মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

প্রাণিবিজ্ঞাণের জনক কে?

A. চার্লস রবার্ট ডারউইন
B. থ্রিওফ্রাস্ট
C. অ্যারিস্টটল
D. ক্যারোলাস লিনিয়াস
Poster Download
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসপ্রাণীবৈচিত্র্য ও প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. অ্যারিস্টটল
Explanation: অ্যারিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয় কারণ তিনি প্রথম প্রাণীদের শ্রেণিবদ্ধকরণের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং তাদের আচরণ, শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সঠিক উত্তর Option C।
Another Explanation (5):

প্রাণিবিজ্ঞানের জনক: অ্যারিস্টটল 🧐

অ্যারিস্টটল (খ্রিস্টপূর্ব ৩৮৪-৩২২) কেবল একজন প্রখ্যাত গ্রিক দার্শনিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রাণিবিদ্যার একজন অগ্রদূত। তাঁর কাজের গভীরতা এবং প্রাণিজগতের প্রতি বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ তাকে এই শাখার জনকের মর্যাদা দিয়েছে। 👇

অ্যারিস্টটলের অবদানসমূহ:

  • পর্যবেক্ষণ ও শ্রেণীবিন্যাস: অ্যারিস্টটল বিভিন্ন প্রাণীর স্বভাব, গঠন এবং জীবন প্রক্রিয়া গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। প্রায় ৫০০ প্রজাতির প্রাণীর বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেন। 🐟 🐦 🦁
  • বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রবর্তন: তিনি পর্যবেক্ষণ ও যুক্তির উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি পদ্ধতি তৈরি করেন, যা আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার ভিত্তি স্থাপন করে। 🧪
  • "হিস্টোরিয়া এনিমেলিয়াম" রচনা: তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ "হিস্টোরিয়া এনিমেলিয়াম"-এ প্রাণীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য লিপিবদ্ধ রয়েছে। ✍️
  • তুলনামূলক শারীরস্থান: বিভিন্ন প্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রমের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয় করেন। 🦴
  • শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার সূচনা: অ্যারিস্টটল প্রাণীদের রক্ত আছে কি নেই তার উপর ভিত্তি করে দুটি প্রধান শ্রেণীতে ভাগ করেন - যাদের রক্ত লাল এবং যাদের রক্ত লাল নয়। 🩸

অ্যারিস্টটলের শ্রেণীবিন্যাস (উদাহরণ):

বৈশিষ্ট্য রক্ত আছে (Enhaima) রক্ত নেই (Anhaima)
উদাহরণ স্তন্যপায়ী, পাখি, মাছ 🐬 🦅 কীটপতঙ্গ, মলাস্কস 🐛 🐌

অ্যারিস্টটলের কাজের তাৎপর্য:

অ্যারিস্টটলের কাজ শুধুমাত্র তার সময়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল না, বরং এটি পরবর্তীকালের বিজ্ঞানীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। তাঁর পদ্ধতি এবং পর্যবেক্ষণগুলি প্রাণিবিদ্যাকে একটি স্বতন্ত্র বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করে। 👍

পরিশেষে বলা যায়, অ্যারিস্টটল তাঁর কাজের মাধ্যমে প্রাণিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করে গেছেন, তাই তিনি যথার্থই এই শাখার জনক। 🎉

আরও জানতে: উইকিপিডিয়া দেখুন। 📚

Option A Explanation:
  • নাম: চার্লস রবার্ট ডারউইন
  • জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩
  • মৃত্যু: ১৯৪২
  • পেশা: প্রাকৃতিক বিজ্ঞানী ও জীববিজ্ঞানী
  • প্রসিদ্ধ অবদান: বিবর্তনবাদের তত্ত্ব প্রবর্তন, যা জীবের উন্নয়ন ও প্রজননের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে
  • প্রধান বই: "অ্যানিম্যাল কনসার্ভেশন" ও "দ্য অরিজিন অব স্পিসিস"
  • প্রভাব: জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটানো এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন
Option B Explanation:
  • নাম: থ্রিওফ্রাস্ট
  • প্রকাশ: 19শ শতাব্দীর প্রথমার্ধে
  • প্রখ্যাত কাজ: প্রাণিবিজ্ঞানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন
  • বিশেষত্ব: জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন দিক, বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাসে উল্লেখযোগ্য গবেষণা করেছেন
  • অর্জন: জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিয়েছেন
Option C Explanation:
  • অ্যারিস্টটল (Aristotle): প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক, যিনি জীববিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
  • তাঁর গবেষণাগুলি প্রাকৃতিক জগৎ ও জীবজন্তুর উপর ভিত্তি করে ছিল, যেখানে তিনি জীবের গঠন, কার্যপ্রণালী ও শ্রেণীবিন্যাসের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
  • অ্যারিস্টটলের তথ্য ও তত্ত্বগুলি প্রাচীন যুগে জীববিজ্ঞানের প্রথম মৌলিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
  • তাঁর কাজের মাধ্যমে জীববিজ্ঞান ও প্রোটোজুওলজির ভিত্তি স্থাপিত হয়, যদিও তিনি মোড়ক বা আধুনিক প্রোটোজুওলজির জনক হিসেবে বিবেচিত হন না।
Option D Explanation:
  • ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carl Linnaeus) একজন সুইডিশ প্রাথমিক জীববিজ্ঞানী ও প্রাকৃতিক ইতিহাসবিদ ছিলেন।
  • তিনি জীবজগতে ব্যবহৃত নামকরণ পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন, যা আজকের বৈজ্ঞানিক নামকরণ পদ্ধতির মূল।
  • তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি জীবজন্তু ও উদ্ভিদের জন্য দ্বৈত নামকরণ পদ্ধতি প্রবর্তন করেন, যা বিখ্যাত লিনিয়ান নামকরণ পদ্ধতি নামে পরিচিত।
  • এটি জীবের বৈজ্ঞানিক নামের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং প্রতিটি জীবের জন্য ইউনিক নাম নির্ধারণ করে।
  • লিনিয়াসের এই অবদান জীববিজ্ঞানে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক রচনা করে এবং বৈজ্ঞানিক naming system এর ভিত্তি স্থাপন করে।