মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

‘কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া’ ঘটায় কোন জীবাণু?

A. Plasmodium falciparum
B. Plasmodium ovale
C. Plasmodium malariae
D. Plasmodium vivax
Poster Download
JUUnit-DSet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে ব্যারোরিসেপ্টরের ভূমিকা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. Plasmodium malariae
Explanation: Plasmodium malariae কোয়ার্টান ম্যালেরিয়ার কারণ। Option A: Plasmodium falciparum - ভুল, এটি মারাত্মক ম্যালেরিয়া ঘটায়। Option B: Plasmodium ovale - ভুল, এটি অন্যান্য ধরনের ম্যালেরিয়া ঘটায়। Option C: Plasmodium malariae - সঠিক, এটি কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া ঘটায়। Option D: Plasmodium vivax - ভুল, এটি ভিভাক্স ম্যালেরিয়া ঘটায়। নোট: কোয়ার্টান ম্যালেরিয়ায় প্রতি চারদিন অন্তর জ্বর আসে।
Another Explanation (5): ```html

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া: একটি একাডেমিক আলোচনা 🔬

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়া Plasmodium malariae নামক একটি পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটি ম্যালেরিয়ার চারটি প্রধান প্রকারের মধ্যে একটি, যা মানুষকে সংক্রমিত করে। এই ম্যালেরিয়া তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায়, তবে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। 🤔

Plasmodium malariae: পরজীবীটির পরিচিতি 🦠

  • বৈজ্ঞানিক নাম: Plasmodium malariae
  • শ্রেণী: Apicomplexa
  • বাহক: অ্যানোফিলিস মশা (Anopheles mosquito) 🦟
  • আক্রান্ত অঙ্গ: রক্তকোষ (RBC) এবং যকৃত (Liver)

কোয়ার্টান ম্যালেরিয়ার বৈশিষ্ট্য 📊

বৈশিষ্ট্য বিবরণ
জ্বরের ধরন প্রতি ৭২ ঘণ্টা পর পর জ্বর আসে (অর্থাৎ, প্রতি চতুর্থ দিনে)। 🔥
ইনকিউবেশন পিরিয়ড ১৮-৪০ দিন (অন্যান্য ম্যালেরিয়ার চেয়ে দীর্ঘ)। ⏳
জটিলতা নেফ্রোটিক সিনড্রোম (Nephrotic Syndrome) হওয়ার ঝুঁকি বেশি। কিডনির সমস্যা হতে পারে। 😥
চিকিৎসা ক্লোরোকুইন (Chloroquine) অথবা আর্টিমিসিনিন কম্বিনেশন থেরাপি (ACT)।💊
বিস্তৃতি আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও এশিয়ার কিছু অংশে দেখা যায়। 🌍

রোগের লক্ষণসমূহ 🤒

  1. কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা 🥶
  2. মাথাব্যথা 🤕
  3. বমি বমি ভাব 🤢
  4. শারীরিক দুর্বলতা 😫
  5. জ্বর কমে যাওয়ার পর দুর্বল লাগা

রোগ নির্ণয় পদ্ধতি 🧪

  • রক্ত পরীক্ষা (Blood Smear): মাইক্রোস্কোপের নিচে পরজীবী শনাক্ত করা হয়। 🔬
  • র‍্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট (RDT): দ্রুত রোগ নির্ণয়ের জন্য অ্যান্টিজেন সনাক্তকরণ করা হয়। ⏱️
  • পিসিআর (PCR): Plasmodium malariae এর ডিএনএ (DNA) সনাক্ত করা হয়।🧬

প্রতিরোধের উপায় 🛡️

  • মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করা। 🦟❌
  • মশারী ব্যবহার করা। 🛌
  • জলাশয় পরিষ্কার রাখা, যাতে মশা বংশবৃদ্ধি করতে না পারে। 🏞️🧹
  • প্রতিরোধমূলক ওষুধ সেবন (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)। 💊✔️

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

Plasmodium malariae দ্বারা সৃষ্ট ম্যালেরিয়া অন্যান্য ম্যালেরিয়ার তুলনায় কম মারাত্মক হলেও, সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে এটি জটিল রূপ নিতে পারে। তাই, জ্বর হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 🙏

আরও জানতে, আপনার স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। 🏥

সুস্থ থাকুন! 😊

```
Option A Explanation:
  • প্রকার: একপ্রকার পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
  • অবস্থান: মানবদেহে ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী
  • বিশেষত্ব: এই পরজীবীটি সবচেয়ে গুরুতর ও মারাত্মক ধরনের ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: ইঁদুর বা মাছি (Anopheles mosquito) এর মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
  • প্রজনন ও জীবনচক্র: মানুষের রক্তে বাস করে এবং লিভার কোষে প্রজনন করে।
  • উপসর্গ: জ্বর, কাঁপুনি, মাথা ব্যথা, শরীরের দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
  • বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই পরজীবীটি অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় বেশি মারাত্মক এবং দ্রুত সংক্রমণ ঘটায়।
Option B Explanation:
  • Plasmodium ovale একটি প্রোটজোয়া পরজীবী যা সাধারণত মানুষের দেহে ম্যালেরিয়া সৃষ্টি করে না।
  • এটি মূলত অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়।
  • এটি মানুষের দেহে ইনফেকশন ঘটাতে সক্ষম হলেও, সাধারণত এটি খুব কম ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব বেশি গুরুতর রোগ সৃষ্টি করে না।
  • ইনফেকশন হলে এর লক্ষণগুলি সাধারণত হালকা হয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে সহজে নিরাময় হয়।
  • অন্য সাধারণ ম্যালেরিয়া পরজীবীদের মতো, এটি রক্তের লোহিত কণিকা আক্রমণ করে না বা মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করে না।
Option C Explanation:
  • নাম: Plasmodium malariae
  • প্রকার: পরজীবী প্রোটোজোয়া (প্রোটোজোয়া পরজীবী)
  • সংক্রান্ত রোগ: মালেরিয়া (Malaria)
  • প্রভাব: রক্তের লোহিত রক্তকণিকা আক্রান্ত করে, জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়
  • প্রজনন: মানসিক মধ্যবর্তী পরজীবী (অ্যামাইবোসিস বা অন্য কিছু নয়, বরং মালেরিয়ার জন্য প্রজনন করে)
  • আবাস: মানবদেহের রক্তপ্রবাহে থাকে এবং এদের মাধ্যমে রোগ ছড়ায়
  • সংক্রমণ পদ্ধতি: এঁড়ে বা মাছি দ্বারা সংক্রমিত হয়, যখন তারা আক্রান্ত রক্তের সাথে যোগাযোগ করে
Option D Explanation:
  1. প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
  2. উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
  3. লক্ষণ:
    • অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
    • জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
    • শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
    • অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
  4. প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
  5. চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।