ফুসফুসের প্রদাহকে কী বলা হয়?
সঠিক উত্তরঃ
D.
এমফাইসেমা
Explanation:

Another Explanation (5):
ফুসফুসের প্রদাহ: এমফাইসেমা (Emphysema) 🫁🔥
এমফাইসেমা একটি দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ (Chronic Obstructive Pulmonary Disease - COPD)। এটি ফুসফুসের বায়ুথলির (alveoli) ক্ষতি করে, যার ফলে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। প্রদাহের কারণে ফুসফুসের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে যায়।
এমফাইসেমার কারণসমূহ Causes
- ধূমপান (Smoking) 🚬: প্রধান কারণ।
- বায়ু দূষণ (Air pollution) 🏭: দূষিত বাতাস শ্বাসের সাথে গ্রহণ।
- রাসায়নিক ধোঁয়া (Chemical fumes) 🧪: কর্মক্ষেত্রে বা অন্য কোথাও রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসা।
- আলফা-১ অ্যান্টিট্রিপসিন ডেফিসিয়েন্সি (Alpha-1 antitrypsin deficiency)🧬: একটি বংশগত রোগ।
লক্ষণ Symptoms
- শ্বাসকষ্ট (Shortness of breath) 😮💨
- কাশি (Cough) 🤧
- হাঁপাতে হাঁপাতে কথা বলা (Wheezing) 🗣️
- বুকে চাপ অনুভব (Chest tightness) 😫
- ক্লান্তি (Fatigue) 😴
রোগ নির্ণয় Diagnosis
| পরীক্ষা (Test) | বিবরণ (Description) |
|---|---|
| স্পিরোমেট্রি (Spirometry) | ফুসফুসের কার্যকারিতা পরিমাপ করা হয়।💨 |
| চেস্ট এক্স-রে (Chest X-ray) | ফুসফুসের ছবি দেখা হয়। 📸 |
| সিটি স্ক্যান (CT scan) | ফুসফুসের বিস্তারিত ছবি দেখা হয়। 🖥️ |
| আর্টেরিয়াল ব্লাড গ্যাস (Arterial blood gas) | রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা মাপা হয়। 🩸 |
চিকিৎসা Treatment
- ধূমপান ত্যাগ (Quit smoking) 🚫🚬: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- ব্রঙ্কোডায়ালেটার (Bronchodilators) 💊: শ্বাসনালী প্রসারিত করে।
- কর্টিকোস্টেরয়েড (Corticosteroids) 💉: প্রদাহ কমায়।
- অক্সিজেন থেরাপি (Oxygen therapy) 🫁💨: অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায়।
- পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন (Pulmonary rehabilitation) 💪: ব্যায়াম ও শিক্ষার মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন।
- সার্জারি (Surgery) 🩻: কিছু ক্ষেত্রে ফুসফুসের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ অপসারণ করা হয়।
প্রতিরোধ Prevention
- ধূমপান পরিহার (Avoid smoking) 🚭
- দূষণ থেকে দূরে থাকা (Avoid pollution) 🚗💨
- কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা (Workplace safety) 👷: রাসায়নিকের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।
- নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Regular check-ups) 🩺
এমফাইসেমা একটি জটিল রোগ। সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে এর তীব্রতা কমানো সম্ভব। 🥰
Option A Explanation:
- ওটিটিস মিডিয়া হলো মধ্যকর্ণের সংক্রমণ বা প্রদাহ, যা সাধারণত কানের ভিতরের অংশে ঘটে।
- এটি মূলত বাচ্চাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে প্রতি বয়সের মানুষই আক্রান্ত হতে পারেন।
- প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে কান ব্যথা, শ্রবণশক্তির কমতি, এবং কখনো কখনো কানে পানি বা তরল নিঃসরণ।
- সাধারণত এই রোগটি ভাইরাস বা бакটেরিয়া সংক্রমণের কারণে হয়।
- উপশমের জন্য ওষুধ এবং প্রয়োজনে সার্জারি (যেমন টিম্পানোস্টমি) ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
- সাইনুসাইটিস হলো সাইনুস, যা মুখের হাড়ের মধ্যে ছোট ছোট খ???ঁজ বা ফাঁপা জায়গা।
- এটি সাধারণত সংক্রমণ বা অ্যালার্জির কারণে় হয়ে থাকে।
- সাইনুসাইটিসের কারণে নাক দিয়ে পানি পড়া, মুখে ব্যথা, মাথা ব্যথা, এবং নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া হতে পারে।
- এটি সাধারণত সর্দি-কাশির সাথে সম্পর্কিত হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক হতে পারে।
- চিকিৎসার জন্য ওষুধ, নাকের স্যালাইন স্প্রে, বা প্রয়োজন হলে সার্জারি করা হতে পারে।
Option C Explanation:
- অ্যালার্জি: এটি একটি প্রতিরক্ষা প্রক্রিয়া যেখানে শরীরের ইমিউন সিস্টেম অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে যায় কিছু বিশেষ উপাদানের প্রতি, যেমন ধূলা, পরাগ, প্রাণীর লোম বা কিছু খাদ্য।
- অ্যালার্জির ফলে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেমন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখে জ্বালা, খোসপাঁচড়া, চুলকানি, ও শ্বাসকষ্ট।
- এটি সাধারণত অ্যান্টিহিস্টামিন ও অন্যান্য অ্যালার্জি নিরাময়কারী ওষুধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
Option D Explanation:
- এমফাইসেমা: এটি একটি ক্রনিক শ্বাসযন্ত্রের রোগ যেখানে ফুসফুসের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি হয়।
- ফুসফুসের এয়ার সিলিন্ডার ধরনের ক্ষতি হয়, যার ফলে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়।
- প্রধান কারণগুলো হলো ধূমপান, দূষণ, এবং দীর্ঘ সময় ধরে শ্বাসজনিত সংক্রমণ।
- লক্ষণসমূহে শ্বাসকষ্ট, কাশি, এবং ধোঁয়াটে কাশি অন্তর্ভুক্ত।
- চিকিৎসা সাধারণত ধূমপান পরিহার, ওষুধ, এবং জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়।