মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিচের কোনটি এডিস (Aedes) মশা বাহিত রোগ নয়?

A. চিকুনগুনিয়া
B. জিকা
C. ম্যালেরিয়া
D. ডেঙ্গু
Poster Download
CCঅণুজীবCC - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. ম্যালেরিয়া
Explanation:

প্রশ্ন বিশ্লেষণ:

প্রশ্ন: \"নিচের কোনটি এডিস (Aedes) মশা বাহিত রোগ নয়?\" এই প্রশ্নটি শিক্ষার্থীদের জন্য এডিস মশা দ্বারা বহনকৃত রোগগুলি সম্পর্কে জ্ঞান যাচাই করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এডিস মশা কিছু নির্দিষ্ট রোগের বাহক হিসেবে পরিচিত, তবে কিছু রোগ এডিস মশা দ্বারা বহন করা হয় না।

অপশন বিশ্লেষণ:

  1. চিকুনগুনিয়া:
    • ভুল অপশন: চিকুনগুনিয়া একটি এডিস মশা দ্বারা বহনকৃত ভাইরাসজনিত রোগ। এটি এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। তাই এটি এডিস মশা বহিত রোগ।
  2. জিকা:
    • ভুল অপশন: জিকা ভাইরাসও এডিস মশা দ্বারা বহন করা হয়। এটি গর্ভবতী নারীদের মাধ্যমে নবজাতকের জন্মগত ত্রুটি সৃষ্টি করতে পারে। তাই এটি এডিস মশা বহিত রোগ।
  3. ম্যালেরিয়া:
    • সঠিক উত্তর: ম্যালেরিয়া এডিস মশা দ্বারা বহন করা হয় না। এটি অ্যানোফিলিস মশা দ্বারা বহনকৃত রোগ। তাই এটি সঠিক উত্তর।
  4. ডেঙ্গু:
    • ভুল অপশন: ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। এটি এডিস মশা বহিত একটি রোগ।

নোট:

এই প্রশ্নটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এডিস মশা দ্বারা বহনকৃত এবং অন্যান্য মশা দ্বারা বহনকৃত রোগের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারবে। সঠিক উত্তর হলো ম্যালেরিয়া, কারণ এটি এডিস মশা বহিত রোগ নয়, বরং অ্যানোফিলিস মশা এর বাহক।
Option A Explanation:
  • চিকুনগুনিয়া: এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত এডিস (Aedes) মশার মাধ্যমে ছড়ায় না।
  • প্রধানত এই রোগটি আকাশি (Aedes) মশার মাধ্যমে ছড়ায়, বিশেষ করে Aedes aegypti এবং Aedes albopictus মশা এটির মূল বাহক।
  • চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের জন্য সংক্রমিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
  • এই রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে থাকে জ্বর, গাঁটের ব্যথা, চমৎকার র‍্যাশ ও অসুবিধা।
Option B Explanation:
  • জিকা ভাইরাস: এটি একটি রক্তপ্রবাহজনিত ভাইরাস যা মূলত এডিস (Aedes) মশা দ্বারা সংক্রমিত হয়।
  • প্রভাব: জিকা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হলে সাধারণত হালকা ধরনের লক্ষণ দেখা যায়, যেমন জ্বর, মাথা ব্যথা, চোখ লাল হওয়া, অস্বস্তি ও শরীরে ব্যথা।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: এডিস মশার মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়, বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়।
  • বিশেষত্ব: এই ভাইরাস গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে সংক্রমিত হলে শিশুর মধ্যে মারফানসেফালি বা মস্তিষ্ক বিকাশে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
Option C Explanation:
  • প্রজনন পদ্ধতি: ম্যালেরিয়া রো??ের জীবাণু, Plasmodium, মূলত ছত্রাকের মতো পরজীবী, যা ??শার মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
  • অন্তঃকোষীয় জীবাণু: এটি অন্তঃকোষীয় পরজীবী, অর্থাৎ এটি উষ্ণ, আর্দ্র পরিবেশে কোষের ভিতরে বাস করে।
  • অভিশাপের মাধ্যমে ছড়ানো: ম্যালেরিয়া মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মধ্যে থাকা পরজীবু নিয়ে অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত করে।
  • প্রকৃতি: এটি এক ধরনের পরজীবী জীবাণু, যা মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে, ফলে জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়।
  • সংক্রমণের লক্ষণ: জ্বর, ঠান্ডা লাগা, মাথাব্যাথা, শরীরের দুর্বলতা ইত্যাদি প্রধান লক্ষণ।
Option D Explanation:
  • প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
  • কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
  • চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।