মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিচের কোন প্লাজমাতে নাইট্রোজেনঘটিত অ-প্রোটিন পদার্থ?

A.

ক্রিয়েটিনিন

B.

বিলিরুবিন

C.

ফাইব্রিনোজেন

D. প্রোথ্রোম্বিন
Poster Download
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্ত ও রক্তরস (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A.

ক্রিয়েটিনিন

Another Explanation (5): নাইট্রোজেনঘটিত অ-প্রোটিন পদার্থ বলতে এমন পদার্থ বোঝায় যা নাইট্রোজেন ধারণ করে তবে প্রোটিনের অংশ নয়। সাধারণত, এই ধরনের পদার্থগুলো শরীরে বিভিন্ন বিপাকীয় প্রক্রিয়ার ফলাফল হিসেবে তৈরি হয় এবং প্রোটিনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। উল্লেখ্য, নিচের তালিকায় বিভিন্ন নাইট্রোজেনধারী পদার্থ দেওয়া হলো:
  • ক্রিয়েটিনিন: এটি মূলত মাংসের পচন এবং কিডনি ফাংশনের ফলাফল হিসেবে তৈরি হয়। এটি অ-প্রোটিন নাইট্রোজেন পদার্থ, অর্থাৎ এটি প্রোটিনের অংশ নয়।
  • ইউরিয়া: এটি প্রোটিন বিপাকের শেষ ফলাফল, যা শরীর থেকে মুক্ত করার জন্য রক্তে থাকে।
  • অ্যামোনিয়া: প্রোটিন বিপাকের সময় উৎপন্ন হয়, তবে শরীরের জন্য বিষাক্ত, এবং পরে ইউরিয়ায় রূপান্তরিত হয়।
উপরে উল্লেখিত তালিকা থেকে দেখা যায়, **ক্রিয়েটিনিন** প্রোটিনের অংশ নয় এবং এটি একটি অ-প্রোটিন নাইট্রোজেন পদার্থ। অন্যদিকে, ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া প্রোটিন বিপাকের উপাদান। সুতরাং, **নাইট্রোজেনঘটিত অ-প্রোটিন পদার্থের মধ্যে "ক্রিয়েটিনিন"ই রয়েছে।**
Option A Explanation:
  • ক্রিয়েটিনিন:
    • একটি প্রকৃতিতে পাওয়া যৌগিক যৌগ যা মূলত পেশির মধ্যে উৎপন্ন হয়।
    • এটি ক্রিয়েটিন থেকে তৈরি হয়, যা পেশির শক্তি সংরক্ষণে সহায়ক।
    • প্রধানত কিডনি দ্বারা প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
    • ইউরিয়া বা অন্যান্য নাইট্রোজেন ধারণকারী পদার্থের থেকে আলাদা, কারণ এটি পেশির কার্যকলাপের দ্বারা নির্গত হয়।
    • রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কিডনি কার্যকারিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • বিলিরুবিন: বিলিরুবিন একটি রঙিন পিগমেন্ট যা লোহিত রক্তকণিকার ভাঙনের ফলে তৈরি হয়। এটি মূলত যকৃতের মাধ্যমে প্রসেস হয় এবং প্রস্রাব বা মলমূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।
  • প্রভাব: বিলিরুবিন রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় কোনও সরাসরি প্রভাব ফেলে না। এটি মূলত রঙিন পিগমেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রক্তের গুণমান বা গড়ন পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
  • সংক্ষেপ: তাই, বিলিরুবিনের রক্ত জমাট বাঁধার বা রক্তের গঠন বা গতি পরিবর্তনে কোনও প্রভাব নেই।
Option C Explanation:
  • ফাইব্রিনোজেন হলো একটি প্রোটিন যা রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি লিভার দ্বারা উৎপন্ন হয় এবং রক্তে পাওয়া যায়।
  • জমাট বাঁধার সময়, এটি ফাইব্রিন নামে একটি ফাইব্রিলেটেড প্রোটিনে রূপান্তরিত হয়, যা রক্তের জমাট বাঁধা গঠন করে।
  • ফাইব্রিনোজেন প্লাজমা প্রোটিন হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে এটি সাধারণত প্লাজমার ফাইব্রিনের সাথে সম্পর্কিত, যা রক্তের জমাট বাঁধার জন্য দায়ী।
  • অন্যদিকে, এই প্রোটিনটি প্লাজমা প্রোটিনের মধ্যে পড়ে, যা মূলত অ্যালবুমিন এবং গ্লোবুলিনের মতো বিভিন্ন প্রোটিনের অন্তর্ভুক্ত।
Option D Explanation:

প্রোথ্রোম্বিন (Prothrombin)

প্রোথ্রোম্বিন হল এক ধরণের প্রোটিন যা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি একটি প্রো-অ্যাংগাইম যা লিভার দ্বারা উৎপাদিত হয় এবং এটি ফাইব্রিনোজেনের সাথে কাজ করে ফাইব্রিন তৈরি করতে, যা রক্তের জমাট বাঁধার জন্য আবশ্যক।

  • মূল কাজ: প্রোথ্রোম্বিন মূলত থром্বিনে রূপান্তরিত হয়, যা ফাইব্রিন জেনের উপর কাজ করে ফাইব্রিনের উৎপাদন বাড়ায়।
  • রক্ত জমাট বাঁধার জন্য অপরিহার্য: এটি রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ কপার হিসেবে কাজ করে।
  • অর্থ: যদি প্রোথ্রোম্বিনের মাত্রা কম থাকে, তাহলে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা হতে পারে।