কবি আলওল কোন যুগের কবি?
A. প্রাচীন যুগ
B. আদি-মধ্যযুগ
C. অন্ত-মধ্যযুগ
D. আধুনিক যুগ
সঠিক উত্তরঃ
C.
অন্ত-মধ্যযুগ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কোন কাব্যের মূল সুর প্রকৃতি ও নারীপ্রেম?
- জলের দেবী কে?
- কোনটি সেলিম আল দীনের নাটক নয়?
- 'অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয়'- বুঝিয়ে দাও।
- ‘তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্যজাতির রোগ-দরিদ্রের ক্ষুধা কেহ বুঝে না’-কোন রচনা থেকে নেওয়া?
- "বাংলাদেশ-ধ্বংস-কাব্যে জানে না পৌঁছল জাহান্নামে এ জন্মেইবাংলাদেশ অনন্ত অক্ষত মূর্তি জাগে৷” উদ্দীপক ও 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতার মর্মবাণী—
- ‘ঐকতান’ কবিতার কবি কী কুড়িয়ে আনেন?
- বিড়াল প্রবন্ধের রচয়িতা কে?
- 'জেন্দা' একটি-
- পদ্মা নদীর মাঝি কে?
- "যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম ক্রিশ্চান"- বাক্যটির তাৎপর্য বর্ণনা করো।
- সুজনের ছোটো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার চুরিকরতে গিয়ে এক ভিক্ষুক মার খায়। পেটের দায়েই চুরিকরেছে এ কথা বুঝতে পেরে আর চুরি না করার শর্তেসুজন তাকে ছেড়ে দেয় ।উদ্দীপকের সুজনের সঙ্গে 'বিড়াল' রচনার কোনচরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- চিরকাল গলার স্বর আমার কাছে বড়ো সত্য। রূপ জিনিসটি বড়ো কম নয়, কিন্তু মানুষের মধ্যে যাহা অন্তরতম এবং অনির্বচনীয়, আমার মনে হয় কণ্ঠস্বর যেন তারই চেহারা। আমি তাড়াতাড়ি গাড়িতে জানালা খুলিয়া বাহিরে মুখ বাড়াইয়া দিলাম, কিছুই দেখিলাম না। প্লাটফর্মের অন্ধকারে দাঁড়াইয়া গার্ড তাহার একচক্ষু লণ্ঠন নাড়িয়া দিল, গাড়ি চলিল: আমি জানালার কাছে বসিয়া রহিলাম। আমার চোখের সামনে কোন মূর্তি ছিল না, কিন্তু হৃদয়ের মধ্যে আমি একটি হৃদয়ের রূপ দেখিতে লাগিলাম। সে যেন এই তারাময়ী রাত্রির মতো, আবৃত করিয়া ধরে কিন্তু তাহাকে ধরিতে পারা যায় না। গুগো সুর, অচেনা কন্ঠের সুর, এক নিমেষে তুমি যে আমার চিরপরিচয়ের আসনটির উপরে আসিয়া বসিয়াছ। কী আশ্চর্য পরিপূর্ণ তুমি- চঞ্চল কালোর ক্ষুদ্র হৃদয়ের উপরে ফুলটির মতো ফুটিয়াছ, অথচ তার ঢেউ লাগিয়া একটি পাপড়িও টলে নাই, অপরিমেয় কোমলতায় এতটুকু দাগ পড়ে নাই ।খ) 'একচক্ষু নন্ঠন' বলতে কী বোখানো হয়েছে? ঘ) কখন কাকে 'তুমি' সম্বোধন করেছে?
- ‘গঙ্গাঋদ্ধি থেকে বাংলাদেশ’ গ্রন্থের লেখক কে?
- ব্রিটিশ শাসনামলে নীলকর সাহেবরা কৃষকদের অগ্রিম টাকা (দাদন) প্রদান করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত। নগদ টাকা পেয়ে কৃষকরা কিছুদিন আরাম আয়েশে কাটাত। উৎপাদিত নীল যখন ইংরেজরা অতি স্বল্প মূল্যে নিয়ে যেতো তখন খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে উঠত। ক্ষুধায় কাতর মানুষগুলো আর দাদন নেবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলেও নগদ টাকার লোভ সামলাতে পারত না। বাধ্য হয়ে তারা অল্প অল্প জমি বিক্রি করত। ক্রমশ জমি কমতে থাকায় অভাব আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠত। এভাবেই তারা অভাব-চক্রের মাঝে আবর্তিত হত।উদ্দীপকের কৃষকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের চাষার যাপিত-জীবনের কতটুকু মিল রয়েছে- আলোচনা কর।
- "তবে বস্ত্ত যে কি , তার জ্ঞান অনুভূতিসাপেক্ষ, তর্কসাপেক্ষ নয়।" -- বাক্যটির রচয়িতা
- 'আমাদের জীবনটা ছিল যান্ত্রিক' কোন গল্প থেকে নেওয়া?
