'অপরিচিতা' গল্পে বিয়ের অনুষ্ঠানে গয়না মাপার মধ্যে দিয়ে কী প্রকাশ পেয়েছে?
A.
সংকীর্ণতা
B.
চতুরতা
C.
হীনম্মন্যতা
D.
বিশ্বাসহীনতা
সঠিক উত্তরঃ
C.
হীনম্মন্যতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনার পাঠ শেষ করতে করতেই আমার বোনের অনেক বয়স হয়ে যায়। তিন তিনবার তার বিয়ের সম্বন্ধ ভেঙ্গে যাবার পর কেমন যেন হতাশ হয়ে পড়ি। একদিন তাকে ডেকে বলি, 'সানজিদা, কাল বাসায় একটি নতুন বরপক্ষ তোকে দেখতে আসবে।' শুনে ওর চেহারা কঠিন হয়ে ওঠে, 'তুই শুধু শুধু ব্যস্ত হচ্ছিস তপন, প্রতিবন্ধীদের নিয়ে আমার যা কাজ তা জীবনভর শেষ হবার নয়।'উদ্দীপকটিতে 'অপরিচিতা' গল্পের মূলবক্তব্য কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে?
- ‘দারোগা বাবু এসে বসে আছেন বাবুর সাথে।''মাসি-পিসি' গল্পের এ বাক্যে প্রকাশ পায়- বাবুর সঙ্গে দারোগা বাবুর সম্পর্ক রয়েছে দারোগা বাবুর হুকুম পালন করতে হবেদারোগা বাবু মাসি-পিসির বিচার করতে এসেছেননিচের কোনটি সঠিক?
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআজও একসাথে থাকবইসব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিম্নের যে বিষয়টির কথা বলা হয়েছে-
- 'প্রমাণ হইয়া গেছে, আমি কেহই নই।'- ব্যাখ্যা করো।
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমকালীন ভারতবর্ষে পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সবক্ষেত্রে তৎকালীন নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন এবং অধিকারহীনভাবে দেখেছেন পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। তাঁর বিভিন্ন রচনায় তিনি নারী সমাজকে জ্ঞানচর্চা ও কর্মব্রতী, অধিকার সচেতন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় প্রলুব্ধ করতে চেয়েছেন। পরিবার ও সমাজের অপরিহার্য অর্ধেক শক্তি নারীসমাজের দুর্বল ও অবনত অবস্থার জন্য পুরুষ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আশা করেছেন।
- রামসুন্দর বাবু বনেদি ঘর পেয়ে মেয়ে বিয়ে দিতে উদ্যতহন। এক্ষেত্রে তিনি বরপক্ষ থেকে দাবিকৃত দেনাপাওনাচুকিয়ে দিয়ে মহাসাড়ম্বরে মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করেন।উদ্দীপকে ও ‘অপরিচিতা' গল্পে ফুটে উঠেছে— কুসংস্কারযৌতুকপ্রথা প্রতিবাদী চেতনানিচের কোনটি সঠিক?
- The rain started immediately after we had finished our reading- বাক্যটির সঠিক অনুবাদ কোনটি?
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত সন্তানের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- তাহার প্রার্থনা শুনিয়া আমি বলিলাম, না না আপনি এক মুহূর্তের জন্যও প্রাণনাশের আশঙ্কা করিবেন না; আপনি এই মুহূর্তে হইতে স্বাধীন; এই বলিয়া পথের স্বরূপ, সহস্র স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি তাহার হস্তে দিয়া বলিলাম, আপনি অবিলম্বে প্রস্থান করুন এবং স্নেহাস্পদ পরিবারবর্গের সঙ্গে মিলিত হইয়া সংসার যাত্রা করুন। আপনাকে ছাড়িয়া দিলাম। এ জন্য আমার উপর খলিফার মর্মান্তিক ক্রোধ ও দ্বেষ জন্মিবে, তাহাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু যদি আপনার প্রাণ রক্ষা করিতে পারি, তাহা হইলে সে জন্য অণুমাত্র দুঃখিত হইব না। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোন চরিত্র উদ্দীপকের বক্তার বিপরীতধর্মী আচরণ করেছে? তা ব্যাখ্যা করো।
- 'অপরিচিতা' গল্পে কাকে গজানের ছোট ভাই বলা হয়েছে?
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায়বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয় টাকা শোধ করিয়া দিব। রায়বাহাদুর বলিলেন, টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি অপরিচিতা গল্পের একমাত্র বিষয় নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- নিবেদিতা তার স্বামী প্লাবনসহ বইয়ের দোকানে এসে অবাক হলেন। ফোনে নিবেদিতা বই বিক্রেতাকে বইয়ের নাম, সংখ্যা, প্রকাশনী, কমিশন এবং সরবরাহের তারিখ প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত সব বলে দিয়েছিলেন। কিন্তু দোকানদার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বই সরবরাহের ন্যূনতম প্রস্তুতিও নেননি। একপর্যায়ে দোকানদার প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করলে নিবেদিতা মোবাইল থেকে প্রমাণ উপস্থাপন করলেন। প্লাবনের অনুরোধে নিবেদিতা দোকানদারের সাথে আর তর্কে জড়ালেন না। উদ্দীপকের প্লাবন ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মধ্যে সাযুজ্য নির্ণয় করো।
- অপরিচিতা গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- "আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের কোনো বিরোধ নেই।"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন ?
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।দৃঢ়তার অভাবে রফিক নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে চাচার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে এ সিদ্ধান্তের সাথে তুমি কি একমত?
- অপাদমস্তক স্বার্থন্ধ মানুষ সমীরণ বাবু। নিজের স্বার্থ আদায়ে তিনি সিদ্ধহস্ত। একমাত্র ছেলের বিয়েতে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তিনি তার শিক্ষিত ও যোগ্য ছেলের বিয়েতে কন্যাপক্ষের কাছে থেকে মোটা অঙ্কের যৌতুক চান। সবকিছুই ঠিক ছিল- সুন্দরী কনে, কনের গহনা, পণের টাকা, নিমন্ত্রণ করা। কিন্তু গোল বাধল বিয়ের সভাতে। অর্থলোভী সমীরণ বাবু যৌতুক নিয়ে বাড়াবাড়ি এবং আপত্তিকর কিছু আচরণ করে বিয়ে ভেঙে দিতে চায়। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে তাঁর আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ছেলে টিটন বেঁকে বসে। আজন্ম বাধ্যগত ছেলে টিটন তখন বাবার হীনমানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলে, সে কেনাবেচা করতে আসেনি; কাউকে অপমান করতেও আসেনি; একজনকে জীবনসঙ্গী করতে এসেছে। তাই বিয়ে করে তাকে নিয়েই বাড়ি ফিরবে।উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের বক্তব্যকে কতটা ধারণ করতে পেরেছে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- কোনগুলো উষ্মবর্ণ?
- 'ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই।' উক্তিটি-
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীকে আশীর্বাদ করতে যায় -