আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার দাপ্তরিক নাম কী ছিল?
DUUnit-Dসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশপাকিস্তান আমলপাকিস্তান আমল (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
Explanation:

Another Explanation (5):
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 📜
দাপ্তরিক নাম ও পরিচিতি
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার দাপ্তরিক নাম ছিল "রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য"। এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ১৯৬৮ সালে দায়ের করা একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা। এই মামলাটি বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।মামলার প্রেক্ষাপট 🌍
- রাজনৈতিক অস্থিরতা 😟
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্য 😠
- বাঙালির স্বাধিকারের দাবি ✊
- শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা আন্দোলন 🔥
অভিযোগসমূহ 🤔
এই মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিম্নলিখিত অভিযোগগুলো আনা হয়:- পাকিস্তানের অখণ্ডতা বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্র
- বৈদেশিক শক্তির (ভারত) সাথে আঁতাত 🤝
- সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের পরিকল্পনা 💣
প্রধান অভিযুক্ত 👨⚖️
এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তাকে ১ নম্বর আসামী করা হয়। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন:| ক্রমিক | নাম | পদবি |
|---|---|---|
| ১ | শেখ মুজিবুর রহমান | আওয়ামী লীগ নেতা |
| ২ | কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন | নৌ-বাহিনী |
| ৩ | স্টুয়ার্ড মুজিবুর রহমান | -- |
| ... | ... | ... |
মামলার কার্যক্রম ⚖️
মামলার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন। ঢাকা সেনানিবাসে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে মামলার বিচারকার্য পরিচালিত হয়।জনগণের প্রতিক্রিয়া 📢
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ তীব্র প্রতিবাদ জানায়। এটি স্বাধিকার আন্দোলনকে আরও বেগবান করে তোলে। ছাত্র-শিক্ষক, শ্রমিক-কৃষকসহ সর্বস্তরের মানুষ এই মামলার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়।মামলার ফলাফল 💥
গণঅভ্যুত্থানের মুখে সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এই মামলাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।গুরুত্বপূর্ণ তারিখ 📅
- ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি: মামলা দায়ের
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন: বিচার শুরু
- ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি: অভিযুক্তদের মুক্তি