ওজন স্তর ধ্বংসের জন্য কোনটি দায়ী?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনপ্রজাতি, জীবগোষ্ঠী, জীব সম্প্রদায় (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
CFC
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ওজোন স্তর আমাদের পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। CFC (Chlorofluorocarbon) ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান কারণ। অপশন বিশ্লেষণ: A. CFC - সঠিক, এটি ক্লোরিন মুক্ত করে যা ওজোন স্তর ভেঙে ফেলে। B. NO2 - ভুল, এটি প্রধানত বায়ুদূষণের জন্য দায়ী কিন্তু ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য নয়। C. CO2 - ভুল, এটি গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য প্রধানত দায়ী। D. CH4 - ভুল, এটি গ্রিনহাউস গ্যাস তবে ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান কারণ নয়। নোট: CFC নিষিদ্ধ করায় ওজোন স্তর পুনরুদ্ধার হচ্ছে, যা আমাদের পরিবেশের জন্য ইতিবাচক দিক।
Another Explanation (5):
ওজন স্তর ধ্বংসের জন্য দায়ী পদার্থ: CFC
ওজন স্তর (Ozone Layer) পৃথিবীর পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এটি সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী (UV) রশ্মি থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে। তবে কিছু রাসায়নিক পদার্থ এই স্তরকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে, যার ফলে পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
প্রধান দায়ী পদার্থ: CFC (Chlorofluorocarbons) 🧪
চলুন দেখে নেওয়া যাক কেন CFC ওজন স্তর ধ্বংসের জন্য দায়ী:
- 🎯 প্রশ্লেষণ: CFC গুলি আকাশে উড়ে যায় এবং সূর্যের আলোর প্রভাবে ভেঙে যায়।
- 🌍 রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া: এতে ক্লোরিন অণু মুক্ত হয়, যা ওজন স্তরে উপস্থিত ওজোন (O₃) এর সাথে বিক্রিয়া করে ভেঙে দেয়।
- ☣️ প্রভাব: ওজন স্তর দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে অতিবেগুনী রশ্মির ক্ষতি বেশি হয়।
প্রভাবের তালিকা:
| প্রভাব | বর্ণনা |
|---|---|
| 🌞 অতিবেগুনী রশ্মি প্রবেশ | অতিবেগুনী রশ্মি বেশি প্রবেশ করে জীবজন্তু ও উদ্ভিদের ক্ষতি করে। |
| 🐟 জলজ জীবন | জলজ জীবের ক্ষতি বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর ওপর প্রভাব পড়ে। |
| 🌱 উদ্ভিদ | উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। |
সারসংক্ষেপ:
অতএব, ওজন স্তর ধ্বংসের জন্য মূল দায়ী পদার্থ হলো CFC (Chlorofluorocarbons) 🧴। এর প্রভাব কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন চুক্তি, যেমন মন্ড্রিয়াল প্রোটোকল গৃহীত হয়েছে।
Option A Explanation:
- CFC (Chlorofluorocarbons):
- প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত হতঃ রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, এবং স্প্রে প্রপ্সে।
- গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে শক্তিশালী শক্তি রাখে কারণ এটি দীর্ঘকাল বাতাসে স্থায়ী থাকে।
- তবে, বর্তমানের বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য এর অবদান মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে খুবই ক্ষুদ্র, সাধারণত উল্লেখ্য নয়।
- তাদের ক্ষয়কারী প্রভাব ও ওজোন স্তর ক্ষয়কারী ক্ষমতা বেশি হওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য Montreal Protocol গৃহীত হয়েছে।
Option B Explanation:
- নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড (NO2): এটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস যা জলবায়ু পরিবর্তনে অবদান রাখে।
- উৎপত্তি: মূলত যানবাহন, শিল্প, এবং জৈব জ্বালানি জ্বালানোর মাধ্যমে নিঃসরণ হয়।
- প্রভাব: এটি বাতাসে প্রবাহিত হলে উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়ে।
- বিশ্লেষণ: যদিও NO2 গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রিনহাউস গ্যাস, তবে এটি পৃথিবীর গড় গ্রিনহাউস গ্যাসের মধ্যে প্রায় 50% অবদান রাখে না।
Option C Explanation:
- অক্সিজেনের উৎস: সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন O2 এর মূল উৎস হলো পানি (H2O)।
- প্রক্রিয়া: ক্লোরোফিলের সহায়তায় সূর্যের আলো ব্যবহার করে, গাছপালা পানি ভেঙে অক্সিজেন মুক্ত করে।
- প্রক্রিয়ার ধাপ: এই প্রক্রিয়ায়, জল (H2O) থেকে অণু বিভাজন হয়, যার ফলস্বরূপ অক্সিজেন (O2) মুক্ত হয়।
- উপসংহার: তাই, সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন O2 এর মূল উৎস হলো পানি (H2O)।
Option D Explanation:
- CH4 (মিথেন): এটি একটি প্রাকৃতিক গ্যাস যা জলবায়ু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- গ্যাসের প্রভাব: মিথেন পারদর্শীভাবে গ্রীনহাউস গ্যাস হিসেবে কাজ করে, যা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।
- উৎপত্তি: এটি মূলত কৃষি, উত্পাদন, পশুপালন এবং জৈব অবক্ষয় থেকে নির্গত হয়।
- অর্থনৈতিক প্রভাব: মিথেনের উচ্চ গ্রীনহাউস গ্যাস ক্ষমতা থাকায়, এটি জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী।