কোনটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ?
সঠিক উত্তরঃ
A.
টিটেনাস
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরটি সঠিক নয়। টিটেনাস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, বরং এটি একটি নিউরোলজিক্যাল অবস্থা যা ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটানি (Clostridium tetani) ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়। তবে, এই রোগের কারণ ব্যাকটেরিয়া হলেও, এটি সাধারণত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের শ্রেণীতে গণ্য হয় না।
উদাহরণস্বরূপ, ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:
- পোড়া (Diphtheria)
- টিবি (TB) (Tuberculosis)
- প্লেগ (Plague)
- সালমোনেলা সংক্রমণ (Salmonella infection)
Option A Explanation:
- সংক্রমণ উৎস: টিটেনাস মূলত মৃতদেহ বা ক্ষতস্থানে থাকা ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটেনি নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে হয়।
- ব্যাকটেরিয়া ধরণ: এটি একটি অ্যানারোবিক, স্পোর-নির্মাতা ব্যাকটেরিয়া যা অঙ্গজীবাণুর মাধ্যমে জীবিত বা মৃত দেহ থেকে সংক্রমিত হতে পারে।
- সংক্রমণের প্রক্রিয়া: ব্যাকটেরিয়ার স্পোরগুলো ক্ষতস্থানে প্রবেশ করে গ্ল্যান্ড বা টিস্যুতে বিকাশ ঘটায় এবং টেটানাস টক্সিন নিঃসরণ করে।
- রোগের লক্ষণ: এটি একটি নিউরোঅ্যাকটিভ রোগ যা পেশীর কাঁপুনি, শক্তি, ও স্পাস্টিসিটি সৃষ্টি করে।
- প্রতিরোধ: টিটেনাস প্রতিরোধের জন্য টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
- এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
- রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
- বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
- প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
- সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।
Option C Explanation:
- উত্তেজনা বৃদ্ধি: বসন্তের সময় আবহাওয়া সুন্দর ও মনোরম হওয়ায় প্রাণীদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
- পরিবেশগত উপাদান: এই ঋতুতে সূর্যের আলোকপ্রাপ্তি ও তাপমাত্রা উপযুক্ত থাকে, যা হাইড্রার যৌন প্রজননের জন্য সহায়ক।
- প্রজনন সময়সূচী: বসন্তে অনেক প্রাণী তাদের প্রজননের জন্য উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করে, কারণ এই সময়ে পরিবেশগত উপাদান ও খাদ্য সরবরাহ বেশি থাকে।
- সংবেদনশীলতা: এই ঋতুতে হাইড্রার সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়, যা যৌন প্রজননের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে।
Option D Explanation:
- প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
- কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
- প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
- প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
- চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।