নিচের কোন কোষটি অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে?
JUUnit-DSet-4জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্তকণিকা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
B
Explanation: নিচের কোন কোষটি অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে? B কোষ অ্যান্টিবডি উৎপাদনকারী প্রধান কোষ। Option A: T - ভুল, এটি কোষ-ভিত্তিক রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। Option B: B - সঠিক উত্তর, এটি প্লাজমা কোষে পরিণত হয়ে অ্যান্টিবডি তৈরি করে। Option C: মনোসাইট - রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, তবে অ্যান্টিবডি তৈরি করে না। Option D: ইওসিনোফিল - এলার্জি এবং পরজীবী প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। Note: B কোষের প্লাজমা কোষে রূপান্তর অ্যান্টিবডি তৈরি এবং রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।
Another Explanation (5): ```html
অ্যান্টিবডি উৎপাদনকারী কোষ: একটি বিস্তারিত আলোচনা 🧐
আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একটি জটিল প্রক্রিয়া। এর গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো অ্যান্টিবডি তৈরি। অ্যান্টিবডি মূলত প্রোটিন যা রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু (যেমন: ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস) ধ্বংস করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিচে অ্যান্টিবডি উৎপাদনকারী কোষ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
অ্যান্টিবডি উৎপাদনকারী কোষের নাম: বি কোষ (B cell) 🎯
- বি কোষ (B cell) হলো লিম্ফোসাইট নামক শ্বেত রক্তকণিকার একটি প্রকার।
- এরা অস্থিমজ্জাতে (bone marrow) উৎপন্ন এবং পরিপক্ক হয়।
- বি কোষের প্রধান কাজ হলো অ্যান্টিবডি তৈরি করা।
বি কোষ কিভাবে অ্যান্টিবডি তৈরি করে? 🤔
- অ্যান্টিজেনের সংস্পর্শ: যখন কোনো অ্যান্টিজেন (রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর অংশ) দেহে প্রবেশ করে, তখন বি কোষ সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- প্লাজমা কোষে রূপান্তর: সক্রিয় বি কোষগুলো প্লাজমা কোষে (plasma cell) রূপান্তরিত হয়। প্লাজমা কোষ হলো অ্যান্টিবডি তৈরির মূল কারিগর।
- অ্যান্টিবডি নিঃসরণ: প্লাজমা কোষ প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং রক্তে নিঃসরণ করে। এই অ্যান্টিবডিগুলো অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবডি 🗂️
বি কোষ বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে, যেমন:
| অ্যান্টিবডির প্রকার | কাজ |
|---|---|
| IgG | সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। |
| IgM | প্রথম অ্যান্টিবডি যা সংক্রমণের শুরুতে তৈরি হয়। |
| IgA | লালা, ঘাম এবং বুকের দুধে পাওয়া যায় এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লিকে সুরক্ষা দেয়। |
| IgE | অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় অংশ নেয়। |
| IgD | বি কোষের পৃষ্ঠে থাকে এবং বি কোষের সক্রিয়করণে সাহায্য করে। |
মেমরি বি কোষ (Memory B cell) 🧠
কিছু সক্রিয় বি কোষ প্লাজমা কোষে রূপান্তরিত না হয়ে মেমরি বি কোষে পরিণত হয়। ভবিষ্যতে একই অ্যান্টিজেন দ্বারা আক্রান্ত হলে এই মেমরি বি কোষ দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে। এটি ইমিউনোলজিক্যাল মেমরি তৈরিতে সাহায্য করে। 🛡️
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🔔
- বি কোষের কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
- বিভিন্ন অটোইমিউন রোগে (autoimmune disease) বি কোষ নিজের শরীরের কোষের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে।
আশা করি, এই আলোচনা থেকে বি কোষ এবং অ্যান্টিবডি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 😊
```Option A Explanation:
- RNA এ T (থাইমিন): RNA তে থাইমিন (T) উপস্থিত থাকে না।
- এটির পরিবর্তে, RNA তে ইউরাসিল (U) থাকে, যা ডিএনএ এর থাইমিনের পরিবর্তে কাজ করে।
- অতএব, RNA এর মৌলিক নিদর্শন হল G, A, U, C।
Option B Explanation:
অপশন B এর ব্যাখ্যা
- ভিটামিন B: এটি উদ্ভিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে, কিছু ভিটামিন (বিশেষ করে B গ্রুপের ভিটামিন) মানুষের জন্য প্রয়োজনীয়।
- উদ্ভিদের জন্য B ভিটামিনের গুরুত্ব: সাধারণত, ভিটামিন B উদ্ভিদের জন্য অপরিহার্য নয়; তবে, কিছু ক্ষুদ্র পরিমাণে B ভিটামিনের উপস্থিতি প্রয়োজন হতে পারে, যা মূলত মৃতপ্রায় বা ক্ষতিগ্রস্ত উদ্ভিদের জন্য উপকারী।
- অভাবের কারণে সমস্যা: উদ্ভিদে B ভিটামিনের অভাবের কারণে সরাসরি পাতার ঝরে যাওয়া বা ফল ঝরে যাওয়ার ঘটনা সাধারণত দেখা যায় না। মূল কারণ সাধারণত নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম বা ফসফরাসের অভাব।
Option C Explanation:
- প্রতিপাদ্য: মনোসাইট হল এক ধরনের শ্বেতকণিকা যা দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- বিশাল আকারের কোষ, যা সাধারণত অন্যান্য শ্বেতকণিকার তুলনায় বড়।
- দেহের বিভিন্ন টিস্যুতে প্রবেশ করে ম্যাক্রোফেজে রূপান্তরিত হয়।
- মূল কাজ:
- অক্সিডেটিভ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস ও মৃত কোষের উপাদান শোষণ ও ধ্বংস করে।
- প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে, দূষিত উপাদান ও ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- সংখ্যা:
- রক্তে মনোসাইটের পরিমাণ সাধারণত অন্যান্য শ্বেতকণিকার তুলনায় বেশি থাকে।
Option D Explanation:
- ইওসিনোফিল: রক্তে শ্বেতকণিকার এক প্রকার যা সাধারণত পরিমাণে সবচেয়ে বেশি থাকে।
- অ্যান্টি-অ্যাজমা এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পরাগণিকা বা পরজীবী সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- শরীরের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।