কোনটি DNA এর মাধ্যমে প্রোটিন সংশ্লেষ করে?
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ ও এর গঠনরাইবোসোম (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
রাইবোজোম
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
ডিএনএ থেকে প্রোটিন সংশ্লেষণে রাইবোসোমের ভূমিকা 🧬
রাইবোসোম হলো কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা 🏭। এটি ডিএনএ (DNA) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রোটিন সংশ্লেষ করে। এই প্রক্রিয়াটি দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়:
১. ট্রান্সক্রিপশন (Transcription) 📝
এই ধাপে, ডিএনএ-এর একটি অংশ (জিন) থেকে মেসেঞ্জার আরএনএ (mRNA) তৈরি হয়। এটি নিউক্লিয়াসের ভিতরে ঘটে।
২. ট্রান্সলেশন (Translation) 👨🍳
এই ধাপে, mRNA নিউক্লিয়াস থেকে সাইটোপ্লাজমে আসে এবং রাইবোসোমের সাথে যুক্ত হয়। এরপর রাইবোসোম mRNA-এর কোড অনুযায়ী অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত করে পলিপেপটাইড চেইন তৈরি করে, যা পরবর্তীতে প্রোটিনে পরিণত হয়।
রাইবোসোমের গঠন 🧱
- রাইবোসোম দুটি সাবইউনিট দিয়ে গঠিত: বৃহত্তর (large) এবং ক্ষুদ্রতর (small) সাবইউনিট।
- এগুলো রাইবোসোমাল আরএনএ (rRNA) এবং প্রোটিন দিয়ে তৈরি।
- বৃহত্তর সাবইউনিটে তিনটি স্থান (site) থাকে: A (aminoacyl), P (peptidyl), এবং E (exit)।
রাইবোসোম কিভাবে কাজ করে? 🤔
- ক্ষুদ্রতর সাবইউনিট mRNA-এর সাথে যুক্ত হয়।
- ট্রান্সফার আরএনএ (tRNA) নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড নিয়ে রাইবোসোমের A সাইটে প্রবেশ করে।
- যদি tRNA-এর অ্যান্টিকোডন mRNA-এর কোডনের সাথে মিলে যায়, তবে অ্যামিনো অ্যাসিডটি পলিপেপটাইড চেইনে যুক্ত হয়।
- রাইবোসোম mRNA-এর দিকে এক কোডন সরে যায় (translocation)।
- ব্যবহৃত tRNA E সাইট দিয়ে বেরিয়ে যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি চলতে থাকে যতক্ষণ না স্টপ কোডন আসে।
- স্টপ কোডন আসার পর পলিপেপটাইড চেইনটি রাইবোসোম থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং প্রোটিন ভাঁজ হয়ে তার কার্যকারিতা লাভ করে।
বিভিন্ন প্রকার রাইবোসোম 🤖
| রাইবোসোমের প্রকার | অবস্থান | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| 70S রাইবোসোম | ব্যাকটেরিয়া, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট | ছোট এবং সরল গঠন 🦠 |
| 80S রাইবোসোম | ইউক্যারিওটিক কোষের সাইটোপ্লাজম | বৃহৎ এবং জটিল গঠন 🧬 |
রাইবোসোমের গুরুত্ব 🌟
- প্রোটিন সংশ্লেষণ জীবনের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
- রাইবোসোম ছাড়া কোষ বাঁচতে পারে না।
- বিভিন্ন রোগ যেমন ক্যান্সার এবং জেনেটিক ডিসঅর্ডার নিরাময়ে রাইবোসোম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আরও জানতে বিভিন্ন বায়োলজি বিষয়ক ওয়েবসাইট ও বই দেখতে পারো! Happy learning! 📚
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি তোমাদের কাজে লাগবে! 👍
```Option A Explanation:
ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা
- সংজ্ঞা: ক্রোমোজোম হলো ডিএনএ (DNA) এর গুচ্ছ, যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে।
- অবস্থান: এইক্রোমোজোমগুলি জীবের কোষের নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায়।
- সংখ্যা: প্রজাতির উপর নির্ভর করে ক্রোমোজোমের সংখ্যা পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মানুষের মধ্যে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
- ভূমিকা: ক্রোমোজোম জেনেটিক বৈচিত্র্য, বৈশিষ্ট্য ও বংশগতির তথ্য বহন করে।
- প্রকার: মূলত দুই ধরণের ক্রোমোজোম আছে: স্বাভাবিক (অটোসোম) এবং লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
Option B Explanation:
- রাইবোজোম: রাইবোজোম হল কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী অঙ্গানু। এটি সাধারণত কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এবং দুটি ধরণের হতে পারে: ফ্রি রাইবোজোম এবং রিটিকুলার এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER)-এর সাথে যুক্ত রাইবোজোম।
- অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: রাইবোজোমের মধ্যে রাইবোজোমের উপাদানগুলি প্রধানত RNA এবং প্রোটিন। এগুলি ছোট, গোলাকার গঠন, যা প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
- অঙ্গানুর গঠন: রাইবোজোম সাধারণত দুটি উপাদানে গঠিত: ছোট এবং বড় উপাদান। এগুলি একসাথে জোড়া হয়ে কাজ করে, এবং এর মধ্যে RNA এর উপস্থিতি প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক।
- অঙ্গানুর কার্যকারিতা: রাইবোজোমের মূল কাজ হল অ্যামিনো অ্যাসিডের যোগান দিয়ে প্রোটিন তৈরি করা, যা কোষের বিভিন্ন কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
- সেন্ট্রোজোম: এটি একটি প্রোটিনের কাঠামো যা কোষ বিভাজনের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সেন্ট্রোজোম মূলত দুইটি ক্রমবর্ধমান সেন্ট্রিওল থেকে গঠিত, যা একে একে কোষের কেন্দ্রীয় অংশে থাকে।
- এটি মাইক্রোটিউবুলের ফর্মেশন এবং সেগুলির সংগঠনের জন্য দায়ী, যা অঙ্কুরে বিভাজন প্রক্রিয়ায় সহায়ক।
- সেন্ট্রোজোমের মাধ্যমে কক্ষের মধ্যে কণা বা অঙ্গপ্রতিগুলি সঠিকভাবে বিতরণ হয়, যা কোষের সুস্থ বৃদ্ধি এবং বিভাজনে সাহায্য করে।
Option D Explanation:
- লাইসোজোম: লাইসোজোম হল একটি অণুকোষী বা ইউক্যারিওটিক কোষে থাকা এক ধরনের অঙ্গাণু যা জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ও কণিকাগুলি ভেঙে ফেলার জন্য কাজ করে।
- ভিত্তি: লাইসোজোমের মধ্যে বিভিন্ন এঞ্জাইম থাকে, যেমন হাইড্রোলাইসিস এঞ্জাইম, যা পচনপ্রক্রিয়া চালায়।
- গঠন: এটি সাধারণত গ্লাইকলিপিড দিয়ে আবৃত, যার ভিতরে এঞ্জাইম ও বিভিন্ন প্রকারের প্রোটিন থাকে।
- কাজ: এটি জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ভেঙে নতুন উপাদানে রূপান্তর করে, যা কোষের স্বাভাবিক কার্যকলাপে সহায়তা করে।
- উপকারিতা: কোষের পরিপক্বতা ও পুনঃপ্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।