে গ্রহণ করে এবং এগুলিকে অন্য সেলুলার কম্পোনেন্টে পাঠায়, যেমন লিসোসোম।
  • অন্য নাম: এটি কখনো কখনো এন্ডোসোম বলা হয়।
Option B Explanation:
  • পারোক্সিসোম: পারোক্সিসোম হলো এক ধরনের সেলুলার অর্গ্যাণেল্লা যা জীবদেহের বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
  • মূল কাজ: এটি জীবদেহের অকেজো কোষ বা উপাদানসমূহের ধ্বংসে সহায়তা করে।
  • অন্য নাম: পারোক্সিসোমকে কখনও কখনও পারক্সিসোম বা পারোক্সিসোম হিসেবে ডাকা হয়।
  • প্রধান কার্যক্রম: এটি পারোক্সাইড বা পারক্সাইড উৎপন্ন করে, যা পরবর্তীতে অন্যান্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
  • উপকারিতা: জীবদেহে টক্সিন বা বিষাক্ত উপাদানগুলি নিষ্কাশনে সহায়তা করে এবং কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে।
Option C Explanation:
  • লাইসোসোম: লাইসোসোম হলো একটি আণবিক গঠন যা জীবদেহের অকেজো বা ক্ষতিগ্রস্ত কোষের অংশবিশেষ বা অপ্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ ধ্বংস করে।
  • এটি বিশেষ ধরনের অ্যাজাইম দ্বারা সমৃদ্ধ, যা প্রোটিন, লিপিড, কার্বোহাইড্রেড, এবং নিউক্লিক অ্যাসিডের মতো জৈব পদার্থগুলিকে ভাঙতে সক্ষম।
  • লাইসোসোমের মাধ্যমে কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে এবং অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিগ্রস্ত উপাদানগুলোকে পুনরুত্পাদন বা পুনর্ব্যবহার করে।
  • প্রক্রিয়াটি সাধারণত ফ্যাগোসাইটোসিস বা অটোফ্যাগোসিস নামে পরিচিত।
Option D Explanation:
  • রাইবোসোম হ'ল কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রতঙ্গ যা প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী।
  • এটি ডিঅক্সিরাইবোজোম (প্রাকৃতিক রাইবোসোম) এবং সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায়।
  • রাইবোসোমের মূল কাজ হলো অ্যামিনো অ্যাসিড যোগ করে পলিপেপটাইড চেইন (প্রোটিন) তৈরি করা।
  • এটি ডিএনএ থেকে নির্দেশনা অনুসরণ করে মেমব্রেনের বাইরের বা অভ্যন্তরীণ অংশে অবস্থিত হয়।
  • রাইবোসোমের উপস্থিতি ছাড়া কোষের প্রোটিন উৎপাদন সম্ভব নয়।