উন্নত প্রজাতির পুরুষ ও স্ত্রী জীব হতে আসা উপাদানদ্বয়ের মিলনে সৃষ্ট অপত্য জীবটির বৈশিষ্ট্য প্যারেন্টের মতো হয় । উদ্দীপকে উল্লিখিত পুরুষ জীব হতে আসা উপাদানটি হলো –
সঠিক উত্তরঃ
C.
শুক্রাণু
Another Explanation (5): উত্তরটি হলো: **"শুক্রাণু"**। নিচে এর ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো:
- **উদ্দীপকটি বোঝাচ্ছে:**
উন্নত প্রজাতির পুরুষ ও স্ত্রী জীবের উপাদানদ্বয়ের মিলনে জন্ম নেওয়া অপত্য জীবটির বৈশিষ্ট্য প্যারেন্টের মতো হয়। অর্থাৎ, এই জীবটি তার পিতামাতার বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
- **প্রজননের প্রক্রিয়ায়:**
- পুরুষ জীবের উপাদানটি হলো **"শুক্রাণু"** (sperm)।
- স্ত্রী জীবের উপাদানটি হলো **"ডিম"** (egg)।
- এই দুই উপাদানের সম্মিলনেই নতুন জীবের সৃষ্টি হয়।
- **শুক্রাণুর ভূমিকা:**
- এটি পুরুষ জীব থেকে আসে।
- শুক্রাণু ডিমের সঙ্গে মিলিত হয়ে নিষিক্তকরণ চালায়।
- এই মিলনের ফলস্বরূপ, নতুন জীবটি পিতামাতার কিছু বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, যেমন শারীরিক গঠন, জিনগত বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি।
- **সারসংক্ষেপ:**
এই জন্য, প্রশ্নে উল্লেখিত "পুরুষ জীব হতে আসা উপাদানটি" হলো **"শুক্রাণু"**। এটি পুরুষ থেকে আসে এবং নিষিক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, ফলে অপত্য জীবটির বৈশিষ্ট্য প্যারেন্টের মতো হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
Option A Explanation:
ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা
- সংজ্ঞা: ক্রোমোজোম হলো ডিএনএ (DNA) এর গুচ্ছ, যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে।
- অবস্থান: এইক্রোমোজোমগুলি জীবের কোষের নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায়।
- সংখ্যা: প্রজাতির উপর নির্ভর করে ক্রোমোজোমের সংখ্যা পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মানুষের মধ্যে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
- ভূমিকা: ক্রোমোজোম জেনেটিক বৈচিত্র্য, বৈশিষ্ট্য ও বংশগতির তথ্য বহন করে।
- প্রকার: মূলত দুই ধরণের ক্রোমোজোম আছে: স্বাভাবিক (অটোসোম) এবং লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
Option B Explanation:
- জাইগোট: জাইগোট হলো ম্যালেরিয়া পরজীবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব, যা স্পোরোজয়েটের পরবর্তীতে গঠিত হয়। এটি মূলতঃ পরজীবীর একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল রূপ, যা পরবর্তীতে অ্যানফিলিস মশকীর দেহে বৃদ্ধি পায়।
- গঠন: জাইগোট তৈরির জন্য, স্পোরোজয়েটগুলো অ্যানফিলিস মশকীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে মিলিত হয় এবং একত্রিত হয়ে এই পর্বটি গঠন করে।
- অবস্থান: এটি মশকীর অগ্ন্যাশয় বা গ্লান্ডে অবস্থান করে, যেখানে এটি পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুত হয়।
- মূল ভূমিকা: জাইগোট পরবর্তীতে বিভাজিত হয়ে ম্যালেরিয়া পরজীবীর অন্য ধাপগুলোতে রূপান্তরিত হয়, যা পরিশেষে মানবদেহে প্রবেশ করে এবং রোগের কারণ হয়।
Option C Explanation:
- শুক্রাণু: শুক্রাণু হলো পুরুষ জনিত জীবের প্রতিরক্ষামূলক জৈবকোষ।
- এটি শুক্রাণুপীড়ের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় এবং স্ত্রীজীবের ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে সন্তান উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
- শুক্রাণুর গঠন সাধারণত মাথা, দেহ ও লেজ নিয়ে গঠিত, যেখানে লেজটি শুক্রাণুকে চলাচলের জন্য সাহায্য করে।
- এটি বিভিন্ন জীবের প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে জলজ ও স্তন্যপায়ী জীবের প্রজননে।
Option D Explanation:
- স্পোর হলো এক ধরনের জীবনচক্রের অংশ, যা বিশেষ করে প্যাথোজেনিক বা পুনরুৎপাদনশীল জীবের মধ্যে দেখা যায়।
- এটি একটি ক্ষুদ্র, শক্তিপূর্ণ কোষ বা পরিপাক্য অংশ, যা পরিবেশের অস্থিতিশীলতা সহ্য করে এবং নতুন জীবের উৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- স্পোর সাধারণত একক বা একাধিক কোষের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং এটি বিকাশের মাধ্যমে নতুন জীবের রূপ নেয়।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে স্পোর দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে এবং উত্তাপে বা আর্দ্রতায় সক্রিয় হয়ে নতুন জীবের জন্ম দেয়।