মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

বাংলাদেশের জাতীয় পাখির বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি?

A. Tenuslosa ilisha
B. Gavialis gangenticus
C. Copsychus saularis
D. Panthera tigris
Poster Download
CCপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসCC - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. Copsychus saularis
Explanation:  
Option A Explanation:
  • বৈজ্ঞানিক নাম: Tenualosa ilisha
  • প্রকার: মাছ
  • পারিবার: Clupeidae (হেরিং পরিবারের সদস্য)
  • অবস্থান: বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার নদী ও উপসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়
  • বিশেষত্ব: ইলিশ মাছ হিসেবে পরিচিত, এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক সম্পদ
Option B Explanation:
  • Gavialis gangeticus হল একটি জলজ প্রজাতির গিরগিটি, যাকে সাধারণত গাঙ্গেটিক গিরগিটি বা গাঙ্গেটিক হাঙ্গর নামে ডাকা হয়।
  • এটি মূলত ভারত ও বাংলাদেশে পাওয়া যায় এবং নদী ও জলাভূমিতে বাস করে।
  • এটির দেহ লম্বা ও সরু, মাথা চওড়া ও চ্যাপ্টা, যা অন্য গিরগিটির থেকে আলাদা।
  • প্রজননের সময় এটি নদীর তীরে ডিম দেয়।
  • বিশেষ করে এর মুখের গঠন ও দাঁত দিয়ে শিকার করে থাকে।
Option C Explanation:
  • নাম: Copsychus saularis
  • পরিবার: সাইরাসিডি (Cisticolidae)
  • বর্ণনা: এটি একটি ছোটো পাখি যা সাধারণত সান্দ্র গাছের ডালে দেখা যায়। এর পাখার রঙ সাধারণত কালো ও সাদা মিশ্রিত, এবং এটি খুবই কণ্ঠস্বল্প।
  • প্রজনন: এই পাখি সাধারণত গাছে তাদের বাসস্থান তৈরি করে এবং একসাথে বসবাস করে।
  • আবাস: মূলত দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়, যেমন ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ইত্যাদি।
Option D Explanation:
  • বর্ণনা: Panthera tigris, বা বাঘ, বিশ্বের বৃহত্তম প্রজাতি বিড়াল, যা মূলত এশিয়া মহাদেশে পাওয়া যায়।
  • প্রজনন এলাকা: ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন ও রাশিয়ার কিছু অংশ।
  • অবস্থা: অনেক প্রজাতির মধ্যে এই প্রজাতি বিপন্ন বা মহাবিপন্ন বলে গণ্য হয়, কারণ তাদের সংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে।
  • কারণ: আবাসস্থল ধ্বংস, শিকার, অবৈধ ট্রাফিক ও মানব-প্রভাবিত অন্যান্য কারণে এই প্রজাতির সংখ্যা কমে আসছে।
  • সংরক্ষণ ব্যবস্থা: বিভিন্ন দেশে বাঘ সংরক্ষণ ও পুনঃপ্রজননের জন্য নানা ধরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।