“নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।”পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. কাজী নজরুল ইসলাম
C. শামসুর রাহমান
D. ফররুখ আহমদ
সঠিক উত্তরঃ
B.
কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation: আলোচ্য চরণগুলির রচয়িতা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। চরণগুলি তাঁর ‘খেয়া পারের তরণী’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্গত। নজরুলের কয়েকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ-অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, সর্বহারা, সাম্যবাদী প্রভৃতি।
Related Questions (Any University/Year)
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য নয়?
- 'জাগো রে কৃষাণ, সব তো গেছে, কীসের আর ভয়'— উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার যে ভাব ফুটে উঠেছে—
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাশরী আর হাতে রণ-তূর্য'- পঙক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি নিজেকে 'পরশুরামের কঠোর কুঠার' বলেছেন কেন?
- কবি নিজেকে কার কঠোর কুঠারের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
- 'বিদ্রোহী' কবিতা রচনার শতবর্ষ পূর্ণ হয়েছে-
- কাজী নজরুল ইসলামের "বিদ্রোহী" কবিতা প্রকাশিত হয় কোন সালে?
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা?
- 'অন্যায়ের কাছে নত নয় শিরভয়ে কাঁদে কাপুরুষ, লড়ে যার বীর।' উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ফুটে ওঠা দিকটি হলো-দেশপ্রেমবীরত্বউচ্চাকাঙ্ক্ষানিচের কোনটি সঠিক?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।"উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি একই সূত্রে গাঁথা।"- বিশ্লেষণ করো।
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি? আলোচনা করো।
- 'মরু-নির্ঝর' শব্দের অর্থ কী?
- 'কুর্নিশ' শব্দটির অর্থ কী?
- অর্ফিয়াসের ভালোবাসার পাত্রীর নাম কী ছিল?
- কবি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা কোনটি?
- কবি নিজেকে 'অর্ফিয়াসের বাঁশরী' বলেছেন কেন?
- ব্যাখ্যা করো: 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য।
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার স্মারক।" বিচার করো।
- 'ভাঙা ঘর, ফাঁকা ভিটেতে জমেছে নির্জনতার কালোহে মহামানব, এখানে শুকনো পাতার আগুন জ্বালো ।'উদ্দীপকে 'বিদ্রোহী' কবিতার কোন ভাবের প্রকাশ ঘটেছে? -
- লেনিন ভেঙেছে রুশে জনস্রোতে অন্যায়ের বাঁধ, অন্যায়ের মুখোমুখি লেনিন প্রথম প্রতিবাদ।' উদ্দীপকের চরণদ্বয় 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।আর-নয়।তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।আর করি না করি না ভয়।জয় বাংলা বাংলার জয়।উদ্দীপকের 'শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র'- চরণের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য বর্ণনা করো। যৌক্তিকতা 'বিচার করো।
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ তূর্য'- পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারা ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।উদ্দীপকের ভাবের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে লাইনটির ভাবগত সাদৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায়-
- বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকেআমি যাই তারি দিন-পঞ্জিকা লিখে,এতো বিদ্রোহ কখনো দেখেনি কেউ,দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ;স্বপ্ন-চূড়ার থেকে নেমে এলো সব-শুনেছ? শুনছ উদ্দাম কলরব?নয়া ইতিহাস লিখছে ধর্মঘট;রক্তে রক্তে আঁকা প্রচ্ছদপট।'প্রত্যহ যারা ঘৃণিত ও পদানত,দেখ আজ তারা সবেগে সমুদ্যত;উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সংগতিপূর্ণ?
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- “বিদ্রোহী” কবিতায় বিশিষ্ট মুনি দুর্বাসার মায়ের নাম কী?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করতেচান কেন?
- ‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
- বাংলাদেশের রণসংগীত কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থের অন্তৰ্ভূক্ত?
- 'সঞ্চিতা' কোন কবির কাব্যসংকলন?
- বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- কামাল পাশা কোন বিষয়ে অন্যায় দেখলে মেনে নিতে পারতেন না। জন্ম থেকে তার মধ্যে ছিল বিদ্রোহী সত্তা। দেশের সুলতান অন্য দেশের কাছে অবজ্ঞার পাত্র। কামাল পাশা অন্তরে অনুভব করেন এই অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত তিনি এই পরিবর্তন করতে সক্ষম হন এবং তুরস্ককে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করেন।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ভারতবর্ষের ইতিহাসে ক্ষুদিরাম, মাস্টার দা সূর্যসেন'ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বিখ্যাত নাম। বৃটিশদের অত্যাচার থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার মানসে নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে গড়ে তোলেন। তাঁরা বৃটিশ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও বিপ্লবের ঝান্ডা উড়িয়ে তাদের ভিত্তি প্রকম্পিত করেন।উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার যে বিদ্রোহী মনোভাবের পরিচয় পাওয়া যায়- ব্যাখ্যা কর।
- 'আমি সেই দিন হব শান্ত' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় 'অর্ফিয়াস' এর পিতা কে ছিলেন?
- 'ভাঙাঘর, ফাঁকা, ভিটেতে জমেছে নির্জনতার কালো, হে মহা মানব, এখানে শুকনো পাতায় আগুন জ্বালো।' উদ্দীপকে বিদ্রোহী কবিতার কোন ভাবের প্রতিফলন হয়েছে?
- কবি কাকে ছাড়া আর কাউকে কুর্নিশ করেন না?
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?-প্রলয় নূতন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন।তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বলেও আসছে হেসেমধুর হেসে।ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর।তোরা সব-'জয়ধ্বনি কর।'উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
- যার মনে মানবপ্রেম নেই, মসজিদে কিংবা মন্দিরে গিয়ে যতই ক্রন্দনরত অবস্থায় থাকুক, সৃষ্টিকর্তার প্রেম সে পাবে না, পেতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি করুণা করেন কিন্তু প্রেম সবার ললাটে জোটে না। যে ব্যক্তির হৃদয় অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব এতিম ও দূর্বলকে দেখে আপ্লুত হয় না, কষ্টে চিত্ত ব্যর্থিত হয় না; তার মনে প্রেম নেই, মায়া নেই, কোনো মমতা নেই। স্রষ্টার প্রিয়পাত্র সে হতে পারে না।
- কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ হলো- অগ্নিবীণাসঞ্চিতা গীতাঞ্জলিনিচের কোনটি সঠিক?