অপরিচিতা গল্পের রচয়িতা কে?
A. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
B. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
C. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
D. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তরঃ
B.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘শেষের কবিতা’ একটি-
- 'আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব, একথা যারা মনে করে তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না।' কল্যাণীর পিতা কাকে উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেন?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'স্ত্রীর পত্র' গল্পের মেজো বউ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। সে সমাজের শৃঙ্খল ও সংসারের জাল ছিন্ন করেছে। মেজো বউয়ের শেষ কথা ছিল'- তোমাদের গালিকে 'আমি আর ভয় করিনে। আমার সম্মুখে আজ নীল সমুদ্র, আমার মাথার উপরে আষাঢ়ের মেঘপুঞ্জ।উদ্দীপকের মেজো বউ 'অপরিচিতা' গল্পের যে দিকটি তুলে ধরেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোন গল্পটির লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর?
- ‘মামার মুখ তখন অনর্গল ছুটিতেছিল' - 'অপরিচিতা' রচনার এ উদ্ধৃতিতে প্রকাশ পেয়েছে অনুপমের মামার -
- নিচের কোন সাহিত্যিক বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেননি?
- ‘অভীক’ রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের নায়ক?
- 'কালের কলস' কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় যে গাভির পরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে কী করে?
- অসহায় বিধবা শুভারাণী, তার মেয়ে তমালিকার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাকে পাত্রস্থ করতে পারেনি। কারণ, পাত্রপক্ষের দাবি মেটাতে সে অক্ষম। অবশেষে নিজের সামান্য জমিটুকু বিক্রি করে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে সে। কিন্তু বরের বাবা নলীন বাবুর আকাশ ছোঁয়া চাওয়ার কাছে পরাজিত হতে হয় তাকে। মায়ের এহেন অবস্থা দেখে তমালিকা নিজেই বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে আসে এবং সবাইকে সাফ জানিয়ে দেয়, এ বিয়ে সে করতে পারবে না। অতঃপর স্বাবলম্বী হয়ে একাকী পথ চলার দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায় সে।উদ্দীপকের তমালিকা চরিত্রটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? আলোচনা করো।
- কল্যাণী কোন স্টেশনে নেমেছিল?
- 'কন্যার পিতা রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, "শুভ কার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয়ই টাকাটা শোধ করিয়া দিব।" রায় বাহাদুর বললেন, "টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।" এই দুর্ঘটনায় অন্তঃপুরে একটা কান্না পড়িয়া গেল। ইতঃমধ্যে একটি সুবিধা হইল। বর সহসা তার পিতৃদেবের অবাধ্য হইয়া উঠিল। সে বাবাকে বলিয়া বসিল, "কেনাবেচা দরদামের কথা আমি বুঝি না; বিবাহ করিতে আসিয়াছি, বিবাহ করিয়া যাইব।""উদ্দীপকের ঘটনাটি 'অপরিচিতা' গল্পে বর্ণিত সামাজিক অসঙ্গতির দিকটি তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'নীললোহিত' - কার ছদ্মনাম?
- কোনটি সঙ্গতিপূর্ণ জোড় নয়?
- 'ঠাট্টা তো আপনিই করিয়া সারিয়াছেন।'-ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোনটি গদ্য রচনা নয়
- "না দেখলাম তাহাকে চোখে, না দেখিলাম তাহার ছবি"- কোন লেখকের রচনার অংশ?
- 'অপরাজিতা' গল্পে কল্যাণীর বাবার নাম কি ?
- সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।উদ্দীপকের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' একটি-
- জটিল কিংবা যৌগিক বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়-
- প্রায় এক বছর হলো বাজিতপুর নিবাসী কেরামত আলীর ছোট মেয়ে বিজলীর সাথে মনোহরপুর গ্রামের হোসেন মিয়ার একমাত্র ছেলে হাশিমের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই হাশিমের পরিবার বিজলীর উপর অমানবিক অত্যাচার ও নির্যাতন শরু করেছে। বিজলীর অপরাধ- বিয়ের সময় তার বাবা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যৌতুকের সমস্ত টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। তাই বিজলীকে নীরবে সহ্য করতে হচ্ছে এ নির্যাতন।যদি অনুপমের সাথে কল্যাণীর বিয়ে হতো, তার পরিণতিও কি উদ্দীপকের বিজলীর মতো হতো? তোমার মতামত দাও।
- আমাদের সমাজে ছেলে সন্তানের জন্ম হলে সবাই খুশি হয়। এর নেপথ্যে কারণ কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে দতে অনেক অনেক অর্থ সংকুলন করতে হয়। সামাজিক, ধর্মীয় এবং আইনগত কুপ্রথার কারণে প্রতিনিয়ত অনেক নারী স্ত্রী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ যত দিন ভোগবাদী চিন্তার চূড়ান্ত স্তর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারবে, ততদিন এ ব্যাধি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। মানুষের চিন্তার চিকিৎসা করাতে পারলে মানবতার জয়গান প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।উদ্দীপকের মানবতার জয়গানের বিষয়টি 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- অনুপমের কাছে চিরকাল বড়ো সত্য কী?
- অনুপমের বাবার পেশা কী ছিল?
- ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- 'অপরিচিতা' গল্পটি কার জবানীতে লেখা?
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমকালীন ভারতবর্ষে পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সবক্ষেত্রে তৎকালীন নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন এবং অধিকারহীনভাবে দেখেছেন পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। তাঁর বিভিন্ন রচনায় তিনি নারী সমাজকে জ্ঞানচর্চা ও কর্মব্রতী, অধিকার সচেতন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় প্রলুব্ধ করতে চেয়েছেন। পরিবার ও সমাজের অপরিহার্য অর্ধেক শক্তি নারীসমাজের দুর্বল ও অবনত অবস্থার জন্য পুরুষ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আশা করেছেন।কল্যাণীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন-এর সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি কার হাতের বাঁশরী?
- ’ওঁচা’ শব্দের অর্থ-
- কোন বানানটি শুদ্ধ?
- কহিল সে কাছে সরে আসি' পরের পঙ্ক্তি কোনটি?
- অনুপমের পিতার পেশা কী ছিল?
- কল্যাণীর পিতার নাম কি?
- 'রক্তকবরী' কোন ধরনের রচনা?
- 'অনাবৃষ্টির দিনে ফুলের কুঁড়িটির মতো মেয়ের বিমর্ষ মুখ।' -কোন রচনার বাক্য?
- কয়লাখনির জওয়ান শ্রমিক রবিউল শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের জন্য শ্রমিকদের নিয়ে আন্দোলন করে। এই অপরাধে তার চাকরি চলে যায়। নিদারুণ অভাবে পড়লেও সে হাল ছাড়ে না। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে শ্রমিকদের নিয়ে সে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।উদ্দীপকের রবিউল চরিত্রে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান?
- 'অপরিচিতা' গল্পে উল্লিখিত 'ফল্গু' নদীর বৈশিষ্ট্য কী?
- কোনটি বিয়োগান্তক নাটক নয়?
- “যে গাছে সে ফুটিয়াছে সে গাছকে সে একেবারেঅতিক্রম করিয়া উঠিয়াছে।''— এই বর্ণনায় কল্যাণীরকোন বিশেষ দিকের কথা বলা হয়েছে?