কোনটি করোটিকা স্নায়ু জিহ্বার সঞ্চালন ঘটায়?
সঠিক উত্তরঃ
D.
হাইপোগ্লোসাল
Explanation:

Another Explanation (5):
জিহ্বার সঞ্চালনে করোটিকা স্নায়ু: হাইপোগ্লোসাল স্নায়ুর ভূমিকা 👅
জিহ্বা আমাদের কথা বলা 🗣️, খাবার চিবানো 嚼 এবং গিলতে 🤤 গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই জটিল কাজটি সম্পাদনের জন্য বেশ কয়েকটি স্নায়ু কাজ করে, যার মধ্যে অন্যতম হলো হাইপোগ্লোসাল স্নায়ু (Hypoglossal nerve)।
হাইপোগ্লোসাল স্নায়ু (XII): সংক্ষিপ্ত বিবরণ
- অবস্থান: এটি ১২তম করোটিকা স্নায়ু (Cranial nerve XII)।
- প্রকার: এটি একটি বিশুদ্ধ মোটর স্নায়ু। অর্থাৎ, এটি শুধুমাত্র মস্তিষ্কের সংকেত জিহ্বার পেশীগুলোতে পরিবহন করে, কোনো সংবেদী তথ্য পরিবহন করে না।
- কাজ: জিহ্বার প্রায় সমস্ত ঐচ্ছিক নড়াচড়া (Voluntary movement) নিয়ন্ত্রণ করে।
জিহ্বার সঞ্চালনে হাইপোগ্লোসাল স্নায়ুর ভূমিকা
হাইপোগ্লোসাল স্নায়ু জিহ্বার নিম্নলিখিত সঞ্চালনগুলো ঘটায়:
- প্রোট্রুশন (Protrusion): জিহ্বাকে মুখের বাইরে বের করা। 😛
- রিট্রাকশন (Retraction): জিহ্বাকে মুখের ভেতরে টেনে আনা।
- elevates the hyoid bone and larynx
- পার্শ্বীয় নড়াচড়া (Lateral movement): জিহ্বাকে একপাশ থেকে অন্যপাশে সরানো। 😜
- আকৃতি পরিবর্তন (Shape changing): কথা বলা ও খাবার গেলার সময় জিহ্বার আকার পরিবর্তন করা।
হাইপোগ্লোসাল স্নায়ুর দুর্বলতা বা ক্ষতি (Lesion)
হাইপোগ্লোসাল স্নায়ুর কোনো কারণে ক্ষতি হলে জিহ্বায় নিম্নলিখিত সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে:
- জিহ্বার প্যারালাইসিস (Paralysis): জিহ্বা দুর্বল হয়ে যেতে পারে বা একেবারেই নড়াচড়া করতে না পারা। 😫
- ডিসারথ্রিয়া (Dysarthria): articulatory problems. 🗣️ কথা বলতে অসুবিধা হওয়া।
- ডিসেফিজিয়া (Dysphagia): খাবার গিলতে অসুবিধা হওয়া। 😖
- জিহ্বার অ্যাট্রোফি (Atrophy): জিহ্বার পেশী শুকিয়ে যাওয়া।
- ফ্যাসিকুলেশন (Fasciculation): জিহ্বায় অনৈচ্ছিক ঝাঁকুনি বা কাঁপুনি হওয়া।
- Affected speech and swallowing
অন্যান্য করোটিকা স্নায়ু যারা জিহ্বাকে প্রভাবিত করে:
| স্নায়ুর নাম | কাজ |
|---|---|
| ফেসিয়াল নার্ভ (VII) | স্বাদ গ্রন্থি থেকে সংবেদ গ্রহণ (anterior 2/3 taste)。 |
| গ্লোসোফ্যারিঞ্জিয়াল নার্ভ (IX) | জিহ্বার পশ্চাৎভাগের স্বাদ ও সংবেদ গ্রহণ (posterior 1/3 taste & sensation) এবং গিলতে সাহায্য করা। |
| ভেগাস নার্ভ (X) | গিলতে সাহায্য করা এবং কিছু স্বাদের অনুভূতি গ্রহণ করা। |
সুতরাং, যদিও অন্যান্য করোটিকা স্নায়ুও জিহ্বার কিছু কাজ সম্পাদনে সাহায্য করে, তবে জিহ্বার প্রধান সঞ্চালন এবং নড়াচড়ার জন্য হাইপোগ্লোসাল স্নায়ু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। 👍
