বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম আবৃতবীজী উদ্ভিদের নাম
সঠিক উত্তরঃ
B.
Wolffia arrhiza
Another Explanation (5): বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম আবৃতবীজী উদ্ভিদের নাম হলো Wolffia arrhiza। এই উদ্ভিদটি সাধারণত অল্প পরিমাণ পানিতে বা জলজ পরিবেশে জন্মে এবং এর আকার খুবই ক্ষুদ্র। নিচে এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলো:
- আকার: খুবই ক্ষুদ্র, সাধারণত মাত্র 1-2 মিলিমিটার লম্বা।
- উপস্থিতি: জলজ পরিবেশে, যেমন পুকুর, জলাশয় ও হ্রদে পাওয়া যায়।
- প্রকার: এটি একটি আবৃতবীজী উদ্ভিদ, অর্থাৎ এর বীজ শস্যের মতো থাকে।
- অন্য নাম: এর ইংরেজি নাম হলো "Duckweed" বা "Wolffia"।
Option A Explanation:
- নাম: Wolffia microscopica
- প্রকার: ক্ষুদ্র আবৃতবীজী উদ্ভিদ (Aquatic duckweed)
- আকার: পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র উদ্ভিদগুলোর মধ্যে একটি, সাধারণত মাত্র 0.3 থেকে 0.5 মিমি ব্যাসার্ধে দেখা যায়।
- অবস্থান: জলজ পরিবেশে, সাধারণত ঝুরঝুরে বা শান্ত জলে দেখা যায়।
- বৈশিষ্ট্য: সাধারণত একক বা একাধিক পাতা থাকে, যা জলপৃষ্ঠের উপর ভাসমান হয়। এটি সৌরশক্তি ক্লোরোফিলের মাধ্যমে সঞ্চয় করে, এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সেলুলার গঠন দ্বারা গঠিত।
- অন্য নাম: ক্ষুদ্রতম উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত, এবং এর আকারের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- বৈজ্ঞানিক নাম: Wolffia arrhiza
- অর্থ: এটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলজ উদ্ভিদ, যা ক্ষুদ্রতম আবৃতবীজী উদ্ভিদ বলে পরিচিত।
- অবস্থান: সাধারণত淡淡 জলাশয়, পুকুর ও জলাভূমিতে পাওয়া যায়।
- আকার: এটির আকার খুবই ছোট, সাধারণত মাত্র 1-2 মিলিমিটার, যা এককভাবে দেখা কঠিন।
- বৈশিষ্ট্য: এটি অঙ্কুরিত বা উদ্ভিদিক বৈশিষ্ট্যযুক্ত, তবে এর মধ্যে কোনো পাতা বা শাখা দেখা যায় না, বরং এটি মূলত জলজ অঙ্কুর দিয়ে গঠিত।
- অন্য নাম: ক্ষুদ্র জলজ উদ্ভিদ হিসেবে "দ্য ক্ষুদ্রতম উদ্ভিদ" নামে পরিচিত।
Option C Explanation:
- নাম: Hopea odorata
- পরিবার: Dipterocarpaceae
- প্রকার: বৃক্ষ
- বর্ণনা: Hopea odorata একটি মাঝারি থেকে বৃহৎ আকারের বৃক্ষ, যা সাধারণত গাঢ় সবুজ পাতার জন্য পরিচিত। এর ফুলের গন্ধ খুবই সুগন্ধি, যা এর নামের সাথে সম্পর্কিত। এই বৃক্ষটি মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বনাঞ্চলে পাওয়া যায়।
- ব্যবহার: এর কাঠের ব্যবহার আসবাবপত্র, নির্মাণ সামগ্রী ও হস্তশিল্পে হয়। পাশাপাশি, এর গাছের অংশগুলো প্রাচীন চিকিৎসাতেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
Option D Explanation:
- নাম: Dipterocarpus turbinatus
- পারিবারিক নাম: ডিপটারকোর্ফা পরিবার (Dipterocarpaceae)
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি বৃহৎ, অর্ধবৃত্তাকার বা গোঁড়া-পৃষ্ঠের মতো গাছ, যা সাধারণত উচ্চতায় বৃদ্ধি পায়।
- অঞ্চল: প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশের বনাঞ্চলে পাওয়া যায়।
- ব্যবহার: এর কাঠ সাধারণত নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- উদ্ভিদ প্রকার: এটি একটি বৃহৎ বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ।