দেশি পাটের বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি?
BAUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিজীব প্রযুক্তি (Topic Practice)BAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Corchorus capsularis
Explanation:
Another Explanation (5):
দেশি পাটের বৈজ্ঞানিক নাম: Corchorus capsularis 🌱
দেশি পাট, যা আমাদের সোনালী আঁশ নামে পরিচিত, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Corchorus capsularis। এটি Malvaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। নিচে এই বিষয়ে আরো কিছু তথ্য দেওয়া হলো:
বৈশিষ্ট্য 📝
- বৈজ্ঞানিক নাম: Corchorus capsularis
- পরিবার: Malvaceae
- আকার: সাধারণত ২-৪ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।
- পাতা: লম্বাটে এবং সামান্য খাঁজকাটা।
- ফল: ছোট এবং গোলাকার ক্যাপসুল আকৃতির।
- আঁশ: নরম এবং সাদাটে রঙের।
- ব্যবহার: মূলত আঁশ উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়, যা দিয়ে বস্তা, চট, কার্পেট ইত্যাদি তৈরি করা হয়। এছাড়াও এর পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায়।😋
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 📊
| বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|
| আঁশের গুণাগুণ | দেশি পাটের আঁশ বিদেশি পাটের (Corchorus olitorius) চেয়ে নরম এবং ভালো মানের। 💪 |
| চাষের এলাকা | বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতেই এর চাষ হয়। তবে ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, সিরাজগঞ্জ অঞ্চলে ভালো ফলন হয়। 🌍 |
| অর্থনৈতিক গুরুত্ব | বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সাহায্য করে এবং অনেক মানুষের জীবিকা নির্বাহের উৎস। 💰 |
| অন্যান্য ব্যবহার | পাটখড়ি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং কাগজ ও পার্টিকেল বোর্ড তৈরিতে কাজে লাগে। 🔥 |
দেশি পাট ও তোষা পাট 🌿
পাটের প্রধান দুইটি প্রকার হলো দেশি পাট (Corchorus capsularis) এবং তোষা পাট (Corchorus olitorius)। এদের মধ্যে কিছু পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো:
- আঁশের রং: দেশি পাটের আঁশ সাদাটে হয়, অন্যদিকে তোষা পাটের আঁশ লালচে।
- চাষের পরিবেশ: দেশি পাট জলাবদ্ধ জমিতে ভালো হয়, কিন্তু তোষা পাট উঁচু জমিতে ভালো জন্মে।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: দেশি পাটের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তোষা পাটের চেয়ে বেশি। 🛡️
ব্যবহার ক্ষেত্র 🏭
- বস্তা ও চট তৈরি: পাট দিয়ে বস্তা ও চট তৈরি করা হয়, যা খাদ্যশস্য এবং অন্যান্য পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- কাপড় তৈরি: পাট থেকে বিভিন্ন ধরনের কাপড় তৈরি করা যায়, যা পরিবেশ-বান্ধব। 👗
- কাগজ ও মণ্ড তৈরি: পাট থেকে কাগজ ও মণ্ড তৈরি করা হয়। 📰
- হস্তশিল্প: পাট দিয়ে অনেক হস্তশিল্প তৈরি করা হয়, যা ঘর সাজানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। 🏠
আশা করি, এই তথ্য দেশি পাট সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। Happy learning! 🎉
Option A Explanation:
- নাম: Corchorus capsularis
- পরিবার: Malvaceae (মালভেসি পরিবারের)
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি উচু ঘাসজাত উদ্ভিদ যা প্রধানত কাষ্ঠ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উৎপন্ন উপাদান: এর বাকল থেকে জুট তৈরি করা হয়, যা টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন: কাষ্ঠের জন্য এটি ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়, বিশেষ করে টেক্সটাইল, রশ্মি ও অন্যান্য শিল্পে।
Option B Explanation:
- বৈজ্ঞানিক নাম: Corchorus olitorius
- পরিচিতি: এটি একটি পাতা বা শাক হিসেবে ব্যবহৃত উদ্ভিদ, যা সাধারণত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- পরিবার: মালভূমি (Malvaceae) পরিবারের অন্তর্গত।
- ব্যবহার: এর পাতা রান্নার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি উচ্চতর পুষ্টিগুণ সম্পন্ন বলে পরিচিত।
- অন্য নাম: এটি কিছু অঞ্চলে "জিরা পাতা" বা "জিরা শাক" হিসেবেও পরিচিত।
Option C Explanation:
Hibisens canabinus এর ব্যাখ্যা:
- এটি একটি উদ্ভিদ প্রজাতি, যা মূলত হিবিস্কাস (Hibiscus) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি সাধারণত শাকসবজি এবং ওষুধি গুণে ব্যবহৃত হয়।
- উচ্চতা: এটি একটি বার্ষিক বা দ্বিবার্ষিক উদ্ভিদ যা সাধারণত ১ থেকে ২ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
- পাতা: এর পাতা সাধারণত বড়, লম্বাটে এবং সবুজ রঙের।
- ফুল: এর ফুল বড় এবং সুন্দর, বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে, সাধারণত লাল বা বেগুনি রঙের।
- উৎপত্তি: এটি মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে জন্মে।
Option D Explanation:
Hibiscus altissima
- একটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ যা মূলতঃ গার্হস্থ্য ও ওষুধি ব্যবহারে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হিবিস্কাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে অন্যান্য জনপ্রিয় প্রজাতি যেমন হিবিস্কাস ওয়াল্লাচিয়া ও হিবিস্কাস স্যাপনিয়া রয়েছে।
- বিশেষ করে এর উচ্চতা ও পাতার বৈচিত্র্যের জন্য এটি পরিচিত।
- প্রাকৃতিকভাবে এটির দেখা মেলে মূলতঃ দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে।
- এটি সাধারণতঃ উদ্ভিদবিদ্যার গবেষণায় ও বিভিন্ন ঔষধি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়।