সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে যে বিষয়টি আলোচিত হতে পারে না-
DUUnit-Bসাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকবিভিন্ন সংস্থাবিভিন্ন সংস্থা (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
দ্বিপাক্ষিক সমস্যা
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
সার্ক শীর্ষ সম্মেলন: আলোচনার বাইরে দ্বিপাক্ষিক সমস্যা
সার্ক (SAARC) শীর্ষ সম্মেলনে সাধারণত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয় না। এর কারণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
কারণসমূহ
- সার্কের মূল উদ্দেশ্য: সার্কের প্রধান লক্ষ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলো আঞ্চলিক সহযোগিতার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। 🤝
- ঐক্যবদ্ধতা বজায় রাখা: দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলো উত্থাপন করা হলে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হতে পারে। সার্কের ঐক্যবদ্ধতা বজায় রাখার জন্য এ ধরনের আলোচনা পরিহার করা হয়। 🧑🤝🧑
- সম্মেলনের কার্যকারিতা: দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলো জটিল এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে। এগুলো নিয়ে আলোচনা করলে সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য থেকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ⏳
- অন্যান্য ফোরামের সুযোগ: দ্বিপাক্ষিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক ফোরাম রয়েছে। সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে এগুলোর পরিবর্তে আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়গুলো প্রাধান্য দেওয়া হয়। 🌍
আলোচনার বিষয় যা হতে পারে
- আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি 📈
- দারিদ্র্য বিমোচন 🎗️
- জলবায়ু পরিবর্তন 🌡️
- সাংস্কৃতিক বিনিময় 🎭
- যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন 🚈
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা 🌪️
সার্কের সদস্য রাষ্ট্র
| ক্রমিক | রাষ্ট্রের নাম | যোগদানের তারিখ |
|---|---|---|
| ১ | বাংলাদেশ 🇧🇩 | ডিসেম্বর ১৯৮৫ |
| ২ | ভারত 🇮🇳 | ডিসেম্বর ১৯৮৫ |
| ৩ | পাকিস্তান 🇵🇰 | ডিসেম্বর ১৯৮৫ |
| ৪ | শ্রীলঙ্কা 🇱🇰 | ডিসেম্বর ১৯৮৫ |
| ৫ | নেপাল 🇳🇵 | ডিসেম্বর ১৯৮৫ |
| ৬ | মালদ্বীপ 🇲🇻 | ডিসেম্বর ১৯৮৫ |
| ৭ | ভুটান 🇧🇹 | ডিসেম্বর ১৯৮৫ |
| ৮ | আফগানিস্তান 🇦🇫 | এপ্রিল ২০০৭ |
সার্ক শীর্ষ সম্মেলন আঞ্চলিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন সম্ভব। 🙏
আরও তথ্যের জন্য সার্কের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন। 🌐
```