বংশগতিবিদ্যার জনক কে?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনবংশগতিবিদ্যা বা জিনতত্ত্ব বা জেনেটিক্স (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
মেন্ডেল
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: বংশগতির মূল ভিত্তি এবং এর বৈজ্ঞানিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। প্রশ্নে ‘বংশগতিবিদ্যার জনক’ হিসেবে সঠিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। অপশন বিশ্লেষণ: A. ডারউইন: ভুল, ডারউইন প্রকৃতির নির্বাচনের তত্ত্ব নিয়ে কাজ করেছিলেন, কিন্তু বংশগতির বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্থাপন করেননি। B. হেকেল: ভুল, হেকেল জীববিজ্ঞানে কাজ করেছেন, তবে বংশগতির ধারণা নিয়ে বিশেষ অবদান রাখেননি। C. মেন্ডেল: সঠিক, মেন্ডেল বংশগতির মৌলিক সূত্রাবলী প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি বংশগতিবিদ্যার জনক হিসেবে পরিচিত। D. হল্ডেন: ভুল, হল্ডেন প্রাণীজীববিজ্ঞানী হলেও বংশগতির সুত্রে কোনো বিশেষ অবদান রাখেননি। নোট: গ্রেগর মেন্ডেল, যা ‘মেন্ডেলিয়ান গণনা’ নামে পরিচিত, বংশগতির মৌলিক ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছেন।
Another Explanation (5):
বংশগতিবিদ্যার জনক: মেন্ডেল 👨🏫
গ্রেগর জোহান মেন্ডেল (১৮২২-১৮৮৪) ছিলেন একজন অস্ট্রীয় অগাস্টিনিয়ান সন্ন্যাসী এবং বিজ্ঞানী। তিনিই বংশগতিবিদ্যার জনক হিসেবে পরিচিত। মেন্ডেল মটরশুঁটি গাছের উপর তার বিখ্যাত পরীক্ষার মাধ্যমে বংশগতির মৌলিক নীতিগুলি আবিষ্কার করেন।
মেন্ডেলের অবদানসমূহ:
- বংশগতির সূত্র আবিষ্কার: মেন্ডেল বংশগতির তিনটি প্রধান সূত্র আবিষ্কার করেন:
- পৃথকীকরণ সূত্র
- স্বতন্ত্র বিন্যাস সূত্র
- প্রাধান্য সূত্র
- ফ্যাক্টর বা জিনের ধারণা: মেন্ডেল বংশগতির ধারক হিসেবে "ফ্যাক্টর" নামক একটি ধারণার প্রস্তাব করেন, যা পরবর্তীতে জিন নামে পরিচিত হয়। 🧬
- মটরশুঁটি গাছের ব্যবহার: মেন্ডেল তার পরীক্ষার জন্য মটরশুঁটি গাছ ব্যবহার করেছিলেন, কারণ এই গাছ সহজে চাষ করা যায় এবং এর মধ্যে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। 🌱
- গাণিতিক বিশ্লেষণ: মেন্ডেল তার পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে গাণিতিক পদ্ধতি ব্যবহার করেন, যা বংশগতিবিদ্যার গবেষণায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। 📊
মেন্ডেলের পরীক্ষার সংক্ষিপ্তসার:
| বৈশিষ্ট্য | প্রকট বৈশিষ্ট্য | প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| বীজের আকার | গোল 🟢 | কুঁচকানো wrinkled |
| বীজের রং | হলুদ 🟡 | সবুজ 🟢 |
| ফুলের রং | বেগুনী 💜 | সাদা 🤍 |
| ফলের আকার | পূর্ণ 🎈 | সংকীর্ণ 🪡 |
| ফলের রং | সবুজ 🟢 | হলুদ 🟡 |
| কাণ্ডের দৈর্ঘ্য | লম্বা 🦒 | বেঁটে 🧍 |
মেন্ডেলের কাজ প্রথমে স্বীকৃতি না পেলেও, বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এটি পুনরায় আবিষ্কৃত হয় এবং বংশগতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করে। 🥳 আজ, মেন্ডেলকে আধুনিক বংশগতিবিদ্যার জনক হিসেবে সম্মান জানানো হয়। 💯
আরও জানতে: উইকিপিডিয়া দেখুন।
Option A Explanation:
- নাম: চার্লস ডারউইন
- পেশা: প্রাকৃতিক বিজ্ঞানী ও উদ্ভিদবিজ্ঞানী
- প্রসিদ্ধি: বিবর্তনবাদের তত্ত্বের প্রবর্তক
- মূল কাজ: প্রাকৃতিক নির্বাচন দ্বারা জীবের বিবর্তন ব্যাখ্যা
- প্রভাব: জীববিজ্ঞান, বিবর্তনবিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে বিপ্লবী পরিবর্তন আনা
Option B Explanation:
- হেকেল ছিলেন একজন ব্রিটিশ দার্শনিক এবং বিজ্ঞানী, যিনি ১৯শতকের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে জীববিজ্ঞান, দর্শন ও শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তিনি মূলত প্রাক-আধুনিক দার্শনিক ধারার একজন প্রতিনিধি, তবে তাঁর কাজের মধ্যে জীববিজ্ঞান ও উন্নত মানসিকতা বিষয়ক ধারণাগুলি গুরুত্বপূর্ণ।
- হেকেল তার লেখনী এবং তত্ত্বের মাধ্যমে মানবজীবনের বিবর্তন, জ্ঞান ও শিক্ষার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন।
Option C Explanation:
- জনক: গ্রেগরী মেন্ডেল (Gregor Mendel)
- অধ্যয়ন ক্ষেত্র: জেনেটিক্স ও বংশবৃদ্ধি
- অবদান: প্রাথমিকভাবে জেনেটিক ট্রান্সমিশনের নিয়ম আবিষ্কার করেন
- প্রসিদ্ধ কাজ: দয়া করে গণিতের ভিত্তিতে উদ্ভিদে ট্রেইটের ক্রসিং করে পজিটিভ ও নেগেটিভ ট্রেইটের নিয়ম নির্ণয় করেন
- প্রভাব: দ্বিপদ নামকরণ বা বংশবৃদ্ধির বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন
Option D Explanation:
- নাম: হার্ভে এল. হল্ডেন
- জন্ম: 1882 সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে
- পেশা: জেনেটিক্স গবেষক ও শিক্ষক
- প্রসিদ্ধি: গাণিতিক ও মৌলিক জেনেটিক্সের মৌলিক সূত্রাবলি প্রণয়ন
- অর্জন: জেনেটিক ট্রান্সমিশনের মৌলিক নিয়ম, যা পজিটিভ মিউটেশন ও অ্যান্টি-মিউটেশন নিয়মের উপর ভিত্তি করে
- অন্য অবদান: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, গাণিতিক জেনেটিক্সে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও উন্নয়ন