১৮৩১ সালে এইচ. এম. এস. বিগল জাহাজ ইংল্যান্ডের কোন বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে?
RUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনবিবর্তন বা অভিব্যক্তি (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
ডেভেনপোর্ট
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
১৮৩১ সালে এইচ. এম. এস. বিগল জাহাজের যাত্রা 🚢
১৮৩১ সালে এইচ. এম. এস. বিগল জাহাজটি ডেভেনপোর্ট বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। এই যাত্রাটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই অভিযানেই চার্লস ডারউইন প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধারণা লাভ করেন। 🤓
যাত্রার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- জাহাজের নাম: এইচ. এম. এস. বিগল ⚓
- যাত্রার বছর: ১৮৩১ 📅
- যাত্রাস্থান: ডেভেনপোর্ট, ইংল্যান্ড 🇬🇧
- উদ্দেশ্য: মূলত সমুদ্র জরিপ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক ইতিহাস পর্যবেক্ষণ 🌍
- গুরুত্ব: চার্লস ডারউইনের বিখ্যাত গবেষণা এবং বিবর্তন তত্ত্বের বিকাশে সহায়ক 🌱
চার্লস ডারউইনের ভূমিকা 👨🎓
চার্লস ডারউইন এই অভিযানে একজন প্রকৃতিবিদ হিসেবে যোগদান করেন। বিভিন্ন দ্বীপ এবং অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণ করে তিনি তার বিখ্যাত "On the Origin of Species" বইটি লেখেন। 📚
যাত্রাপথের কিছু উল্লেখযোগ্য স্থান:
- গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ 🏝️
- ব্রাজিল 🇧🇷
- আর্জেন্টিনা 🇦🇷
- অস্ট্রেলিয়া 🇦🇺
- নিউজিল্যান্ড 🇳🇿
যাত্রার ফলাফল:
এই যাত্রা শুধুমাত্র ডারউইনের জন্য নয়, বরং বিজ্ঞান ও জীবজগতের গবেষণার জন্য একটি মাইলফলক ছিল। 🚀
| বিষয় | গুরুত্বপূর্ণ তথ্য |
|---|---|
| ডারউইনের তত্ত্ব 💡 | প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং জীবের বিবর্তন |
| সংগৃহীত নমুনা 🧪 | বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ, প্রাণী ও জীবাশ্ম |
| বৈজ্ঞানিক অবদান 🔬 | জীববিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব এবং পরিবেশ বিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন |
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 🌐
আশা করি তথ্যটি আপনার কাজে লাগবে। 👍
ধন্যবাদ! 🙏
```Option A Explanation:
- ডেভেনপোর্ট: ডেভেনপোর্ট হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর যা ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এটি ডেভেন নদীর mouth-এ অবস্থিত, এবং ব্রাইটন শহর থেকে কিছু দূরে।
- বিশেষত্ব: এটি ঐতিহাসিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে পরিচিত, যেখানে বিভিন্ন সামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজে যাত্রা শুরু হয়।
- অবস্থান: দক্ষিণ ইংল্যান্ডের সমুদ্রতটবর্তী অঞ্চল, যা ইংল্যান্ডের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা।
- ব্যবহার: বহু সময় ধরে এই বন্দরটি সামরিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
Option B Explanation:
- ম্যারিপোর্ট: ম্যারিপোর্ট হল একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে, যা মূলত ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত। এটি ডার্বিশায়ার নগরীর অংশ হিসেবে পরিচিত এবং ঐতিহ্যগতভাবে মাছধরা, বাণিজ্য এবং সামরিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অতিরিক্তভাবে, ম্যারিপোর্টের অবস্থান এবং বন্দরের সুবিধা এটিকে বিভিন্ন সামরিক এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।
- এছাড়াও, এই বন্দরে বিভিন্ন ধরনের নৌযান এবং জাহাজের জন্য উপযুক্ত অবকাঠামো রয়েছে, যা এর সামরিক এবং বাণিজ্যিক গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলে।
Option C Explanation:
- গ্যালাপাগোস: গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন ও জীববৈচিত্র্য স্থান।
- এটি ইকুয়েডর দেশের অংশ, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
- গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের মূল আকর্ষণ হলো এর নানা প্রজাতির ছোঁয়া-জীব, বিশেষ করে দৈত্যাকৃতি গ্যান্ডালফ গিজার ও বিভিন্ন প্রকার সামুদ্রিক প্রাণী।
- এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষিত, যেখানে পরিবেশের সংরক্ষণ ও পর্যটনের মধ্যে সমন্বয় করা হয়।
Option D Explanation:
- ফকল্যান্ড: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল যা দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং সামরিক কেন্দ্র হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- ফকল্যান্ড থেকে বিভিন্ন সামরিক ও পরিবহন জাহাজ বিশ্বজুড়ে নানা অভিযান পরিচালনা করে থাকেএবং এর ভূগোল ও সামরিক গুরুত্ব অনেক।
- অতীতে, এই অঞ্চলটি ব্রিটিশ সামরিক শক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।