মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মানুষের শরীরে ভাইরাস সংক্রমণ ও ক্যান্সার প??রতিরোধে ব্যাবহৃত হয় কোনটি?

A. ইন্টারফেরন
B. ইনসুলিন
C. সোমাটোস্ট্যাটিন
D. গ্লোবিউলিন
Poster Download
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানবদেহের প্রতিরক্ষাদ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. ইন্টারফেরন
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ভাইরাস সংক্রমণ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে ইন্টারফেরন 🧬

ইন্টারফেরন হলো প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি ভাইরাস সংক্রমণ এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ইন্টারফেরনের প্রকারভেদ 📑

ইন্টারফেরন মূলত তিন প্রকার:

  • আলফা ইন্টারফেরন (α-IFN): এটি শ্বেত রক্ত কণিকা থেকে উৎপন্ন হয় এবং ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক।
  • বিটা ইন্টারফেরন (β-IFN): এটি ফাইব্রোব্লাস্ট নামক কোষ থেকে উৎপন্ন হয় এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
  • গামা ইন্টারফেরন (γ-IFN): এটি টি-সেল নামক রোগ প্রতিরোধকারী কোষ থেকে উৎপন্ন হয় এবং ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে সহায়ক।

ভাইরাস সংক্রমণে ইন্টারফেরনের ভূমিকা 🦠🛡️

ভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে ইন্টারফেরন উৎপাদিত হয়। এটি ভাইরাসের বিস্তার রোধ করে এবং অন্যান্য রোগ প্রতিরোধক কোষকে সক্রিয় করে তোলে। ইন্টারফেরনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ:

  1. ভাইরাসের প্রতিলিপি তৈরি বন্ধ করে। 🚫
  2. আক্রান্ত কোষকে চিহ্নিত করে ধ্বংস করে। 🎯
  3. পাশের সুস্থ কোষগুলোকে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। 🚧

ক্যান্সার প্রতিরোধে ইন্টারফেরনের ভূমিকা 🎗️

ইন্টারফেরন ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি এবং বিস্তার রোধ করতে পারে। এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় কিভাবে কাজ করে:

কার্যকারিতা বর্ণনা
কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ 🛑 ইন্টারফেরন ক্যান্সার কোষের দ্রুত বৃদ্ধিকে ধীর করে দেয়।
টিউমার সৃষ্টিকারী রক্তনালী বন্ধ 🩸🚫 এটি টিউমারের আশেপাশে নতুন রক্তনালী তৈরি হতে বাধা দেয়, ফলে টিউমার দুর্বল হয়ে যায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি 💪 ইন্টারফেরন রোগ প্রতিরোধক কোষগুলোকে (যেমন: NK cell) ক্যান্সার কোষকে আক্রমণ করতে উৎসাহিত করে।

ইন্টারফেরনের ব্যবহার ক্ষেত্র 🏥

ইন্টারফেরন বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য রোগ হলো:

  • হেপাটাইটিস বি এবং সি (Hepatitis B & C) 🤕
  • মেলানোমা (Melanoma) ☀️
  • লিউকেমিয়া (Leukemia) 🩸
  • মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস (Multiple Sclerosis) 🧠

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ⚠️

ইন্টারফেরনের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে, যেমন:

  • জ্বর 🤒
  • ক্লান্তি 😴
  • মাথাব্যথা 🤕
  • পেশী ব্যথা 💪

উপসংহার: ইন্টারফেরন ভাইরাস সংক্রমণ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এটি শরীরের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে রোগমুক্ত জীবন ধারণে সহায়ক। 👍

```
Option A Explanation:

ইন্টারফেরন (Interferon)

  • ইন্টারফেরন হলো এক ধরণের প্রাকৃতিক প্রোটিন যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্বারা উৎপন্ন হয়।
  • এটি মূলত ভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়ক।
  • ইন্টারফেরন শরীরের কোষগুলোকে ভাইরাসের আক্রমণে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • এটি ভাইরাসের বৃদ্ধি ও বিস্তারকে বাধা দেয়, ফলে ভাইরাসজনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়।
  • ইন্টারফেরন বিভিন্ন ধরণের থাকতে পারে, যেমন ইন্টারফেরন অ্যালফা, বিটা, গামা ইত্যাদি।
Option B Explanation:
  • ইনসুলিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়। এর কাজ হলো রক্তে শর্করা (গ্লুকোজ) এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
  • প্রধানতঃ এটি শরীরের গ্লুকোজ ব্যবহার বা সংরক্ষণে সহায়ক, রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
  • ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দিতে পারে, তবে এটি রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজন হয় না।
Option C Explanation:
  • সোমাটোস্ট্যাটিন হল একটি হরমোন যা বিভিন্ন শারীরিক প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।
  • এটি মূলত প্যানক্রিয়াস, হিপোথ্যালামাস এবং অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে সঞ্চালিত হয়।
  • সোমাটোস্ট্যাটিন প্রধানত ইনসুলিন, গ্লুকাগন, গ্লুকোজ এবং অন্যান্য হরমোনের মুক্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
  • এটি ইনসুলিনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়, যা কিটোন বডি উৎপাদন রোধে সহায়ক।
  • সোমাটোস্ট্যাটিন শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option D Explanation:
  • গ্লোবিউলিন: গ্লোবিউলিন হলো একটি প্রোটিনের শ্রেণী যা রক্তে পাওয়া যায়। এটি প্রধানত ইমিউন সিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • ইমিউন সিস্টেমে ভূমিকা: গ্লোবিউলিন বিশেষ করে অ্যান্টিবডি বা এন্টিবডির একটি বৃহৎ অংশ, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধে কাজ করে। এটি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য অজানা উপাদানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • প্রকারভেদ: গ্লোবিউলিন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে, যেমন অ্যালফা, বিটা, এবং গ্যামা গ্লোবিউলিন। গ্যামা গ্লোবিউলিনই মূলত ইমিউন সিস্টেমের প্রধান অংশ।
  • গ্লোবিউলিনের উপকারিতা: এটি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, অ্যান্টিজেনের সাথে লড়াই করে, এবং শরীরের সুস্থ্যতা রক্ষা করে।