সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?
A.
উমিচাঁদ
B.
নারান সিং
C.
মোহনলাল
D.
মিরমদান
সঠিক উত্তরঃ
B.
নারান সিং
Explanation:
সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর নারান সিং। তিনি রাইসুল জুহালা নামে গুপ্তচরবৃত্তির কাজ করতেন।
Related Questions (Any University/Year)
- মীর মর্দান ছিলেন -
- নাটকে সংলাপের ভূমিকা- চরিত্রের অনুভূতিকে প্রকাশ করে চরিত্রকে গতিশীল ও সক্রিয় রাখে কাহিনির বিকল্প ভূমিকা পালন করেনিচের কোনটি সঠিক?
- মনসুর, অপু, তাহেরসহ মোট বারোজন মিলে নিজেদেরউন্নতির জন্য একটি সমিতি গঠনে করে। সবাই প্রতি মাসেপাঁচশ টাকা করে তাহেরের কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পরতাহের সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- জমিদার কান্ত রায়ের মৃত্যুর পর একমাত্র পুত্র হীরক রায়জমিদারি লাভ করেন। হীরক রায় বয়সে তরুণ ও সরলপ্রকৃতির মানুষ। সরলতার সুযোগ নিয়ে কাকা তপন রায়অমাত্যদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। টের পেয়েহীরক রায় কঠোর হস্তে সে ষড়যন্ত্র দমন করেন। হীরক রায় কর্তৃক ষড়যন্ত্র দমন 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়?সিরাজের কলকাতা অভিযানঘসেটি বেগমের নজরবন্দিকোম্পানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘আমার নালিশ আজ আমার নিজের বিরুদ্ধে' বলতেনবাব বোঝাতে চেয়েছেন—
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিনধি কেন সিপাহসালারের সাথে দেখা করতে এসেছিলেন?
- আসল চিঠি গায়েব করেছে কে?
- "শওকত জঙ্গ নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্য হাসিল হবে।"- কেন?
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনীতিতে, শাসনকার্যে সর্বদাই তিনি ছিলেন আপোষহীন। সুষ্ঠু গণতন্ত্রের স্বার্থে অত্যাচারী, শোষণকারী, স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন আজীবন। ১৯৫২২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ সর্বোপরি ১৯৭১ সনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মৌলিকত্ব অনস্বীকার্য। তাঁর সঠিক নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলাদেশ' নামক রাষ্ট্রের জন্ম। অথচ দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস ও উদারতার সুযোগ নিয়ে এদেশের বসবাসকারী পাকিস্তানিদের দোসররা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকড় গেড়ে বসে। সেই ষড়যন্ত্রের চরম পরিণতি ঘটে ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যার মাধ্যমে।'উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলা চরিত্রের সাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়" কে কী প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
- শেক্সপিয়রের নাটক 'ম্যাকবেথে' রাজা ডানকানকে সেনাপতি ম্যাকবেথ নিমন্ত্রণ করেন। ভোজশেষে রাজা ঘুমাতে গেলে লেডি ম্যাকবেথের প্ররোচনায় নিজে রাজা হওয়ার আশায় ডানকানকে হত্যা করেন ম্যাকবেথ।উদ্দীপকের ম্যাকবেথ ও লেডি ম্যাকবেথ চরিত্র দুটি 'সিরাজউদ্দৌলার' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে কতটুকু মেলে?
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে আমিনার স্বামীর নাম কী?
- সম্রাট আকবরের সভাসদ ছিলেন আবুল ফজল। সম্রাট সাম্রাজ্য পরিচালনার সব বিষয়েই তার সভাসদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। একবার পারস্য সম্রাট আবুল ফজলকে প্রস্তাব দেন যে, 'সে'যদি ভারতবর্ষের নানা গোপনীয় তথ্য পারস্যে পাচার করে, তাহলে তাকে অনেক ধনসম্পদ দেওয়া হবে। আবুল ফজল ঘৃণাভরে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, আমি আমৃত্যু ভারত সম্রাটের হয়ে কাজ করব।"উদ্দীপকের আবুল ফজলের মতো বিশস্ত মানুষ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও ছিল।"- নাটকের প্রাসঙ্গিক চরিত্র বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত উপস্থাপন করো।
- জগৎশেঠ' শব্দের অর্থ কী?
- "নিজগৃহপথ, তাত দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?"উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটি প্রতিনিধিত্ব করে?
- 'ছৈলারচর' বিষখালী নদীর মোহনায় জেগে ওঠা চর। পলিতে উর্বর চরের ভূমি। এলাকার বৈলাম মল্লিক চরের ভূমি দখলের লোভ সামলাতে পারল না। কিন্তু এলাকার সমাজসেবক জমিদারের বিরুদ্ধে লড়বে কে? বৈলাম গোপনে সখ্য করেন জমিদারের দূর-সম্পর্কের জ্ঞাতি ভাই পিলু' সিকদারের সাথে। তার সহায়তায় বৈলাম মল্লিক এবং তার চাটুকার বাহিনী চর দখল করে। এখন বৈলামের নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়া ও নেতৃত্বের দাপট দেখানোর সময়। সে পিলু সিকদারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছাড়া ছৈলারচরের দায়িত্ব গ্রহণে অনীহা দেখায়। এভাবে নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চরটি জমিদারের নেতৃত্ব হারায়।উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের করুণ পরিণতির আংশিক ছায়াচিত্র।"- মতামত বিশ্লেষণ করো।
- বীথি ও সাথী দুই বোন। দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে বীথি যখন দেশে ফিরল তখন তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে বাবা তার সম্পত্তির কিছু অংশ সাথীকে দান করে যান। এই নিয়ে বীথি ভীষণ গোলযোগ সৃষ্টি করে। সে মনে করে বৃদ্ধ পিতাকে ভুলিয়ে সাথী সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে। সম্পত্তির জন্য সে ভয়ংকর হয়ে ওঠে এবং সাথীর কলেজপড়ুয়া ছেলের পেছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়।উদ্দীপকের বীথি ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগম চরিত্রের তুলনা করো।
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপ-চারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীল চাষে বাধ্য করা, নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম, নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ। প্রজা পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীন মাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীন মাধব মৃত্যুবরণ করে। 'অবস্থানগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও নবীন মাধব এবং সিরাজউদ্দৌলার জীবন একই সূত্রে গাঁথা।'- মতামতসহ তোমার অবস্থান তুলে ধরো।
- যুদ্ধক্ষেত্রে সাদা নিশান ওড়ানো হয় কেন?