কোন প্রযুক্তিতে ইনসুলিন তৈরি করা হয়?
CUUnit-ASet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিরিকম্বিনেন্ট DNA টেকনোলজির প্রয়োগ (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
ডি এন এ রিকম্বিনেন্ট
Explanation:
ডিএনএ রিকম্বিনেন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে ইনসুলিন তৈরি করা হয়।
Another Explanation (5):
ইনসুলিন উৎপাদনে ডিএনএ রিকম্বিনেন্ট প্রযুক্তি 🧬
ডিএনএ রিকম্বিনেন্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইনসুলিন তৈরি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার। এই পদ্ধতিতে, কাঙ্ক্ষিত ইনসুলিন উৎপাদনকারী জিনকে একটি ভেক্টরের (যেমন প্লাজমিড) মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বা ঈস্টের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। এরপর এই জীবগুলো ইনসুলিন তৈরি করতে শুরু করে। নিচে এই প্রযুক্তির বিভিন্ন ধাপ আলোচনা করা হলো:
ডিএনএ রিকম্বিনেন্ট প্রযুক্তির ধাপসমূহ 📝
- ইনসুলিন জিন নির্বাচন: মানুষের ইনসুলিন তৈরির জন্য দায়ী জিনটিকে শনাক্ত করা হয়। 😊
- প্লাজমিড নির্বাচন: একটি উপযুক্ত প্লাজমিড (ব্যাকটেরিয়ার বৃত্তাকার ডিএনএ) নির্বাচন করা হয়, যা ভেক্টর হিসেবে কাজ করবে। 🦠
- জিন কর্তন ও সংযোজন: রেস্ট্রিকশন এনজাইম নামক বিশেষ এনজাইম ব্যবহার করে ইনসুলিন জিন এবং প্লাজমিড উভয়কেই কাটা হয়। এরপর লাইগেজ এনজাইম দিয়ে ইনসুলিন জিনকে প্লাজমিডের সাথে জোড়া লাগানো হয়। ✂️➕🧬
- ব্যাকটেরিয়াতে রূপান্তর: রিকম্বিনেন্ট প্লাজমিডকে ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। এই প্রক্রিয়াকে ট্রান্সফরমেশন বলা হয়। ➡️ बैक्टीरिया
- ইনসুলিন উৎপাদন: রূপান্তরিত ব্যাকটেরিয়াগুলো ইনসুলিন তৈরি করতে শুরু করে। 🏭
- ইনসুলিন নিষ্কাশন ও পরিশোধন: উৎপাদিত ইনসুলিনকে ব্যাকটেরিয়া থেকে নিষ্কাশন করা হয় এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিশোধন করে ব্যবহার উপযোগী করা হয়। 🧪
এই প্রযুক্তির সুবিধা 🏆
- বৃহৎ উৎপাদন: এই পদ্ধতিতে প্রচুর পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদন করা সম্ভব। 📈
- কম খরচ: ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতির তুলনায় উৎপাদন খরচ অনেক কম। 💸
- নিরাপদ: উৎপাদিত ইনসুলিন মানবদেহের জন্য নিরাপদ। ✅
ইনসুলিন উৎপাদন প্রক্রিয়ার সংক্ষিপ্তসার ছকে 📊
| ধাপ | কার্যক্রম | ফলাফল |
|---|---|---|
| জিন নির্বাচন | ইনসুলিন উৎপাদনকারী জিন নির্বাচন | কাঙ্ক্ষিত জিন প্রাপ্তি |
| প্লাজমিড নির্বাচন | ভেক্টর হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্লাজমিড নির্বাচন | উপযুক্ত ভেক্ট??? প্রাপ্তি |
| জিন সংযোজন | প্লাজমিডের সাথে ইনসুলিন জিন সংযোজন | রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ তৈরি |
| রূপান্তর | ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রবেশ করানো | রূপান্তরিত ব্যাকটেরিয়া তৈরি |
| উৎপাদন | ব্যাকটেরিয়া কর্তৃক ইনসুলিন উৎপাদন | ইনসুলিন তৈরি |
| পরিশোধন | ইনসুলিন পরিশোধন | ব্যবহারযোগ্য ইনসুলিন |
