মুক্তার মুখ্য উপাদান হচ্ছে-
CVASUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)CVASU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
ক্যালসিয়াম কার্বনেট
Explanation:

Another Explanation (5):
মুক্তার মূল উপাদান: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট 🐚
মুক্তা মূলত এক প্রকার রত্ন যা ঝিনুকের খোলসের মধ্যে গঠিত হয়। এর প্রধান উপাদান হলো ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3)। এছাড়াও এতে সামান্য পরিমাণে জৈব উপাদান ও পানি থাকে।
উপাদান তালিকা 📝
- ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3): প্রায় ৮২-৮৬%
- জৈব উপাদান (কনকিওলিন): প্রায় ২-৪%
- পানি (H2O): প্রায় ২-৪%
- অন্যান্য উপাদান: সামান্য পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট, লৌহ অক্সাইড ইত্যাদি থাকতে পারে।
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট সম্পর্কে কিছু তথ্য ℹ️
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট একটি রাসায়নিক যৌগ। এটি প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন খনিজ পদার্থে পাওয়া যায়, যেমন: ক্যালসাইট, এরাগোনাইট ইত্যাদি।
মুক্তার উপাদানসমূহের শতকরা হার ছকে 📊
| উপাদান | শতকরা হার (%) |
|---|---|
| ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3) | ৮২-৮৬ |
| জৈব উপাদান (কনকিওলিন) | ২-৪ |
| পানি (H2O) | ২-৪ |
| অন্যান্য উপাদান | ১-২ |
মুক্তা কিভাবে গঠিত হয়? 🧐
- যখন কোনো বহিরাগত বস্তু (যেমন: বালুকণা) ঝিনুকের খোলসের ভিতরে প্রবেশ করে, তখন ঝিনুক নিজেকে রক্ষার জন্য সেটির চারপাশে এক প্রকার পদার্থ নিঃসরণ করে।
- এই পদার্থটি মূলত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এবং কনকিওলিন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
- বহিরাগত বস্তুটি স্তরে স্তরে এই পদার্থ দ্বারা আবৃত হতে থাকে।
- দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে ধীরে ধীরে মুক্তা গঠিত হয়।
বিভিন্ন প্রকার মুক্তা 💎
- প্রাকৃতিক মুক্তা: প্রাকৃতিকভাবে ঝিনুকের মধ্যে তৈরি হয়।
- চাষ করা মুক্তা: মানুষ ঝিনুকের মধ্যে বহিরাগত বস্তু প্রবেশ করিয়ে মুক্তা তৈরি করে।
আশা করি মুক্তা এবং এর উপাদান সম্পর্কে আপনি একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। ✨
Option A Explanation:
- প্রাকৃতিক উৎস: ক্যালসিয়াম কার্বনেট প্রধানত প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায়, যেমন মুক্তার শেল, কঙ্কাল, এবং চুনাপাথর।
- রাসায়নিক গঠন: এর রাসায়নিক সূত্র হলো CaCO₃, যেখানে ক্যালসিয়াম, কার্বন, এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে এটি গঠিত।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি একটি সাদা, কঠিন, এবং শক্তিশালী পদার্থ, যা সহজে গুঁড়ো বা পাউডার আকারে পাওয়া যায়।
- ব্যবহার: বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যেমন চুন তৈরি, ফার্মাসিউটিক্যালস, ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড উৎপাদন, এবং পলিমার শিল্পে।
- উপকারিতা: এটি পুষ্টিসম্পন্ন এবং হাড়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে।
Option B Explanation:
- সংজ্ঞা: ক্যালসিয়াম অক্সাইড, যা সাধারণত চুন বা জলচুন নামে পরিচিত, একটি অজৈব যৌগ যা ক্যালসিয়াম এবং অক্সিজেনের সংযোজনে তৈরি হয়।
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি সাদা কঠিন পদার্থ, যা সাধারণত গুঁড়ো বা পাউডার আকারে পাওয়া যায়। এটি অন্ধকারে জ্বলন্ত এবং পানিতে যোগ করলে শক্তিশালী অগ্নিসংযোগ সৃষ্টি করে।
- ব্যবহার: - নির্মাণ শিল্পে সিমেন্ট ও কংক্রিট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পাত্রের পৃষ্ঠে চুনাপাথর বা অন্যান্য উপাদান দিয়ে পরিষ্কারকরণে ব্যবহৃত হয়।
- কৃষিক্ষেত্রে মাটির ক্ষারত্ব বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- রাসায়নিক শিল্পে বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অ্যাসিডের প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রাকৃতিক উৎস: ক্যালসিয়াম অক্সাইড প্রাকৃতিকভাবে চুনাপাথর ও শিলার মধ্যে পাওয়া যায়। এটি উচ্চ তাপমাত্রায় পিটানি বা পুড়িয়ে তৈরি করা হয়।
Option C Explanation:
- সোডিয়াম পার অক্সাইড (Sodium Peroxide): এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অক্সিডাইজার।
- প্রধানত এই যৌগটি অক্সিজেন সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে জৈব ও অজৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায়।
- এটি সাধারণত সাদা রঙের কঠিন পদার্থ, যা দ্রুত অক্সিজেন মুক্ত করে।
- উৎপাদনে, এটি সোডিয়াম হাইপো ক্লোরাইট বা সোডিয়াম হাইপো ক্লোরাইটের বিক্রিয়া দ্বারা প্রস্তুত করা হয়।
- ব্যবহারে, এটি পোড়ানো বা অগ্নিনির্বাপক বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
- সোডিয়াম ক্লোরাইড হলো একটি যৌগ যা সাধারণত NaCl দ্বারা সূচিত হয়।
- এটি একটি নোনতা লবণ বা সল্ট হিসেবে পরিচিত, যা খাদ্য, রসায়ন এবং অন্যান্য শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রাকৃতিকভাবে এটি সমুদ্রের পানিতে পাওয়া যায় এবং খনিজ পাথর হিসেবে ভূগর্ভে পাওয়া যায়।
- সোডিয়াম ক্লোরাইডের রাসায়নিক গঠন হলো Na+ এবং Cl- আয়ন, যা যৌগিকভাবে সিসটেমেটিকভাবে যুক্ত থাকে।
- এটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে স্বাদে লবণাক্ততা দেয় এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয় যেমন খাদ্য সংরক্ষণ, রাসায়নিক প্রক্রিয়াতে, এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে।