বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু কোনটি?
A. ভৈরব সেতু
B. হার্ডিঞ্জ সেতু
C. ব্রহ্মপুত্র সেতু
D. তিস্তা সেতু
সঠিক উত্তরঃ
B.
হার্ডিঞ্জ সেতু
Explanation: ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যমুনা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধনের পর থেকে এটি বাংলাদেশের সড়ক সহ দীর্ঘতম রেল সেতুর মর্যাদা লাভ করে। এ সেতুতে মিটার গেজ ও ব্রড গেজ উভয় ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে। এ সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি.। তবে একক দীর্ঘতম রেলসেতু হলো হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। পাবনা জেলায় অবস্থিত হার্ডিঞ্জ সেতুর দৈর্ঘ্য ৫৮৯৪ ফুট (১৭৯৮.৩২ মিটার)। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ শুরু হয় ১৯১২ সালে এবং নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯১৫ সালে।
Related Questions (Any University/Year)
- মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য কত?
- বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে ‘সুন্দরবন’ সংযুক্ত আছে?
- বাংলাদেশের এই জেলায় সম্প্রতি এই প্রথম রেল সংযোগ হয়-
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখির মাজার অবস্থিত–
- ‘সাবমেরিন কেবল’ প্রকল্পটি কোন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম?
- বঙ্গবন্ধু (যমুনা) বহুমুখী সেতুর পিলার কয়টি?
- ভৈরব ব্রীজ কোন নদীর উপর অবস্থিত?
- প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিমি?
- রেলপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব কত?
- ঢাকা থেকে সরাসরি নোয়াখালী যাওয়ার আন্তঃমহানগরীয় ট্রেনটির নাম-
- ‘বাকল্যান্ড বাঁধ’ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
- বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য –
- মহাখালী ফ্লাইওভারে কয়টি স্প্যান আছে?
- বঙ্গবন্ধু সেতু কোন সালে কত তারিখে উদ্বোধন করা হয়?
- চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সাবমেরিন কেবলস অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে কত দূরত্বের ব্যয় বহন করতে হবে?
- বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
- মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ঢাকার মোট কতগুলো সড়কের নামকরণ করা হয়?
- সর্বশেষ বাংলাদেশের এই জেলার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়-