কোন ধরনের খাদ্য পাকস্থলিতে অনেকক্ষন থাকে ?
NursingDiplomaজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরিপাক ও শোষণপরিপাক - মুখগহ্বর, পাকস্থলি ও ক্ষুদ্রান্ত (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
আমিষ
Explanation:

Another Explanation (5):
পাকস্থলীতে বেশিক্ষণ থাকা খাবার: আমিষ (প্রোটিন) 🥩🍗🥚
খাবার হজম হওয়ার সময়কাল খাবারের ধরনের উপর নির্ভর করে। শর্করা বা ফ্যাট জাতীয় খাবারের তুলনায় আমিষ জাতীয় খাবার পাকস্থলীতে বেশি সময় ধরে থাকে। এর কারণ হল আমিষ হজম করার জন্য জটিল প্রক্রিয়া এবং বিশেষ এনজাইমের প্রয়োজন হয়।
কেন আমিষ বেশি সময় থাকে? 🤔
- আমিষের জটিল গঠন 🧬 ভাঙতে বেশি সময় লাগে।
- পাকস্থলীতে আমিষ হজমের জন্য অ্যাসিড এবং পেপসিন নামক এনজাইম দরকার হয়, যা ধীরে ধীরে কাজ করে। 🧪
- ফ্যাট জাতীয় খাবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়, তাই আমিষের সাথে ফ্যাট থাকলে তা আরও বেশি সময় ধরে হজম হয়। 🍔🍟
বিভিন্ন খাবারের পাকস্থলীতে থাকার সময় (আনুমানিক) ⏳
| খাবার | সময় (ঘণ্টা) |
|---|---|
| পানি 💧 | প্রায় সাথে সাথেই |
| ফল 🍎🍌 | ৩০-৪৫ মিনিট |
| সবজি 🥦🥕 | ১-২ ঘণ্টা |
| শর্করা (ভাত, রুটি) 🍚🍞 | ২-৩ ঘণ্টা |
| আমিষ (মাছ, মাংস) 🐟🥩 | ৩-৫ ঘণ্টা |
| ফ্যাট (ভাজা খাবার) 🍟🍩 | ৪-৬ ঘণ্টা বা তার বেশি |
আমিষ জাতীয় খাবারের উদাহরণ 👇
- মাংস (গরু, খাসি, মুরগি) 🐄🐑🐔
- মাছ 🐠🐟
- ডিম 🥚
- দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্য 🥛🧀
- বাদাম এবং বীজ 🌱🌰
- ডাল এবং শিম 🍲
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 💡
- শারীরিক কার্যকলাপ হজম প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। 🏃♀️🏃♂️
- খাবারের পরিমাণ এবং ব্যক্তির হজম ক্ষমতার উপরও সময় নির্ভর করে।
- কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে হজম প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হতে পারে। 🩺
এই তথ্যগুলো सामान्य জ্ঞানের জন্য। বিস্তারিত জানতে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। 🙏
Disclaimer: এই তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য দেওয়া হয়েছে। কোনো স্বাস্থ্য বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেবার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
Option A Explanation:
- আমিষ: ইনসুলিন একটি প্রোটিন বা আমিষ পদার্থ।
- প্রোটিন গঠিত হয় অ্যামিনো অ্যাসিডের শৃঙ্খল থেকে।
- ইনসুলিন লিভার এবং অগ্ন্যাশয়ে উৎপন্ন হয়।
- এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
Option B Explanation:
- শর্করা হলো কার্বোহাইড্রেটের একটি শ্রেণি, যা মূলত শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।
- প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন ধরনের শর্করা পাওয়া যায়, যেমন গ্লুকোজ, ফ???রুক্টোজ, সুক্রোজ, স্টার্চ ইত্যাদি।
- শর্করা সাধারণত কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন অণু দ্বারা গঠিত।
- শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে এবং এটি বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে পাওয়া যায়, যেমন চাল, আটা, আলু, ফলমূল ইত্যাদি।
- প্রচুর শর্করা থাকলে শরীরের জন্য শক্তির যোগান বাড়ে, তবে অতিরিক্ত গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
Option C Explanation:
- ভিটামিনের ভূমিকা: ভিটামিনগুলি ফলের পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করে এবং স্বাদ ও গন্ধের মান উন্নত করে।
- গন্ধের সঙ্গে সম্পর্ক: কিছু ভিটামিন, বিশেষ করে ভিটামিন C, ফলের স্বাভাবিক গন্ধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।
- প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া: ভিটামিনের উপস্থিতি ফলের স্বাভাবিক বিকাশ এবং সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় সহায়ক, যা ফলের সুগন্ধের জন্য প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে কাজ করে।
Option D Explanation:
- স্নেহ: স্নেহ বা চর্বি হলো একটি প্রকারের পুষ্টিকর উপাদান যা দেহের বিভিন্ন কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়।
- এটি দীর্ঘ সময় ধরে পাকস্থলিতে থাকতে সক্ষম কারণ এর গঠন ও গুণাবলী ধীর গলনশীল ও ধীর শোষণশীল।
- স্নেহ মূলত দেহের শক্তি সংরক্ষণে সহায়ক এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী শক্তি সরবরাহ করে।
- খাদ্য হিসেবে স্নেহের উপস্থিতি পাকস্থলিতে দীর্ঘ সময় থাকতে পারে, যা হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে তোলে।
- উদাহরণ হিসেবে মাছের তেল, অরগানিক চর্বি ইত্যাদি উল্লেখ করা যায়।