কোন প্রাণিতে মুকুলোদগম পদ্ধতির প্রজনন হয়?
SylaUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর পরিচিতিহাইড্রার জনন (Topic Practice)SylaU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
হাইড্রা
Explanation:

Another Explanation (5):
মুকুলোদগম (Budding) পদ্ধতিতে হাইড্রার প্রজনন 🌿
মুকুলোদগম হলো অযৌন প্রজনন প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় জীব তার দেহের বাইরের দিকে একটি মুকুল তৈরি করে এবং সেটি মাতৃদেহ থেকে আলাদা হয়ে নতুন জীবে পরিণত হয়। হাইড্রা নামক প্রাণীটি এই পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
মুকুলোদগম প্রক্রিয়া 🔄
- মুকুল সৃষ্টি: হাইড্রার দেহের কোনো একটি অংশে প্রথমে একটি ছোট মুকুল (bud) দেখা যায়। 👶
- বৃদ্ধি: এই মুকুলটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে এবং এর মধ্যে কোষ বিভাজন ঘটে। 🧬
- অঙ্গ গঠন: মুকুলটি যখন বড় হয়, তখন এর মধ্যেTentacle এবং অন্যান্য অঙ্গ গঠিত হতে শুরু করে।🐙
- পৃথকীকরণ: অবশেষে, মুকুলটি মাতৃদেহ থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং একটি নতুন হাইড্রা হিসেবে স্বাধীনভাবে জীবন শুরু করে।🌱
হাইড্রার মুকুলোদগমের সুবিধা ➕
- দ্রুত বংশবৃদ্ধি 🌱➡️🌱🌱
- একটিমাত্র জীবের প্রয়োজন 👤
- পরিবেশের অনুকূল পরিস্থিতি তে দ্রুত বংশবিস্তার সম্ভব 💯
হাইড্রার মুকুলোদগম: টেবিলের মাধ্যমে 📊
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| প্রজনন পদ্ধতি | অযৌন (Asexual) |
| মুকুল সৃষ্টি | দেহের বাইরের দিকে |
| নতুন জীবের গঠন | মুকুল থেকে |
| উদাহরণ | হাইড্রা 🌊 |
মুকুলোদগমের ধাপসমূহ 👣
-
ধাপ ১: হাইড্রার দেহে মুকুলের প্রাথমিক অবস্থা 🟢
- ধাপ ২: মুকুলের বৃদ্ধি এবং অঙ্গ গঠন 🟡
- ধাপ ৩: মাতৃদেহ থেকে মুকুলের আলাদা হয়ে যাওয়া 🔴
এভাবে হাইড্রা মুকুলোদগম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। 🤔
আরও জানতে এবং বিস্তারিত চিত্র দেখতে উইকিপিডিয়া অথবা জীববিজ্ঞান বইয়ের সাহায্য নিতে পারো। 📚
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি তোমাকে সাহায্য করবে! 😊
Option A Explanation:
- আবাস: সাধারণত মাটির মধ্যে বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহের মধ্যে বসবাস করে।
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: দেহে বিভিন্ন ধরণের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকে, যেমন মাথা, দেহ, বিচ্ছিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।
- উৎপত্তি: এটি একটি পরজীবী বা মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশিষ্টাংশে পরিণত হয়।
- প্রজনন: সাধারণত বিচ্ছিন্নভাবে বা অঙ্কুরের মাধ্যমে প্রজনন করে।
- অন্য বৈশিষ্ট্য: এদের দেহের গঠন সাধারণত সরু এবং দীর্ঘ, এবং এরা বিভিন্ন পরিবেশে সহজে বেঁচে থাকতে সক্ষম।
Option B Explanation:
হাইড্রা
- প্রাণী: হাইড্রা (Hydra)
- ত্রিস্তরী গঠন: হাইড্রা ত্রিস্তরী প্রাণী, অর্থাৎ এর শরীরে তিনটি স্তর থাকে।
- স্তরসমূহ:
- একটি বাহ্যিক স্তর (Ectoderm)
- মাঝের স্তর (Mesoderm)
- অভ্যন্তরীণ স্তর (Endoderm)
- অর্থ: এই ত্রিস্তরী গঠন তাকে জটিল ও কার্যক্ষম করে তোলে, যেমন চলাচল ও খাদ্য গ্রহণে সুবিধা করে।
- উপকারিতা: সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং ছোট জলজ প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
Option C Explanation:
- প্রকৃতি: আরশোলা সাধারণত একটি ছোট থেকে মাঝারি আকারের উড়ন্ত পতঙ্গ, যা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়।
- রঙ: তাদের শরীর সাধারণত বাদামী বা ধূসর রঙের হয়, তবে সবুজ রঙের প্রজাতি কিছু ক্ষেত্রে পাওয়া যায়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: আরশোলা দ্রুত দৌড়াতে সক্ষম এবং বেশ কিছু সময়ের জন্য খাবার এবং পানির উৎস খুঁজে পেতে সক্ষম।
- অর্থনীতি ও পরিবেশ: তারা বিভিন্ন পরিবেশে বাস করে এবং পরিবেশ পরিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- উপকারিতা ও ক্ষতি: কিছু প্রজাতি ক্ষতিকর হলেও, তারা প্রকৃতির চক্রের অংশ হিসেবে উপকারী হতে পারে।
Option D Explanation:
- প্রজনন প্রক্রিয়া: এ্যামিবা সাধারণত মুকুলোদগম (অ্যামিবিয়াসিস বা আউটগোয়িং) পদ্ধতিতে প্রজনন করে।
- প্রজনন পদ্ধতি: এ্যামিবা গুটি বা মুকুল তৈরি করে যা পৃথক হয়ে নতুন এ্যামিবা হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
- প্রজননের সুবিধা: এই পদ্ধতিতে দ্রুত সংখ্যা বৃদ্ধি হয় এবং আশপাশের পরিবেশের উপর নির্ভরশীলতা কম হয়।
- ব্যবহার: এই পদ্ধতিতে প্রজনন করে এ্যামিবা তাদের পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে সক্ষম হয়।