ডিএনএ রিকম্বিনেন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে ইনসুলিন উৎপাদন ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি আশীর্বাদ। 🥰 এই প্রযুক্তি সহজলভ্য হওয়ায় বিশ্বব্যাপী ইনসুলিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে। 👍
Option A Explanation:
জিন ক্লোনিং (Gene Cloning) এর ব্যাখ্যা:
- জিন ক্লোনিং হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি নির্দিষ্ট জিনের সঠিক কপি বা ক্লোন তৈরি করা হয়।
- এটি সাধারণত ডিএনএ এর একটি ছোট অংশকে আলাদা করে সেটি বৃদ্ধি বা গবেষণার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- প্রক্রিয়ায়, প্রথমে লক্ষ্য জিনটি ডিএনএ থেকে আলাদা করা হয়।
- তারপর, এটি একটি ভেক্টরে (যেমন প্লাসমিড বা ফ্যাগমেন্ট) যুক্ত করা হয়।
- পরবর্তী ধাপে, এই ভেক্টরটি একটি জীবন্ত কোষে প্রবেশ করানো হয়, যেখানে জিনটি বৃদ্ধি পায় এবং কপি হয়।
- অবশেষে, এই ক্লোনগুলি আলাদা করে সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করা হয়।
Option B Explanation:
- ডি এন এ রিকম্বিনেন্ট (DNA Recombinant): এটি একটি জেনেটিক প্রযুক্তি যেখানে একটি নির্দিষ্ট জেন বা ডিএনএ সিকোয়েন্সকে অন্য জেনোমে বা প্লাজমিডে যুক্ত করা হয়।
- প্রক্রিয়া: এই প্রযুক্তিতে, মূল জেনটি আলাদা করে নিয়ে সেটি অন্যান্য জেনেটিক উপাদানের সাথে যুক্ত করা হয়।
- উপকারিতা: এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রোটিন বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরি করা যায়, যেমন ইনসুলিন, হরমোন, ওষুধ ইত্যাদি।
- প্রয়োগ: এই প্রযুক্তি দ্বারা ইনসুলিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ প্রস্তুত করা হয় যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জীবনদায়ী।
Option C Explanation:
- প্রক্রিয়া: টিস্যু কালচার একটি প্রক্রিয়া যেখানে জীবন্ত কোষ বা টিস্যু একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে পুষ্টিকর মাধ্যমের মাধ্যমে বৃদ্ধি ও উন্নয়ন করা হয়।
- উপাদান: এটি সাধারণত ল্যাবরেটরিতে কোষের সংরক্ষণ, গবেষণা বা উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উদ্দেশ্য: নতুন উদ্ভিদ বা প্রাণীর কোষ, টিস্যু বা অঙ্গের বিকাশ, রোগ নির্ণয়, বা ঔষধি গবেষণায় সহায়ক হয়।
- প্রকার: বিভিন্ন ধরনের টিস্যু কালচার পদ্ধতি রয়েছে, যেমন: প্লেট কালচার, সলিড মিডিয়া কালচার, বা তরল মিডিয়া কালচার।
Option D Explanation:
এক্সপ্লান্ট কালচার (Explants Culture)
- সংজ্ঞা: এক্সপ্লান্ট কালচার হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ বা জীবের টিস্যু বা অঙ্গবিশেষকে আলাদা করে সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে বৃদ্ধি বা বিকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- প্রয়োগ: এটি মূলত উদ্ভিদ প্রজনন, জেনেটিক পরিবর্তন, বা রোগমুক্তি জন্য ব্যবহৃত হয়।
- প্রক্রিয়া: এক্সপ্লান্ট বা টিস্যু সংগ্রহের পরে, সেটি উপযুক্ত মিডিয়াতে রাখা হয় যেখানে এটি বৃদ্ধি পায় এবং নতুন উদ্ভিদ বা অঙ্গের জন্ম দেয়।
- উপকারিতা: এই পদ্ধতিতে জীবের নির্দিষ্ট অংশ থেকে নতুন জীব সৃষ্টি করা সম্ভব হয় এবং এটি জৈবপ্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।