মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

রিউমেটিক ফিভার ও প্রস্রাবের থলি সংক্রান্ত প্রদাহ রোগে ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়-

A. হেক্সামিন
B. গ্লিসারিন
C. মেনথল
D. টারপিনিওল
Poster Download
BUPFSTজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানব জীবনের ধারাবাহিকতাপুরুষ প্রজননতন্ত্র (Topic Practice)BUP - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. হেক্সামিন
Explanation:

হেক্সামিন ব্যবহ্রত হয়।

Another Explanation (5): ```html

রিউমেটিক ফিভার ও প্রস্রাবের থলি সংক্রান্ত প্রদাহে হেক্সামিন: একটি বিস্তারিত আলোচনা 💊

হেক্সামিন (Hexamine), যা ইউরোট্রপিন (Urotropin) নামেও পরিচিত, একটি ঔষধ যা মূলত মূত্রনালীর সংক্রমণ (Urinary Tract Infections - UTI) এবং রিউমেটিক ফিভারের কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। নিচে এই দুটি রোগ এবং হেক্সামিনের ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

রিউমেটিক ফিভার (Rheumatic Fever) 🤒

  • রিউমেটিক ফিভার একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা সাধারণত স্ট্রেপ্টোকক্কাস (Streptococcus) নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে।
  • এই রোগটি সাধারণত ৫-১৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।
  • রিউমেটিক ফিভারের প্রধান লক্ষণগুলো হলো:
    • জ্বর 🌡️
    • গাঁটে ব্যথা 🦵
    • ত্বকে ফুসকুড়ি 🔴
    • হার্টের প্রদাহ ❤️‍🩹 (কার্ডাইটিস)
    • অস্বাভাবিক নড়াচড়া (Sydenham's chorea) 🕺💃
  • হেক্সামিনের ভূমিকা: রিউমেটিক ফিভারের চিকিৎসায় হেক্সামিন সরাসরি ব্যবহৃত না হলেও, স্ট্রেপ্টোকক্কাস সংক্রমণ প্রতিরোধে এটি সহায়ক হতে পারে। তবে, এটি প্রধান চিকিৎসা নয়।

প্রস্রাবের থলি সংক্রান্ত প্রদাহ (Cystitis) 🧻

  • সিস্টাইটিস হলো মূত্রাশয়ের প্রদাহ, যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের কারণে হয়।
  • মহিলাদের মধ্যে এই রোগটি বেশি দেখা যায়।
  • সিস্টাইটিসের প্রধান লক্ষণগুলো হলো:
    • ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ 🚽
    • প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া 🔥
    • পেটের নিচের দিকে ব্যথা 🤕
    • প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া 🩸
  • হেক্সামিনের ভূমিকা: হেক্সামিন মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI) এর চিকিৎসায় একটি কার্যকরী ঔষধ। এটি মূত্রাশয়ে ফরমালডিহাইড (Formaldehyde) নামক একটি পদার্থ নির্গত করে, যা ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে।

হেক্সামিনের কার্যকারিতা (How Hexamine Works) 🤔

হেক্সামিন শরীরে প্রবেশ করার পর কিডনির মাধ্যমে প্রস্রাবের সাথে নির্গত হয়। অ্যাসিডিক (Acidic) পরিবেশে, এটি ফরমালডিহাইডে রূপান্তরিত হয়। ফরমালডিহাইড একটি শক্তিশালী জীবাণুনাশক, যা মূত্রনালীর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।

হেক্সামিন ব্যবহারের নিয়মাবলী (Dosage and Administration) 📝

হেক্সামিন সাধারণত ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এটি গ্রহণ করা উচিত। সাধারণত:

  • প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য: ৫০০ মি.গ্রা. থেকে ১ গ্রাম দিনে ২-৪ বার।
  • শিশুদের জন্য: বয়স ও ওজন অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শে মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (Side Effects) ⚠️

হেক্সামিন ব্যবহারের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে, যেমন:

  • বমি বমি ভাব 🤮
  • পেটে ব্যথা bụng
  • ডায়রিয়া 💩
  • ত্বকে ফুসকুড়ি 🔴

সতর্কতা (Precautions) ⛔

  • কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলে হেক্সামিন ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে এটি ব্যবহার করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
  • যাদের সালফোনামাইড (Sulfonamide) জাতীয় ওষুধে অ্যালার্জি আছে, তাদের হেক্সামিন ব্যবহার করা উচিত নয়।

হেক্সামিন ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা (Pros and Cons) ⚖️

সুবিধা 👍 অসুবিধা 👎
মূত্রনালীর সংক্রমণ কমাতে কার্যকরী। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।
সহজলভ্য এবং দামেও সাশ্রয়ী। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে অ্যালার্জি হতে পারে।
ব্যাকটেরিয়ারোধী ক্ষমতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কম। রিউমেটিক ফিভারে সরাসরি কার্যকর নয়।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ (Important Advice) 📣

যেকোনো ঔষধ ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। নিজে থেকে ঔষধ সেবন করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সুস্থ থাকুন! 😊

```