রক্তনালিতে রক্ত জমাট বন্ধ না হওয়ার জন্য দায়ী কোনটি?
সঠিক উত্তরঃ
C.
হেপারিন
Explanation:
Another Explanation (5):
রক্তনালিতে রক্ত জমাট বন্ধ না হওয়ার জন্য দায়ী কারণ
রক্ত জমাট বন্ধ হওয়া বা ক্লট formation প্রতিরোধে শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া কাজ করে থাকে। এই প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো হেপারিন।
হেপারিনের ভূমিকা 🩸
হেপারিন হলো একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-কোয়াগুল্যান্ট (anticoagulant) যা রক্তের জমাট বাঁধা প্রক্রিয়া (coagulation process) নিয়ন্ত্রণ করে। এটি রক্তের মধ্যে ক্লট গঠনের প্রক্রিয়াকে বাধা দেয় বা দেরি করে।
কীভাবে হেপারিন কাজ করে? 🧬
- হেপারিন ফ্যাক্টর Xa এবং থ্রোমবিন (thrombin) এর সক্রিয়তা কমায়।
- এটি রক্তের ক্লট গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপাদানের ক্রিয়াকলাপ হ্রাস করে।
- এতে করে রক্তের জমাট বাঁধা দ্রুত হয় না বা সম্পূর্ণই বন্ধ হয়ে যায়।
তালিকা: রক্তের জমাট বাধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদানসমূহ ও হেপারিনের কার্যকলাপের তুলনা
| উপাদান বা প্রক্রিয়া | ভূমিকা |
|---|---|
| ফ্যাক্টর Xa ও থ্রোমবিন | রক্তের জমাট বাঁধা প্রক্রিয়ায় কার্যকর |
| হেপারিন | অ্যান্টি-কোয়াগুল্যান্ট, জমাট বাঁধা রোধ করে |
অতএব, হেপারিন রক্তের জমাট বাঁধা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যার ফলে রক্তনালিতে রক্ত জমাট বন্ধ হয় না বা খুবই ধীরগতিতে হয়।
Option A Explanation:
- কোলেসিস্টোকাইনিন: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা প্রধানত ক্ষুধা ও পাচনতন্ত্রের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
- প্রধানত এর কাজ হল পিত্তথলির সংকোচন ঘটানো, যা পিত্তরসকে ক্ষরণ করে ডাইজেস্টিভ সেক্রেশনকে সহায়তা করে।
- এছাড়াও, কোলেসিস্টোকাইনিন লিভার থেকে পিত্তরসের নিঃসরণ বাড়ায় এবং খাবারের চর্বির হজমে সহায়ক হয়।
- মূলত, খাবার মুখে পৌঁছানোর পরে কোলেসিস্টোকাইনিন নিঃসৃত হয় এবং এটি পিত্তরসের মুক্তির জন্য দায়ী।
Option B Explanation:
হিস্টামিনের ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক রাসায়নিক উপাদান: হিস্টামিন একটি প্রাকৃতিক রাসায়নিক উপাদান যা শরীরের বিভিন্ন সেল থেকে নিঃসরণ হয়।
- প্রধান কার্য: এটি মূলত অ্যালার্জি প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে এবং বিভিন্ন ধরণের প্রদাহ ও রক্তনালির সুপ্ততা নিয়ন্ত্রণ করে।
- রক্তনালী প্রসারিত করে: হিস্টামিন রক্তনালীগুলিকে প্রসারিত করে, ফলে রক্তপ্রবাহ বাড়ে এবং প্রদাহজনিত লক্ষণ দেখা দেয়।
- অ্যান্টিহিস্টামিনের কার্য: হিস্টামিনের কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণে অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ ব্যবহৃত হয়, যা অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়ক।
- অন্য প্রভাব: এটি গ্ল্যান্ডস থেকে অস্থায়ীভাবে সেরোটোনিন ও অন্যান্য রসায়ন নিঃসরণে সহায়তা করে, যা শরীরের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী।
Option C Explanation:
হেপারিনের ব্যাখ্যা
- প্রকার: অ্যাণ্টি-কোয়াগুল্যান্ট বা রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধকারী
- প্রয়োগ: রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ডেথে বা বৃহৎ অস্ত্রোপচারের সময়
- কাজের পদ্ধতি: এটি অ্যান্টি-থ্রম্বিন III এর কার্যকারিতা বাড়িয়ে থ্রম্বিন (প্রোটিন কাইনেস) এর কাজ বন্ধ করে দেয়, ফলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়
- প্রকারভেদ: মূলত হেপারিনের বিভিন্ন ধরন আছে: এনজাইমেটিক হেপারিন, আনঅ্যাজমেটিক হেপারিন, ফ্যাক্টর এক্স a ইনহিবিটার ইত্যাদি
- উপকারিতা: দ্রুত কাজ করে, ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়, এবং সাধারণত হাসপাতালে ব্যবহৃত হয়
- প্রতিক্রিয়া ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: হেপারিনের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে হেমোরাজ বা হেপারিনের ইনজেকশন সংক্রান্ত রক্তপাত হতে পারে, এছাড়াও হেপারিন-প্রেরিত আইএনএস বা হেপারিনের অ্যালার্জির সম্ভাবনা থাকে
Option D Explanation:
- এন্টারোকাইনিন হলো একটি ধরনের পেপটাইড হরমোন যা অন্ত্রের টিস্যু দ্বারা উৎপন্ন হয়।
- এটি মূলত পেটের ক্ষুধা বৃদ্ধি, পাচনতন্ত্রের গতি এবং সত্ত্বা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- এন্টারোকাইনিন পেপটাইড গ্যাস্ট্রিক সেক্রেশন এবং পেটের বিভিন্ন কার্যকলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এটি বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সংকেত পাঠানোর মাধ্যমে পাচন প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- এন্টারোকাইনিনের কার্যক্রমের মাধ্যমে অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় থাকে এবং হজম প্রক্রিয়া সুসংহত হয়।