নিচের কোনটি ম্যালেরিয়া জীবাণুর হ্যাপ্লয়েড দশা?
সঠিক উত্তরঃ
D.
স্পোরোজয়েট
Explanation:

Another Explanation (5):
ম্যালেরিয়া জীবাণুর হ্যাপ্লয়েড দশা
ম্যালেরিয়া জীবাণুর হ্যাপ্লয়েড দশা কি?
ম্যালেরিয়া জীবাণু, বিশেষ করে Plasmodium প্রজাতিগুলির জীবনচক্রে হ্যাপ্লয়েড (Haploid) এবং ডেপ্লয়েড (Diploid) ধাপ রয়েছে।
হ্যাপ্লয়েড দশা কি?
হ্যাপ্লয়েড (N) বলতে বোঝায় যে জীবাণুর কোষে একক সেট ক্রোমোজোম থাকে।
ম্যালেরিয়া জীবাণুর হ্যাপ্লয়েড অবস্থাটি মূলত স্পোরোজয়েট পর্যায়ে থাকে।
স্পোরোজয়েট কি?
- স্পোরোজয়েট হলো হ্যাপ্লয়েড পর্যায়ের জীবাণু, যা শিকারী স্বাদু (অ্যাপিক্যাল কোট) বা লার্ভা পর্যায়ে থাকে।
- এটি মূলত পরজীবীর শরীরের মধ্যে উৎপন্ন হয় এবং পরবর্তীতে মেলিগোস্টোশিসে বিভাজিত হয়ে বেশ কয়েকটি নিওস্পোরোজয়েট বা স্পোরোজোয়েট তৈরি করে।
উপসংহার
অতএব, নিচের প্রশ্নের উত্তরে:
- প্রশ্ন: নিচের কোনটি ম্যালেরিয়া জীবাণুর হ্যাপ্লয়েড দশা?
- উত্তর: স্পোরোজয়েট
টেবিল: ম্যালেরিয়া জীবাণুর জীবনচক্রে বিভিন্ন ধাপ
| ধাপ | অবস্থা | বর্ণনা |
|---|---|---|
| স্পোরোজয়েট | হ্যাপ্লয়েড (N) | শিকারী শরীরে উৎপন্ন হয়, মেলিগোস্টোশিসে বিভাজিত হয়ে স্পোয়ার্জাইট তৈরি করে। |
| ট্রপোজোয়েট | ডেপ্লয়েড (2N) | রক্তের মধ্যে পরিণত হয়, যা লিউকোসাইটে বিভাজিত হয়। |
| গ্যামেটোসাইট | হ্যাপ্লয়েড (N) | গ্যামেট তৈরির জন্য প্রস্তুত হয়। |
🧬✨ সুতরাং, ম্যালেরিয়া জীবাণুর হ্যাপ্লয়েড দশা হলো স্পোরোজয়েট।
Option A Explanation:
- জাইগোট: জাইগোট হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব, যা স্পোরোজয়েটের পরবর্তীতে গঠিত হয়। এটি মূলতঃ পরজীবীর একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল রূপ, যা পরবর্তীতে অ্যানফিলিস মশকীর দেহে বৃদ্ধি পায়।
- গঠন: জাইগোট তৈরির জন্য, স্পোরোজয়েটগুলো অ্যানফিলিস মশকীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে মিলিত হয় এবং একত্রিত হয়ে এই পর্বটি গঠন করে।
- অবস্থান: এটি মশকীর অগ্ন্যাশয় বা গ্লান্ডে অবস্থান করে, যেখানে এটি পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুত হয়।
- মূল ভূমিকা: জাইগোট পরবর্তীতে বিভাজিত হয়ে ম্যালেরিয়া পরজীবীর অন্য ধাপগুলোতে রূপান্তরিত হয়, যা পরিশেষে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং রোগের কারণ হয়।
Option B Explanation:
- উকিনেট (Oocyst): এটি পরজীবীর জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব যেখানে পরজীবী শুকনো বা আর্দ্র পরিবেশে ডিম্বাকৃতি গঠন করে।
- প্রাথমিকভাবে, উকিনেট পরজীবীর পরিপক্কতা ও বিস্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি মূলত পরজীবীর জীবচক্রের অঙ্গ হিসেবে কাজ করে যেখানে এটি বিভিন্ন পর্ব অতিক্রম করে অন্য জীবনচক্রের জন্য প্রস্তুত হয়।
- উকিনেট সাধারণত পরজীবীর আউটডোর বা সংক্রামক পর্যায়ে পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
- উসিস্ট: উসিস্ট হলো এক ধরনের সাদা রঙের বা ধূসর রঙের সর্দি বা ঝিল্লি দ্বারা আচ্ছাদিত সিস্ট বা থলির মতো গঠনতন্ত্র। এটি সাধারণত শরীরের অভ্যন্তরে তৈরি হয় এবং বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন ক্যান্সার বা ইনফেকশনের কারণে।
- প্রকার: বিভিন্ন ধরনের উসিস্ট থাকতে পারে, যেমন ওভারি উসিস্ট, কিডনি উসিস্ট, বা থাইরয়েড উসিস্ট।
- গঠন: সাধারণত তরল বা অ তরল পদার্থে পূর্ণ হয় এবং এর আকার ও আয়তন পরিবর্তিত হতে পারে।
- চিকিৎসা: কিছু উসিস্ট নিরাময়যোগ্য বা নিজে সেরে যায়, তবে কিছু ক্ষেত্রে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।
Option D Explanation:
- স্পোরোজয়েট: এটি একটি পরিপূর্ণ পরজীবী বা অপ্রজনন মোড যেখানে অণুবীক্ষণজীবী বা অণুজীবের বৃদ্ধি ও বিভাজন ঘটে।
- অন্য কোনও উপাদানের সাথে সংযোগ নেই।
- এটি বেশিরভাগ সময় পরজীবী জীবের জীবনচক্রের অংশ, যেমন খাদ্য শৃঙ্খলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু শৈবাল ও শৈবালী জীবের মধ্যে স্পোরোজয়েট ধরণের শারীরিক অবস্থা দেখা যায়।