নিচের কোন রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে কারাবরণ করতে হয়-
A. আনন্দময়ীর আগমনে
B. বিদ্রোহী
C. যৌবনের গান
D. খেয়াপারের তরুনী
সঠিক উত্তরঃ
A.
আনন্দময়ীর আগমনে
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করতেচান কেন?
- আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারা ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।এমন সাদৃশ্যে যে ভাবটি মূর্তমান-
- 'বিদ্রোহী' কবিতার কবিকে রুষে উঠেতে দেখে কী ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে যায়?
- ‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্যসংকলন?
- কবি কাকে ছাড়া আর কাউকে কুর্নিশ করেন না?
- “ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে” কে এই দামাল ছেলে?
- কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'জাগো রে কৃষাণ, সব তো গেছে, কীসের আর ভয়'— উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার যে ভাব ফুটে উঠেছে—
- মম এক হাতে বাঁকা বাশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- 'অর্ফিয়াসের বাঁশরী' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- এ কারবালার ময়দানে ইমাম হোসেন তাঁর বাহাত্তর জন সঙ্গীসহ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। শত অনুরোধ ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে তিনি সত্য ও সুন্দরের প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছেন। মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি। সকলেই যখন অর্থলোভে, রাজ্যলোভে বা মৃত্যুভয়ে ইয়াজিদের বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন, তখন তিনি একাই ইয়াজিদি শাসনের ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছেন।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্য কোন দিক থেকে?- ব্যাখ্যা করো।
- বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- কাজী নজরুল ইসলামের "বিদ্রোহী" কবিতা প্রকাশিত হয় কোন সালে?
- যার মনে মানবপ্রেম নেই, মসজিদে কিংবা মন্দিরে গিয়ে যতই ক্রন্দনরত অবস্থায় থাকুক, সৃষ্টিকর্তার প্রেম সে পাবে না, পেতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি করুণা করেন কিন্তু প্রেম সবার ললাটে জোটে না। যে ব্যক্তির হৃদয় অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব এতিম ও দূর্বলকে দেখে আপ্লুত হয় না, কষ্টে চিত্ত ব্যর্থিত হয় না; তার মনে প্রেম নেই, মায়া নেই, কোনো মমতা নেই। স্রষ্টার প্রিয়পাত্র সে হতে পারে না।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু দিবস কোনটি?
- কবি কার কুঠার দিয়ে বিশ্বকে নিষ্ক্রিয় করবেন?
- ‘বিদ্রোহী' কবিতায় কবি কাকে কুর্নিশ করেন ?
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিক কোনটি? আলোচনা করো।
- শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।আর-নয়।তিলে তিলে বাঙালির এই পরাজয়।আর করি না করি না ভয়।জয় বাংলা বাংলার জয়।"উদ্দীপকে বাঙালির জাগরণী চেতনা আর 'বিদ্রোহী' কবিতার জাগরণী চেতনা মূলত একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যৌক্তিকতা 'বিচার করো।
- "এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান"। কে কার উদ্দেশ্যে উক্তিটি করেছিলেন?