শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস’– এখানে ‘ওর’ বলতে শেখ মুজিবুর রহমান কাকে বুঝিয়েছেন?
- 'এসব হলো পাকিস্তানের ইনটার্নাল অ্যাফেয়ার।'- কে বলেছে?
- ‘শুক্রবার স্কুল ছুটি’ । এখানে ‘শুক্রবার’-
- শেখ মুজিবুর রহমান যে জেলে ছিলেন তার ডেপুটি জেলার কে ছিলেন?
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সেদেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাজা রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান - ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা করো।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে কখন বঙ্গবন্ধুর ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতার নাম কী?
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'তে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- পঁচিশে মার্চের সেই কালরাত্রি। তীব্র একাত্তরদানবীয় হত্যা ও লুণ্ঠন অগ্নি হিংসার তাণ্ডবহানাদার হায়েনার পৈশাচিক উল্লাসসেই নগ্ন কালরাত্রে অতর্কিত বন্য হামলায়উজাড় নিঃশেষ আর দগ্ধতার ধু ধু শূন্য ভগ্নস্তূপঝরেছিল প্রাণ অগণন, সাঁদামাটি বাংলার প্রান্তরে…………….…………….…………….…………….অধিকৃত দেশ-মাটি-মানুষের মুক্তির সংগ্রামেবাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে, নাই কোনো ক্ষমা নাইযেকোনো ত্যাগের মূল্যে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা চাইমুক্তিযুদ্ধ দিয়েছে মূল্যে লাল পতাকার অগ্নি অহংকারমুক্তিযুদ্ধ চিরকালই চলমান, কোনো অন্ত বিরতিও নাই।উদ্দীপকের ঘটনা 'রেইনকোট' গল্পের সাথে কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'তবে আমার লাশ মুক্তি পেয়ে যাবে।' শেখ মুজিবুর রহমানের এমন কঠোর অবস্থানের কারণ কী?
- 'দৈনিক পাকিস্তান' পত্রিকাটি পরবর্তীকালে কী নামেপ্রকাশিত হয়?
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছুআশা করে।”— বায়ান্নর দিনগুলো'তে এই উক্তির'অনেক কিছু' হলো—
- ‘সে মরাতেও শান্তি আছে' – লেখক শেখ মুজিবুররহমান কোন মৃত্যুতে শান্তির কথা বলেছেন?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' কোন জাতীয় রচনা?
- 'বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু আশা করে।'- 'বায়ান্নর দিনগুলো রচনায় এই 'অনেক কিছু' হলো-
- আমার বিশ্ব ভ্রমণ কেবলি তোমার কাছে যাওয়াসকল নিসর্গ ছুঁয়ে তোমাকে খুঁজে পাওয়া।পৃথিবীর শেষপ্রান্তে গিয়ে দেখেছি তোমার মুখআরম্ভ বিন্দুতে দাঁড়ানো আমি সেই বিস্মিত, উজবুক।"উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' স্বদেশ চেতনার ধারক।" উক্তিটির যাথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেফতার করেন এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কী সাদৃশ্য পাওয়া যায়? যুক্তিসহ আলোচনা কর।
- 'কারাগারে রোজনামচা' বইটির রচয়িতা কে?
- ‘শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়’ - এখানে ‘গোঁফে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী বৈষম্য যখন চরম আকার ধারণ করে, দেশটির কালো মানুষগুলোর অধিকার যখন ক্ষুণ্ণ হতে থাকে শ্বেতাঙ্গদের দ্বারা, ঠিক তখনই নেলসন ম্যান্ডেলা রুখে দাঁড়ান। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের তিনি ছিলেন প্রাণপুরুষ। শাসকদের দ্বারা তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। জীবনে বেশির ভাগ সময় তাঁকে কাটাতে হয়েছে কারাগারে। কিন্তু তিনি আন্দোলন করা থেকে পিছপা হননি। সংগ্রামের মাধ্যমেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কালো মানুষের অধিকার।উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার চারিত্রিক সাদৃশ্য রয়েছে? তুলনামূলক আলোচনা করো। নিজের মতামত বিশ্লেষণ করো।