গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় শেষ উৎপাদ কী?
DU.7ClgScienceজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ শারীরতত্ত্বসালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার কলাকৌশল (Topic Practice)DU.7Clg - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
পাইরুভিক এসিড
Another Explanation (5): গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় শেষ উৎপাদ কী?
গ্লাইকোলাইসিস হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিপাকীয় প্রক্রিয়া, যা সেলুলার স্তরে গ্লুকোজকে ভেঙে দিয়ে এনার্জি উৎপাদন করে। এই প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজের অর্ধেক অংশের ভাঙ্গন সম্পন্ন হলে, এটি পাইরুভিক এসিড (Pyruvic Acid) বা পাইরুভেট হিসেবে পরিণত হয়।
উপসংহার:
- **প্রক্রিয়াটির শেষ পর্যায়ে** গ্লুকোজের ভাঙ্গন সম্পন্ন হয় এবং **পাইরুভিক এসিড** উৎপাদিত হয়।
- **পাইরুভিক এসিড** হলো গ্লাইকোলাইসিসের মূল শেষ পণ্য, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন বিপাকীয় পথে প্রবেশ করে আরও এনার্জি উৎপাদনে সহায়তা করে।
সুতরাং, গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় শেষ উৎপাদ হল **পাইরুভিক এসিড**।
Option A Explanation:
- প্রবেশের প্রক্রিয়া: গ্লুকোজ সাধারণত কোষঝিল্লি দিয়ে প্রবেশ করে মূলত সক্রিয় এবং অর্ধসক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে।
- প্রধান পরিবহন পদ্ধতি: ফ্যাসিলিটেড ডিফিউজন (Facilitated Diffusion) দ্বারা গ্লুকোজ সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
- প্রয়োজনীয়তা: শরীরের শক্তির জন্য গ্লুকোজ গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তবে এটি সহজে অতিক্রম করতে পারে না কারণ এটি জলদ্রবী এবং বড় আকারের পণ্য।
- কোষঝিল্লির সীমাবদ্ধতা: কোষঝিল্লি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করে, তাই গ্লুকোজের মতো বড় বা জলদ্রবী molecules এর জন্য বিশেষ পরিবহন প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
Option B Explanation:
- প্রকার: Monosaccharide (একক শর্করা)
- সাধারণ নামে: ফ্রুকোজ বা ফ্রুক্টোজ
- গবেষণা: প্রাকৃতিক উৎসে পাওয়া যায় যেমন ফলমূল, মধু, শস্য ইত্যাদি।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: খুবই মিষ্টি স্বাদযুক্ত এবং সহজে শরীরে শোষিত হয়।
- রাসায়নিক গঠন: C₆H₁₂O₆, যা গ্লুকোজের সমান, তবে অণুর গঠন ভিন্ন।
- ব্যবহার: খাদ্য শিল্পে মিষ্টি স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, পাশাপাশি কিছু ওষুধে উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
- পাইরুভিক এসিড: এটি একটি অর্গানিক অ্যাসিড যা কৃত্রিমভাবে তৈরি হয় এবং প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন ধরণের খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্যতে উপস্থিত থাকে।
- উৎপত্তি ও গঠন: এটি একটি কার্বক্সিলিক অ্যাসিড, যার রাসায়নিক সূত্র C₃H₄O₃।
- প্রয়োগ: খাদ্য শিল্পে স্বাদ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- শারীরিক অবস্থান: এটি সাধারণত তরল অবস্থায় পাওয়া যায়।
- প্রাকৃতিক উৎস: বিশেষ করে দই, আচার, ও কিছু ফলমূলের মধ্যে পাওয়া যায়।
Option D Explanation:
- অ্যাসিটিক এসিড: এটি একটি সাধারণ জৈব অ্যাসিড যা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
- প্রাকৃতিক উৎস: ফলমূল, দই, এবং অন্যান্য খাদ্যপণ্যতে পাওয়া যায়।
- জৈব রাসায়নিক গঠন: এটি একটি কার্বক্সিলিক অ্যাসিড, যার রাসায়নিক সূত্র H₃C-COOH।
- উপকারিতা: দেহের মধ্যে শক্তি উৎপাদন, পুষ্টি শোষণ, এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ব্যবহার: খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, রাসায়নিক শিল্পে অ্যাসিড উৎপাদন, ওষুধ তৈরিতে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।