রোহিনী-বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?
A. বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন
B. কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবি
C. দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ
D. কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
সঠিক উত্তরঃ
D.
কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
Explanation: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভ্রমর, রোহিণী, হরলাল ও গোবিন্দলাল; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘চোখের বালি’র প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র ও বিনোদিনী; শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘চরিত্রহীন’ এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সতীশ, সাবেত্রী, কিরণময়ী ও দিবাকর।
Related Questions (Any University/Year)
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'জগত্তারিণী' স্বর্ণপদক লাভ করেন?
- ’বিলাসী’ গল্পে উনিশ শতকের যে সমাজ সংস্কারকের উল্লেখ আছে তাঁর নাম-
- কুম্ভকর্ণ কে?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিলাসী' গল্পের আংশিক প্রতিচ্ছবি।"- মূল্যায়ন করো।
- মরিয়ম শহরের একটি হাসপাতালে চাকরি করেন। হাসপাতালের দায়িত্ব শেষ করে গ্রামে ফিরতে প্রায়ই তার রাত হয়, এমনকি রোগীর দেখাশোনার জন্য মাঝে মাঝে। তাকে রাতে হাসপাতালে থাকতে হয়। গ্রামের কিছু মানুষ রাত করে বাড়ি ফেরা এবং বাড়ির বাইরে রাতে থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারে না'। তারা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মরিয়মকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু মরিয়ম তার প্রতিবাদ করেন, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। এই অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বলা যায় যে মরিয়ম ও বিলাসী উভয়েই- প্রতিবাদী নারী সভা কুসংস্কারের শিকারকরুণ পরিণতির শিকার নিচের কোনটি সঠিক?
- শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা কোনটি?
- 'বিলাসী' গল্পটি কার জবানিতে বিবৃত হয়েছে?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ ক??েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল।(কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)"মনোরঞ্জন যেন 'বিলাসী' গল্পের খুড়ারই প্রতিচ্ছবি।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।
- ' গ্রামের মধ্যে মৃত্যুন্জ্ঞয়ের ছিল এমনি সুনাম।' এখানে 'সুনাম' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'কবে সে থার্ড ক্লাসে উঠিয়াছিল এ খবর আমরা কেহই জানিতাম না'- বিলাসী গল্পে কার সম্পর্কে এ কথা বলা হয়েছে?
- 'গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম'-ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা নয়?
- উচ্চবংশীয় শিক্ষিত যুবক নীলাদ্রি ভালোবেসে বিয়েকরে নীচ বংশজাত মেয়ে শোভনাকে। রাসভারী বাবাভূপেন্দ্রনাথ এ বিয়ে মেনে নেয়নি। বরং নীলাদ্রিকেসম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছে।উদ্দীপকের ভূপেন্দ্রনাথের সাথে ‘বিলাসী' গল্পেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে?
- বিলাসী' গল্পে 'মালো' শব্দের সুনির্দিষ্ট অর্থ কী?
- 'বাবুরা, আমাকে একটিবার ছেড়ে দাও আমি রুটিগুলোঘরে দিয়ে আসি।'- বিলাসী এ কথা কেন বলেছিল? শিয়াল কুকুরে খেয়ে যাবেরোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পাবে না মৃত্যুঞ্জয় মরে যাবেনিচের কোনটি সঠিক?
- প্রেমিক আশিকুরের ভালোবাসার টানে মালয়েশিয়া থেকেছুটে এসেছেন অভিজাত বংশের কন্যা ফাতেমা বিনতে আব্দুররহমান। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর স্ত্রীকেবাড়িতে সসম্মানে নিয়ে গেছেন তিনি। এখন তারা আটপৌরেজীবন-যাপন করছেন।উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের কোন সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিতহয়েছে?
- 'সব লোকে কয় কী জাত সংসারে' এ গানে লালন ফকির মানুষের। জাত পরিচয় নিয়ে প্রশ্নউত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের, লালন সম্পর্কে এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। জন্ম-মৃত্যুর সময় সব মানুষ তো একইভাবে আসে কিংবা যায়। তাই মানুষ জাত ও ধর্ম ভেদে যে। ডিন্নতার কথা বলে, লালন তা বিশ্বাস করেন না। লালনের মতে, ধর্মই তথ্য তথা মনুষত্ববে সুবোধই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সেজন্য জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।উদ্দীপকের বিষয়টি 'বিলাসী' গল্পের সাম??্রিক প্রতিচ্ছবি কি না তা বিচার করো।
- অসুস্থ সুমন মিয়ার দুর্দিনে তার সব আত্মীয়স্বজন দূরে চলে যায়। তার স্ত্রী নিজের গয়না বিক্রি করে এবং সমস্ত সঞ্চয় নষ্ট করে সুমন মিয়ার ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। স্ত্রী সেবা ও ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় সুমন মিয়া সুস্থ হয়ে তার সব সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দেয়। এতে তার আত্মীয়স্বজনেরা সুমন মিয়াকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন অপবাদ প্রচার করতে থাকলে সুমন মিয়া তার স্ত্রীর ত্যাগ আর দয়ার্দ্র আচরণের কথা মনে করিয়ে দেয়।উদ্দীপকের সুমন মিয়ার স্ত্রীর সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- করোনাকালীন দুর্যোগে জনাব শিমুল চাকরি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। চরম আর্থিক সংকট এবং মানসিক চাপে তিনি শারীরিকভাবেও ভেঙে পড়েন। ফলে দুই সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালানো তাঁর জন্য কঠিন-হয়ে যায়। এই সময়ে তাঁর স্ত্রী পারুল আক্তার সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের হাল ধরেন। পাশাপাশি অসুস্থ স্বামীর সেবা করেন পরম মমতায়।"উদ্দীপকের ভাববস্তুর সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের সাদৃশ্য থাকলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।