Option A Explanation:
- অ্যাবডুসেন্স: এটি একটি স্পর্শ বা স্নেহের স্নায়ু, যা সাধারণত ত্বকের বিভিন্ন অংশ থেকে সংকেত প্রেরণ করে।
- এটি মূলত সংবেদনশীল স্নায়ু, যা পরিবেশের স্পর্শ, চাপ, এবং অন্যান্য সংবেদনশীল অনুভূতিগুলি মস্তিষ্কে পাঠায়।
- অ্যাবডুসেন্স স্নায়ু একটি প্রধান সেন্সরি ন্যুরন, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে সংবেদনশীলতা প্রদান করে।
- এটি সাধারণত ত্বক, মুখ, এবং অন্যান্য সংবেদনশীল অংশের মধ্যে বিস্তার লাভ করে।
- শারীরিক সংবেদনশীলতা ও অনুভূতি প্রক্রিয়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation:
- ফ্যাসিয়াল নিউরন (Facial Nerve): এটি ক্র্যানিয়াল ন্যায়ু VII (Cranial Nerve VII) হিসেবে পরিচিত।
- প্রধান কার্যাবলী: মুখের পেশীসমূহের মোটর ইনপুট প্রদান করে এবং স্বাদ সংবেদন, জল চোখের নিঃসরণ, ও অন্যান্য কাজের জন্য দায়ী।
- অংশ: এটি প্রধানত পেশীসমূহের জন্য মোটর শাখা, তবে কিছু সেন্সরি ও স্বাদ শাখাও রয়েছে।
- অবস্থান: এটি ব্রেনস্টেমের পিছে ও কলারোয়েড হাড়ের মধ্যে অবস্থিত।
- সংযোগ: মুখের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে বিভিন্ন শাখা দিয়ে বিভক্ত হয়, যেমন গাল, চোখ, মুখের পেছনে।
Option C Explanation:
ভেগাস (Vagus) নার্ভের ব্যাখ্যা
- ভেগাস নার্ভ: এটি ক্রেনিয়াল নার্ভের একটী প্রধান নার্ভ যা ক্রেনিয়াল নার্ভের দশম (X) নম্বর।
- অবস্থান: এটি মস্তিষ্কের বেস থেকে শুরু হয়ে মাথা, গলা, এবং পেটের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে প্রসারিত হয়।
- কার্য: এটি স্বয়ংক্রিয় (অটোনমিক) নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী, যেমন হার্টের হার, শ্বাসপ্রশ্বাসের কার্যক্রম, হজম প্রক্রিয়া ইত্যাদি।
- প্রভাব: ভেগাস নার্ভের কার্যপ্রণালী শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে, বিশেষ করে parasympathetic nervous system এর অংশ।
- প্রধান ভূমিকা: এটি ভেতরের অঙ্গের স্বয়ংক্রিয় কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন হৃৎপিণ্ডের গতি কমানো, হজমশক্তি বৃদ্ধি, এবং অন্যান্য অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্রম রক্ষা করা।
Option D Explanation:
হাইপোগ্লোসাল
- হাইপোগ্লোসাল হলো একটি ক্ষুদ্র গ্রন্থি যা মস্তিষ্কের তলদেশে অবস্থিত।
- এটি হরমোন নিঃসরণ করে, যেমন ট্রোফিক হরমোন, যা অন্যান্য গ্রন্থির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রধানত এটি শরীরের বিপাকীয় হার, বৃদ্ধি, এবং অন্যান্য শারীরিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- মানবদেহের হৃৎপিণ্ডে সরাসরি কোনও স্নায়ু বিস্তার করে না, তবে এটি হরমোনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে প্রভাব ফেলে।