প্রস্বেদনের সময় পানির সঙ্গে কোন পদার্থটি নির্গত হয়ে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে?
JUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ শারীরতত্ত্বপ্রস্বেদন ও প্রস্বেদনের প্রভাবক সমূহ (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
লবণ
Explanation: প্রস্বেদনের সময় পানির সঙ্গে লবণ নির্গত হয়, যা দেহের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রেখে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
Another Explanation (5):
প্রশ্নের উত্তর: প্রস্বেদনের সময় পানির সঙ্গে কোন পদার্থটি নির্গত হয়ে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে?
প্রশ্নের উত্তর হলো: লবণ। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা প্রস্বেদনের সময় শরীর থেকে নির্গত হয় এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নিচে এর ব্যাখ্যা ও বিস্তারিত আলোচনা দেওয়া হলো।
লবণের গুরুত্ব ও কার্যকারিতা
- প্রধান উপাদান: সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)।
- শরীরের পানির সহিত লবণের সমন্বয় শরীরের জলস্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে।
- প্রস্বেদনের সময় লবণ বের হয়ে যায়, যা শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স রক্ষা করে।
- এটি শরীরের অ্যান্টিবডি ও রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে।
প্রস্বেদনের সময় লবণের ভূমিকা
প্রস্বেদনের সময় শরীরের জল ও লবণ নির্গত হয়। এই লবণ শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
তালিকা: প্রস্বেদনের মাধ্যমে নির্গত পদার্থসমূহ
| পদার্থ | অর্থ | রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা |
|---|---|---|
| পানি | শরীরের জলস্তর বজায় রাখে | অঙ্গপ্রতঙ্গের কার্যক্ষমতা উন্নত করে |
| লবণ | ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স রক্ষা করে | রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে |
| অম্ল ও ক্ষারজাত উপাদান | দেহের রসায়নিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে | শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখে |
উপসংহার
অতএব, প্রস্বেদনের সময় পানির সঙ্গে নির্গত লবণ শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
Option A Explanation:
জৈব এসিডের ব্যাখ্যা
- জৈব এসিড হলো প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়া রাসায়নিক যৌগ, যা সাধারণত জীববৈচিত্র্য ও উদ্ভিদজাত উপাদানে পাওয়া যায়।
- এগুলো সাধারণত পানিতে দ্রবণীয় হয় এবং পানির সাথে মিশে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয়।
- জৈব এসিডের মধ্যে ল্যাকটিক অ্যাসিড, অ্যাসিটিক অ্যাসিড, সাইট্রিক অ্যাসিড ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- প্রস্রাবের সময় জৈব এসিডের উপস্থিতি শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য জীবাণু প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে, কারণ এগুলো পরিবেশকে অপ্রিয় করে তোলে এবং রোগের জীবাণুর বৃদ্ধি কমায়।
- এছাড়া, জৈব এসিডের প্রভাব পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের উপরেও সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
Option B Explanation:
- প্রকার: লবণ হলো একটি ক্ষারজ সামগ্রী, যা সাধারণত সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) হিসেবে পরিচিত।
- প্রাকৃতিক উৎস: এটি মূলত সমুদ্রের জল, খনিজ খনির থেকে সংগ্রহ করা হয়।
- প্রয়োগ: খাদ্যগ্রহণে স্বাদ বাড়ানোর জন্য, সংরক্ষণে, এবং শিল্পে বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়।
- অণু গঠন: এটি একটি আঠারো অণুর যৌগ, যার মধ্যে সোডিয়াম (Na) এবং ক্লোরিন (Cl) আয়ন থাকে।
- শারীরিক বৈশিষ্ট্য: লবণ সাধারণত সাদা এবং খারাপ স্বাদের হয়। এটি কঠিন কঠিন পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
- হরমোন: এটি রক্তের মাধ্যমে পরিবহন হয় এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও টিস্যুকে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করতে সাহায্য করে।
- শরীরের বিভিন্ন কার্যকলাপ যেমন বৃদ্ধি, বিপাক, প্রজনন, এবং মেজাজ নিয়ন্ত্রণে হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এটি সাধারণত গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ হয়, যেমন থাইরয়েড গ্রন্থি, অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি, পিটিউটারি গ্রন্থি ইত্যাদি।
- হরমোনের কার্যকলাপ ধীরগতি সম্পন্ন হলেও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
- উদাহরণস্বরূপ: ইনসুলিন, অ্যাড্রেনালিন, এস্ট্রোজেন, টেষ্টোস্টেরোন ইত্যাদি।
Option D Explanation:
- এনজাইম: এনজাইম হলো প্রাকৃতিক বা জীবন্ত কোষ দ্বারা উৎপাদিত প্রোটিন ধরনের জৈব রাসায়নিক উপাদান, যা রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া দ্রুততর করে।
- এরা জীববৈচিত্র্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যেমন পুষ্টি প্রক্রিয়া, ডিহাইড্রেশন, ক্ষয়প্রাপ্তির প্রতিরোধ ইত্যাদি।
- উদাহরণস্বরূপ, অ্যামাইলেস, লিপেজ, ট্রান্সফারেজ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের এনজাইম পাওয়া যায়।
- এনজাইম সাধারণত কোষের ভিতরে বা বাইরে কাজ করে এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পাদনে সহায়তা করে।