কেষের পাওয়ার হাউস কাকে বলে ?
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ ও এর গঠনমাইটোকন্ড্রিয়া (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
মাইটোকন্ডিয়া
Another Explanation (5): প্রশ্ন: কেষের পাওয়ার হাউস কাকে বলে?
উত্তর: **"মাইটোকন্ডিয়া"**
**ব্যাখ্যা:**
মাইটোকন্ডিয়া হলো কোষের ভিতরে অবস্থিত একটি বিশেষ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, যা কোষের জন্য শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র। এটি অনেক সময় "কোষের পাওয়ার হাউস" হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি ATP (অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট) নামক শক্তির মুদ্রা তৈরি করে, যা কোষের বিভিন্ন কার্যকলাপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
**মূল বিষয়সমূহ:**
- **অবস্থান:** সব ধরনের ইук্যারিওটিক কোষে (প্রাণী, উদ্ভিদ, ফাঙ্গি) পাওয়া যায়।
- **কার্যক্রম:** খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদন, শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
- **উৎপাদন:** গ্লুকোজের মাধ্যমে অক্সিজেনের সাহায্যে ATP তৈরি করে।
সুতরাং, মাইটোকন্ডিয়া সত্যিই কোষের শক্তি উৎপাদনের মূল কেন্দ্র, এজন্যই একে "কোষের পাওয়ার হাউস" বলা হয়।
Option A Explanation:
- ডি এন এ (DNA) বা ডিওক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড হলো জীবের জিনগত উপাদান।
- এটি এক ধরনের জৈব রাসায়নিক যৌগ, যা জীবের বৈশিষ্ট্য ও কার্যকলাপ নির্ধারণ করে।
- ডি এন এ ডাবল হেলিক্যাল গঠনবিশিষ্ট, যেখানে জীনসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- এটি কোষের নিউক্লিয়াসে থাকে এবং প্রজননের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়।
Option B Explanation:
- রাইবোজম: রাইবোজম হলো একটি সেলুলার অঙ্গাণু যা প্রোটিন সিনথেসিসের জন্য দায়ী। এটি ডিএনএ-র কোড অনুযায়ী অ্যামিনো অ্যাসিডের সন্নিবেশ ঘটায় এবং প্রোটিন গঠনে সাহায্য করে।
- গঠন: রাইবোজম মূলত আরএনএ (অ্যারএনএ) ও প্রোটিন উপাদান নিয়ে গঠিত। এটি দুটি উপাদান দ্বারা গঠিত: বড় উপাদান (৫০S) এবং ছোট উপাদান (৩০S)।
- অবস্থান: প্রোটিন সিনথেসিসের সময়, রাইবোজম কোষের সাইটোপ্লাজমে বা অ্যারোপ্লাজমে অবস্থিত থাকে।
- ভূমিকাঃ এটি মেটাবলিক কার্যকলাপে গুরুত্বপূর্ণ, যেমন অ্যানজাইমের গঠন ও কার্যকলাপের জন্য প্রোটিন তৈরি।
- উপকারিতা: জীবের উন্নয়ন, ক্ষয়প্রাপ্তি রোধ, এবং কোষের কার্যকারিতা বজায় রাখতে রাইবোজমের ভূমিকা অপরিহার্য।
Option C Explanation:
- RNA (রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড): RNA হলো এক ধরনের নিউক্লিক অ্যাসিড যা জীবের কোষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- প্রধান কাজ: এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক, যেখানে ডিএনএর নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যামিনো অ্যাসিডের শৃঙ্খলা নির্ধারণ করে।
- প্রকারভেদ: বিভিন্ন ধরনের RNA যেমন mRNA (মেসেঞ্জার RNA), tRNA (ট্রান্সফার RNA), এবং rRNA (রাইবোসোমাল RNA) রয়েছে, প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- অঙ্গসংস্থান: RNA সাধারণত এক চেইনবিশিষ্ট হয়, ডিএনএর থেকে ভিন্নভাবে, যা দ্রুত সংশ্লেষণ ও ডিহাইড্রেশনের মাধ্যমে কাজ করতে সক্ষম।
Option D Explanation:
- মাইটোকন্ডিয়া হলো সেল এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রতঙ্গ।
- এটি মূলত সেল এর শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- প্রধানত এটির কাজ হলো খাবার থেকে শক্তি উৎপন্ন করে তা সেল এর বিভিন্ন কার্যকলাপে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা।
- প্রায় সব ধরনের ইওক্যারিওটিক সেলে মাইটোকন্ডিয়া পাওয়া যায়।
- এটি একটি দ্বিগুণস্তরবিশিষ্ট ঝিল্লি দ্বারা ঘেরা থাকে।
- মাইটোকন্ডিয়া সূক্ষ্ম ফাইবার বা ফর্মের হতে পারে এবং এর গঠন ও আকার বিভিন্ন ধরনের সেলে ভিন্ন হতে পারে।
Option E Explanation:
- প্লাসটিড হলো প্লাসমিডি (Plasmid), যা এক ধরনের ছোট, সিঙ্গেল-সিস্টার ডি এন এ (DNA) অণু।
- এগুলো সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, আর্চিয়া, এবং কিছু একক কোষী অর্গানিজমে পাওয়া যায়।
- প্লাসটিডি বিভিন্ন জেনেটিক উপাদান বহন করতে পারে, যেমন অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স জেন, যা অর্গানিজমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এগুলো স্বতন্ত্রভাবে কণিকা হিসেবে গুণগতভাবে আলাদা, এবং প্রায়শই প্লাসমিডি ইনসার্ট বা এক্সট্রাক্ট করে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ব্যবহৃত হয়।