ক্লেটন কাদেরকে প্রাণপণে যুদ্ধ করতে বলেন?
A.
হলওয়েলকে
B.
ফরাসি যোদ্ধাদের
C.
ব্রিটিশ সৈন্যদের
D.
নবাবের সৈন্যদের
সঠিক উত্তরঃ
C.
ব্রিটিশ সৈন্যদের
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা'- উক্তিটি কার?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার যে সফলতার ইঙ্গিত রয়েছে তা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সাথে। মিলিয়ে ব্যাখ্যা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন— এ বড়লজ্জার কথা'— উক্তিটি কার?
- বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা মহাকালের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে বাঙালিরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং বাংলার স্বপ্নের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনেন। রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আজীবন কাজ করে গেছেন। অথচ এই দেশেরই মানুষরূপী নরপশু-হায়েনার দল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করে।"উদ্দীপকের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের পরিণতি একই সূত্রে গাঁথা"- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।
- 'দওলত' আমার কাছে ভগবানের দাদা মশায়ের চেয়ে বড়ো'- উক্তিটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘকাল ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিমরোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন। ভারতবর্ষ জুড়ে তীব্র আন্দোলনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে ওঠে। ফলে এ আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য সাম্রাজ্যবাদী সরকার ভারতের অগণিত তরুণ-যুবাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলায়। মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন সেনাপতির মধ্যে উদ্দীপকের চেতনা কীভাবে বিদ্যমান তা বুঝিয়ে লেখো।
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশীয় দোসরদের সহায়তায় আমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতনচালায় । অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদেরসম্মানহানি করে এবং ব্যাপক গণহত্যা চালায় ।হানাদার বাহিনীর অত্যাচার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'উমিচাঁদ যুগের সেরা বিশ্বাস ঘাতক'- উক্তিটি কার?
- 'আমি জানি হি ইজ এ ডেড হর্স'- উক্তিটি কার?
- সালভাদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতাগ্রহণ করে আলেন্দ কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- শাহীন গ্রামে প্রতিবেশীর বাড়িতে চুরি করে ধরা পড়ে। মা-বাবা সম্মান বাঁচাতে ছেলেকে মামাবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন থাকার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মামার ঘরের ছোট ছোট দামি জিনিসপত্র হারাতে থাকে। প্রথমত তারা কাজের মেয়েকেই সন্দেহ করে। কিন্তু মেয়ের জন্মদিনের উপহার হারিয়ে গেলে তা পাওয়া যায় শাহীনের ঘরের আলমারির মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায়। তখন মুখোশ খুলে যায় শাহীনের। মামাবাড়ি থেকে সে বিতাড়িত হয়।শাহীন চরিত্র 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?
- 'নবাব আলীবর্দী ইন্তেকাল করার আগের দিন থেকেই পোশাকটা তৈরি।'- জগৎশঠের এমন মন্তব্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়"- ব্যাখ্যা করো।
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপোষহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষণকারী, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ সর্বোপরি ১৯৭১ সনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর সঠিক নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলাদেশ' নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানিদের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।'উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলা চরিত্রের সাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- মিরজাফর ১৭৫৭ সালের কত তারিখে বাংলারমসনদে বসেন?
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক কোনটি?
- লং লিভ নবাব জাফর আলী খান' উক্তিটি কার?
- যিশুর খুবই কাছের সহচর ছিল জুডাস। একদিন জুডাস মাত্র ৩০. রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে যিশুকে রোমান সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উত্ত চরিত্রের কর্মফল ঘটে- দেশপ্রেমিকের মৃত্যু ইংরেজদের উথানগণবিক্ষোভ হয় নিচের কোনটি সঠিক?
- তামা-তুলসী গঙ্গাজল ছুঁয়ে ঈশ্বরের নাম শপথ করছি , আমার জীবন নবাবের কল্যাণে উৎসর্গীকৃত ।'সিরাজ-উ-দ্দৌলা নাটকে এ উক্তি কে করে ?
- মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার আজমত আলী শান্তি কমিটি গঠন করে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে এই দেশের প্রচুর ক্ষয়-ক্ষতি সাধন করে। পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে তার নামে মামলা করা হয় এবং ফাঁসিও কার্যকর করা হয়। প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা জামিল উদ্দীন জানান ওই বিশ্বাসঘাতক আজমত 'আলীর সাহায্যেই হানাদার বাহিনী গ্রামের অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে এবং তাঁদের পরিবারের ওপর চালায় সীমাহীন নির্যাতন।“প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল বিষয়কে তুলে ধরেছে।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- 'যুদ্ধ বন্ধ না করলে নবাব সৈন্য এক্ষুনি তার প্রমাণ দেবে।'- ওয়ালি খান এখানে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- গঠন বৈশিষ্ট্যে 'সিরাজউদ্দৌলা'- সামাজিক সমস্যা-প্রবণ নাটক ইতিহাস আশ্রিত জাতীয় ট্র্যাজেডি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রবাহ-অঙ্কিতনিচের কোনটি সঠিক?
- রোমের একচ্ছত্র অধিপতি জুলিয়াস সিজার। তাঁর সিনেটরয়া ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাসও এই হীন চক্রান্তে যোগ - দেয়। সিনেটে নৃশংসভাবে নিহত হন সিজার। মৃত্যুকালে বন্ধু ব্রুটাসের হাতেও উদ্যত ছুরি দেখে - বিস্মিত সিজার বলে ওঠেন, 'ব্রুটাস, তুমিও!'উদ্দীপকের জুলিয়াস সিজার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।'উদ্দীপকের হুমায়ূনের সিংহাসনে আরোহণ আর নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণ অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ।'- আলোচনা করো।
- "চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।"- উক্তিটি কার?
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?
- সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের প্রতিফলিত দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রকাশকাল কত?
- পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে কত হাজার সৈন্য ছিল?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা মোহনলালের উপর ভরসা রেখেছিলেন কেন?
- কোম্পানির ঘুষখোর ডাস্তার কে?
- কে নিজেকে “দওলতের পূজারি' বলে পরিচয় দিয়েছে?
- মোহাম্মদি বেগ কত টাকার বিনিময়ে নবাব সিরাজকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।'নবাব সিরাজউদ্দৌলার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ একই প্রেরণা থেকে উৎসারিত।'- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- মোহাম্মদী বেগ কত টাকার বিনিময়ে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করতে রাজি হয়েছিল?
- মীর মশাররফ হোসেনের নাটক কোনটি?