কোন স্থানকে ২০১৬-১৭ সালের জন্য সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী ঘোষণা করা হয়েছে?
DUUnit-Dসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশবাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিবাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
মহাস্থানগড়
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
২০১৬-১৭ সালের সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী: মহাস্থানগড়
২০১৬-১৭ সালের জন্য মহাস্থানগড়কে সার্ক (SAARC) সাংস্কৃতিক রাজধানী ঘোষণা করা হয়েছিল। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম।
মহাস্থানগড়: সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
- অবস্থান: বগুড়া জেলা, বাংলাদেশ 🇧🇩
- প্রাচীন নাম: পুণ্ড্রনগর 🏛️
- সময়কাল: খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতক ⏳ থেকে ১৫শ শতক 📅
- গুরুত্ব: প্রাচীন বাংলার রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র
- ঐতিহ্য: বিভিন্ন সময়ে মৌর্য, গুপ্ত, পাল সহ বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠীর অধীনে ছিল 👑
সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী ঘোষণার প্রেক্ষাপট
সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোর পরিচিতি এবং সংরক্ষণকে উৎসাহিত করার জন্য সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে:
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটন আকর্ষণ বৃদ্ধি পায় 📈
- সার্ক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার হয়🤝
- স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে 💰
ঐতিহাসিক তাৎপর্য
| ঐতিহাসিক নিদর্শন 🗿 | বৈশিষ্ট্য ℹ️ |
|---|---|
| প্রাচীরবেষ্টিত নগর 🧱 | প্রাচীন দুর্গনগরীর ধ্বংসাবশেষ, যা শহরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরিচায়ক। |
| গোবিন্দ ভিটা 🕉️ | মন্দির ও স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ, যা প্রাচীন ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে। |
| লক্ষ্মিন্দরের মেধ 🐍 | বেহুলা-লক্ষ্মিন্দরের কিংবদন্তীর সাথে জড়িত ঢিবি, যা লোককথার অংশ। |
| ভাসু বিহার ☸️ | বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ, যা বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার ও প্রভাবের প্রমাণ। |
পর্যটন ✈️
মহাস্থানগড় শুধু ঐতিহাসিক স্থান নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। এখানে আসা পর্যটকদের জন্য রয়েছে:
- ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন 🚶
- ঐতিহ্যবাহী খাবার উপভোগ 🍜
- স্থানীয় সংস্কৃতি ও জীবনধারা দেখার সুযোগ 👀
২০১৬-১৭ সালে সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী হওয়ায় মহাস্থানগড়ের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি লাভ করে। ✨
```