কোনটি ডিপ্লয়েড রেণু?
RUUnit-FSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রশৈবাল ও ছত্রাকশৈবাল (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
জাইগোস্পোর
Explanation:

Another Explanation (5):
ডিপ্লয়েড রেণু: জাইগোস্পোর 🧬
ডিপ্লয়েড রেণু বলতে বোঝায় সেই স্পোর বা রেণুকে যার মধ্যে ক্রোমোজোম সংখ্যা ডিপ্লয়েড (২n) অবস্থায় থাকে। অর্থাৎ, এটি দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষের মিলন বা নিষেক (fertilization) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। ডিপ্লয়েড রেণু সরাসরি মায়োসিস (meiosis) প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ না করে নতুন ডিপ্লয়েড জীব তৈরি করতে সক্ষম। জাইগোস্পোর হলো ডিপ্লয়েড রেণুর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
জাইগোস্পোর 🍄
জাইগোস্পোর হলো কিছু ছত্রাকের (যেমন: Rhizopus) যৌন প্রজননের (sexual reproduction) ফলে সৃষ্ট পুরু প্রাচীরযুক্ত (thick-walled) একটি বিশ্রামরত স্পোর। এটি প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে এবং পরবর্তীতে অঙ্কুরিত হয়ে নতুন ছত্রাক উৎপাদনে সাহায্য করে।
জাইগোস্পোর কিভাবে গঠিত হয়? 🤔
- দুটি হ্যাপ্লয়েড হাইফার মিলন: দুটি ভিন্ন স্ট্রেইনের (strain) হ্যাপ্লয়েড হাইফা (hyphae) কাছাকাছি আসে।
- প্রোগামেটানজিয়া গঠন: এদের মধ্যে প্রোগামেটানজিয়া (progametangia) নামক গঠন তৈরি হয়।
- গামেটানজিয়া গঠন ও মিলন: প্রোগামেটানজিয়া পরবর্তীতে গামেটানজিয়া (gametangia)-তে পরিণত হয় এবং এদের সাইটোপ্লাজম মিলিত হয়।
- জাইগোট গঠন: গামেটানজিয়ার মিলনের ফলে জাইগোট (zygote) গঠিত হয়।
- জাইগোস্পোর গঠন: জাইগোট একটি পুরু প্রাচীর দ্বারা আবৃত হয়ে জাইগোস্পোরে পরিণত হয়।
জাইগোস্পোরের বৈশিষ্ট্য 🌟
- ডিপ্লয়েড (২n) ক্রোমোজোম সংখ্যাযুক্ত।
- পুরু প্রাচীরযুক্ত, যা প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
- যৌন প্রজননের মাধ্যমে গঠিত।
- রাইজোপাস (Rhizopus) নামক ছত্রাকে দেখা যায়।
- কালো বা গাঢ় রঙের হয়ে থাকে।
জাইগোস্পোরের গুরুত্ব 🔑
- ছত্রাকের বংশবিস্তারে সাহায্য করে।
- প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
- генетическое разнообразие (genetic diversity) বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
জাইগোস্পোর গঠন প্রক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত চিত্র 🖼️
| ধাপ | বর্ণনা | ছবি/ইমোজি |
|---|---|---|
| ১ | দুটি হ্যাপ্লয়েড হাইফার মিলন | 🌱+🌱 |
| ২ | গামেটানজিয়া গঠন | 🍄 |
| ৩ | জাইগোট গঠন (নিষেক) | 💑 |
| ৪ | জাইগোস্পোর গঠন (পুরু প্রাচীর) | 🛡️ |
| ৫ | অঙ্কুরোদগম (Germination) | 🌱 |
আশা করি, জাইগোস্পোর সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 👍
Option A Explanation:
- এপ্লানোস্পোর: এটি এক ধরনের স্পোর যা সমতল বা সমতলাকার আকার ধারণ করে।
- এপ্লানোস্পোর সাধারণত অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে উৎপন্ন হয় এবং গাঢ় বা পাতলা স্তরযুক্ত হতে পারে।
- এপ্???ানোস্পোরের বৈশিষ্ট্য হলো এর আকার ও গঠন নির্দিষ্ট, যা অন্য স্পোরের তুলনায় আলাদা।
- এপ্লানোস্পোরের উপস্থিতি বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শৈবালসমূহের মধ্যে দেখা যায়, বিশেষ করে কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- জুস্পোর (Zygospore):
- এটি এক ধরনের স্পোর, যা বেশিরভাগ কালো বা গাঢ় রঙের হয়।
- প্রধানত কিছু অণুজীবী শৈবাল ও ছত্রাকের মধ্যে দেখা যায়।
- জুস্পোর সাধারণত অর্ধ-সপ্তাহের জন্য স্থিতিস্থাপক অবস্থায় থাকে এবং পরবর্তীতে গর্ভধারণ করে নতুন জীবনধারা শুরু করে।
Option C Explanation:
হিপ্লোস্পোর সম্পর্কে ব্যাখ্যা
- অর্থ: হিপ্লোস্পোর হলো এক ধরনের স্পোর যা হিপ্লোস্পোরিয়াম নামে পরিচিত অঙ্গ থেকে উৎপন্ন হয়।
- অবস্থান: এটি সাধারণত ফুসফুসের বা অন্যান্য সংক্রমণজনিত অঞ্চলের সংক্রমণে পাওয়া যায়।
- উৎপত্তি: হিপ্লোস্পোর মূলত হাইফা বা শাখার মধ্যে উৎপন্ন হয়।
- চিহ্ন: এটি মূলত অণুজীবের জীবনচক্রের একটি অংশ, বিশেষ করে প্রোক্যারিয়োটিক জীবের মধ্যে।
- প্রয়োগ: এটি বিভিন্ন ধরনের স্পোরের মধ্যে একটি, যা জীববৈচিত্র্য ও সংক্রমণ পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
- জাইগোস্পোর হলো একটি বিশেষ ধরণের স্পোর যা জাইগোটি গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত অ্যানিমালিক ওয়্যার্টেব্রেটসের মধ্যে পাওয়া যায়, যেমন প্রাণীদের মধ্যে কিছু পরজীবী কৃমি ও অণুজীব।
- জাইগোস্পোরের মাধ্যমে পরজীবী বা অণুজীবের প্রজনন ও বিস্তার ঘটে।
- এটি সাধারণত অঙ্গীকার বা জাইগোট গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে দুটি স্পোর একত্রিত হয় এবং পরবর্তীতে নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়।