‘বিষের বাঁশি’ কাজী নজরুল রচিত একটি-
A. গল্প
B. উপন্যাস
C. কাব্য
D. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তরঃ
C.
কাব্য
Explanation: ‘বিষের বাঁশি’ নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্হ। এতে ২৭টি কবিতা রয়েছে। নজরুলের বাজেয়াপ্ত হওয়া ৫টি গ্রন্হের মধ্যে এটি অন্যতম। ১৯২৪ সালে বইটি নিষিদ্ধ হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- বিদ্রোহী' কবিতায় ধ্বংসের প্রতীক হিসেবে যে নামগুলো এসেছে- শ্যাম, অর্ফিয়াস বিশ্বামিত্র, দুর্বাশা পরশুরাম, নটরাজ নিচের কোনটি সঠিক?
- যার মনে মানবপ্রেম নেই, মসজিদে কিংবা মন্দিরে গিয়ে যতই ক্রন্দনরত অবস্থায় থাকুক, সৃষ্টিকর্তার প্রেম সে পাবে না, পেতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি করুণা করেন কিন্তু প্রেম সবার ললাটে জোটে না। যে ব্যক্তির হৃদয় অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব এতিম ও দূর্বলকে দেখে আপ্লুত হয় না, কষ্টে চিত্ত ব্যর্থিত হয় না; তার মনে প্রেম নেই, মায়া নেই, কোনো মমতা নেই। স্রষ্টার প্রিয়পাত্র সে হতে পারে না।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় কোন সালে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য জেলে গিয়েছিলেন ?
- নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
- "বিদ্রোহী" কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্য গ্রন্থের অর্ন্তগত?
- 'মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তুর্য।'- কথাটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- কবি নিজেকে 'অর্ফিয়াসের বাঁশরী' বলেছেন কেন?
- 'চির উন্নত মম শির'- কথাটির কীসের পরিচায়ক?
- কবি নজরুল দাবানল হয়ে কী দাহন করবেন?
- ‘চির উন্নত মম শির'— কথাটি কীসের পরিচায়ক?
- কামাল পাশা কোন বিষয়ে অন্যায় দেখলে মেনে নিতে পারতেন না। জন্ম থেকে তার মধ্যে ছিল বিদ্রোহী সত্তা। দেশের সুলতান অন্য দেশের কাছে অবজ্ঞার পাত্র। কামাল পাশা অন্তরে অনুভব করেন এই অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত তিনি এই পরিবর্তন করতে সক্ষম হন এবং তুরস্ককে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করেন।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।'উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করে না।'- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'আমি চির দুর্দম দুর্বিনীত, নৃশংস, মহাপ্রলয়ের আমিনটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস।'-কবিতাংশটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টিইঙ্গিত পাওয়া যায়?
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
- উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ‘ক’ কোন ধরনের বর্ণ?
- “নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।”পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “বিদ্রোহী" কবিতা রচনার শতবর্ষ পূর্ণ হয়েছে কোন সালে?
- শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।আর-নয়।তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।আর করি না করি না ভয়।জয় বাংলা বাংলার জয়।উদ্দীপকের 'শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র'- চরণের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য বর্ণনা করো। যৌক্তিকতা 'বিচার করো।
- "বিদ্রোহী" কবিতায় কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী সত্তার উৎস হলো -