- ‘আমীর হামজা’ কাব্য রচনা করেন কে?
- 'শিরে দিয়ে বাঁকা তাজঢেকে রাখে টাক- ব্যাখ্যা করো।
- টেকো শব্দের অর্থ কী?
- 'জীবন -বন্দনা ' কবিতায় কবি প্রথমে কার বন্দনা করেছেন?
- বাজারে ভালো দাম না পাওয়ায় রহিম আর তাঁত বোনে না।তার মেধাবী ছেলেটি লেখাপড়ার ফাঁকে ফ???ঁকে পত্রিকা বিক্রিকরে আর রাতে খেটে খাওয়া দারিদ্র্যের ইতিবৃত্ত রচনা করে । উদ্দীপকের রহিম তাঁতির ছেলের সঙ্গে 'ঐকতান'কবিতার কার সাদৃশ্য বিরাজমান?
- ‘বিড়াল' রচনায় ওয়েলিংটন কে?
- ”তুলসী পাতার রসের প্রয়োজন হয় নাই তার।” -কার প্রয়োজন হয় নি?
- কায়রো মিউজিয়াম কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার -
- 'সাক্ষী বড় সেরকশা' - কার উক্তি ?
- 'দারিদ্র্য' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
- কোন্ ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সমসাময়িক ছিলেন?
- ’সাম্যবাদী’ কবিতাটি যে ছন্দে লেখা-
- ' তরুছায়ামসী - মাখা ' - কোন রঙ এর প্রসঙ্গ?
- আমার পূর্ব বাংলা' কবিতার রচয়িতা কে?
- আমার পূর্ব বাংলা এক গুচ্ছ স্নিগ্ধঅন্ধকারের তমালঅনেক পাতার ঘনিষ্ঠতায়একটি প্রগাঢ় নিকুঞ্জসন্ধ্যার উন্মেষের মতোসরোবরের অতলের মতোকালো-কেশ মেঘের সঞ্চয়ের মতোবিমুগ্ধ বেদনার শান্তি।উদ্দীপকে বর্ণিত 'বিমুগ্ধ বেদনার শান্তি' 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কোন অনুষঙ্গের সাথে তুলনীয়?
- কাকে ইতঃপূর্বে যথোচিত পুরস্কার দেওয়া গিয়েছে বলে কমলাকান্ত মনে করল?
- "মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিক"- ব্যাখ্যা করো।
- শ্রম-কিণাঙ্ক-কঠিন, ধন্য-শ্বাপদ-সঙ্কুল’- এই সমাসবদ্ধ শব্দ দুটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- 'কামাল পাশা' ও 'আনোয়ার পাশা' গ্রন্থ দুটির রচয়িতা কে?
- শেষ পর্যন্ত এক কৃষজীবী পরিবারেই বিয়ে হয় ছবি রাণীর। স্বামী ধনপতির একটি উন্নত জাতের গাভি আছে; গাভির একটি ছোট্ট বাছুর আছে। সেই বাছুরকে মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত করে দুই বেলা গাভির সবটুকু দুধ দোহন করে নেয় ধনপতি। বাছুরকে জোরপূর্বক আটকে রেখে স্বামীকে সহায়তা করে ছবি রাণী। গাভি যেন সামান্য দুধও বাছুরের জন্য রাখতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর তাদের। ক'দিন আগে ছবি রাণীর কোল জুড়ে আসে নবজাত ফুটফুটে এক শিশু সন্তান। এই শিশু যখন ক্ষুধায় কান্না করে, ছবি রাণী তখন পরিবারের সব কাজ ফেলে পরম মমতায় সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে তৃপ্ত করে। একদিন তার শিশু সন্তানকে মাতৃদুগ্ধদানে পরিতৃপ্ত করতে গিয়ে সে অনুভব করে, মাতৃদুগ্ধ-বঞ্চিত রেখে কী নির্মম আচরণ করে যাচ্ছে তারা গাভির অসহায় বাছুরের ওপর। তারপর থেকে সে স্বামীকে এই কাজে আর সহায়তা করে না।উদ্দীপকে বিবৃত 'নির্মম আচরণ' অধিকার হরণেরই নামান্তর- উদ্দীপক ও 'বিড়াল' রচনার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- সুবচন নির্বাসনে' নাটকটি কে লিখেছেন?
- 'গাঙুর' নদীর উল্লেখ আছে কোন রচনায়?