মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে কোনটি? 

A. নিউট্রোফিল
B. লিম্ফোসাইট 
C. লোহিত রক্তকণিকা 
D. ইউসিনোফিল
E. অণুচক্রিকা 
Poster Download
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্তকণিকা (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. ইউসিনোফিল
Explanation:

Another Explanation (5):

অ্যালার্জি প্রতিরোধে ইউসিনোফিলের ভূমিকা 🤧

ইউসিনোফিল এক ধরনের শ্বেত রক্ত কণিকা যা অ্যালার্জি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি মূলত প্যারাসাইট বা পরজীবী সংক্রমণ এবং অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে।

ইউসিনোফিল কিভাবে কাজ করে? 🤔

  • পরজীবী ধ্বংস: ইউসিনোফিল তাদের ভেতরের গ্রানিউল থেকে কিছু রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে পরজীবী কীট ধ্বংস করে। 🪱
  • অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ: অ্যালার্জির সময়, ইউসিনোফিল হিস্টামিন এবং লিউকোট্রিনের মতো পদার্থ নিঃসরণ করে প্রদাহ কমায় এবং অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
  • প্রদাহ হ্রাস: এটি প্রদাহ সৃষ্টিকারী পদার্থগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।🔥
  • টিস্যু মেরামত: ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু মেরামতের ক্ষেত্রেও ইউসিনোফিলের কিছু ভূমিকা আছে। 🩹

ইউসিনোফিলের কার্যাবলী Summary:

কার্যকারিতা ভূমিকা
পরজীবী সংক্রমণ প্রতিরোধ পরজীবীর উপর আক্রমণ করে তাদের ধ্বংস করা।
অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী উপাদান নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করা।
প্রদাহ হ্রাস প্রদাহ সৃষ্টিকারী পদার্থ নিষ্ক্রিয় করা।
টিস্যু মেরামত ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় সাহায্য করা।

ইউসিনোফিলের মাত্রা 📊

রক্তে ইউসিনোফিলের স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত 0-500 কোষ/মাইক্রোলিটার। এই মাত্রা বেড়ে গেলে বা কমে গেলে তা স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।

অতিরিক্ত ইউসিনোফিলের কারণ ➕

  • অ্যালার্জিক রোগ (যেমন: অ্যাজমা, অ্যালার্জিক রাইনাইটিস)। 🤧
  • পরজীবী সংক্রমণ। 🐛
  • কিছু ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। 💊
  • ত্বকের রোগ (যেমন: একজিমা)। dermatological diseases
  • ক্যান্সার । 🎗️

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ✅

ইউসিনোফিল অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়ক হলেও, এর অতিরিক্ত সক্রিয়তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই, ইউসিনোফিলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।🩺

আরও জানতে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। 👨‍⚕️👩‍⚕️

ধন্যবাদ 🙏

Option A Explanation:
  • নিউট্রোফিল: নিউট্রোফিল হলো একটি ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করার জন্য দায়ী।
  • এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যেখানে এটি ক্ষতিকর জীবাণু বা মৃত কোষগুলোকে শোষণ করে এবং ধ্বংস করে।
  • নিউট্রোফিলের এই কার্যকলাপ ইমিউন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
Option B Explanation:
  • লিম্ফোসাইট: এটি একটি ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে এবং দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • লিম্ফোসাইটের প্রধান কাজ হলো ইনফেকশন ও রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা প্রদান করা।
  • এই কোষগুলো প্রধানত লিম্ফ নোড, স্প্লিন, থাইমাস গ্ল্যান্ড এবং রক্তে পাওয়া যায়।
  • তাদের মধ্যে দুটি প্রধান ধরনের হলো B-লিম্ফোসাইট এবং T-লিম্ফোসাইট, যারা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিরক্ষা কার্য সম্পাদন করে।
  • লিম্ফোসাইটের মধ্যে হেপারিন উপস্থিত থাকলেও, এটি প্রধানত অন্য কোষে বেশি দেখা যায়।
Option C Explanation:

লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cells)

  • আকার ও গঠন: ছোট, রঙিন, গোলাকার বা অর্ধচন্দ্রাকার আকারের কোষ।
  • দৈর্ঘ্য: সাধারণত প্রায় 6-8 মাইক্রোমিটার দীর্ঘ, যা অন্যান্য কোষের তুলনায় বেশ ছোট।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: হিমোগ্লোবিন ধারণ করে, যা রক্তের লাল রঙ প্রদান করে এবং অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • উদ্দেশ্য: শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সরবরাহ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ফিরিয়ে নিয়ে আসার কাজ করে।
Option D Explanation:
  • ইউসিনোফিল: হেপারিন সংরক্ষণ করে এমন শ্বেত রক্তকণিকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
  • এটি মূলত অ্যালার্জি প্রতিরোধ এবং পরজীবী সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
  • ইউসিনোফিলের মধ্যে হেপারিনের উপস্থিতি রক্তের ক্ষরণের সময় রক্ত জমাট বাঁধানো প্রতিরোধ করে।
  • এটি সাধারণত অ্যালার্জি রিয়্যাকশন এবং অ্যানাফাইল্যাক্সিসের সময় সক্রিয় হয়।
Option E Explanation:
  1. অণুচক্রিকা (Ciliary Body):
  2. অণুচক্রিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা চোখের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অংশ।
  3. এটি চোখের মধ্যে অবস্থিত এবং চোখের লেন্সের পেছনের পাশে থাকে।
  4. অণুচক্রিকা মূলত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত: সিলিয়ারী প্লেট এবং সিলিয়ারী অ্যাকিউটেন্স।
  5. এর প্রধান কাজ হলো চোখের লেন্সের আকৃতি নিয়ন্ত্রণ করে দৃষ্টির মান উন্নত করা।
  6. অণুচক্রিকা বিভিন্ন ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত, যার মধ্যে সেলুলার স্তর ও পেশী কোষ রয়েছে।
  7. এটি চোখের স্বাভাবিক কার্যকলাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।