মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

F2 জনুতে ১২:৩:১ ফিনোটাইপিক অনুপাত প্রাপ্তির কারণ-

A. অসম্পূর্ণ প্রকটতা
B. ঘাতক জিন
C. পরিপূরক জিন
D. এপিস্ট্যাসিস
Poster Download
JUUnit-DSet-3জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনমেন্ডেলের সূত্র ও ব্যতিক্রম (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. এপিস্ট্যাসিস
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: F2 প্রজন্মে ১২:৩:১ ফিনোটাইপিক অনুপাত পাওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। এটি এপিস্ট্যাসিসের ফলে ঘটে। অপশন বিশ্লেষণ: Option A: অসম্পূর্ণ প্রকটতা - ভুল, এটি ফিনোটাইপে প্রভাব ফেলে না। Option B: ঘাতক জিন - ভুল, এটি একটি ভিন্ন জিনগত সম্পর্ক। Option C: পরিপূরক জিন - ভুল, এটি দুই জিনের পারস্পরিক প্রভাব। Option D: এপিস্ট্যাসিস - সঠিক, এটি একটি জিন অপর জিনের কার্যকে দমন করে। নোট: এপিস্ট্যাসিস হলো একটি জটিল জিনগত ক্রিয়া যা ফিনোটাইপিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
Another Explanation (5):

F2 জনুতে ১২:৩:১ ফিনোটাইপিক অনুপাত: এপিস্ট্যাসিস 🧬

F2 জনুতে ১২:৩:১ ফিনোটাইপিক অনুপাতটি এপিস্ট্যাসিস নামক একটি বিশেষ ঘটনা দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়। এপিস্ট্যাসিস হলো একটি জিনের প্রভাব অন্য একটি জিনের প্রকাশকে প্রভাবিত বা মাস্ক (mask) করে দেওয়া। মেন্ডেলের বংশগতির সাধারণ সূত্রে প্রতিটি জিন স্বাধীনভাবে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, কিন্তু এপিস্ট্যাসিসে একটি জিন অন্য জিনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। 🤔

এপিস্ট্যাসিস কি?

  • এপিস্ট্যাসিস হলো একটি জিন কর্তৃক অন্য একটি জিনের ফিনোটাইপিক প্রকাশকে প্রভাবিত করার প্রক্রিয়া।
  • এখানে একটি "এপিস্ট্যাটিক জিন" অন্য একটি "হাইপোস্ট্যাটিক জিন"-এর প্রকাশকে চাপা দেয়।
  • এটি মেন্ডেলের স্বাধীনভাবে বৈশিষ্ট্য প্রকাশের সূত্রের ব্যতিক্রম।
  • বিভিন্ন ধরনের এপিস্ট্যাসিস দেখা যায়, যেমন: ডোমিন্যান্ট এপিস্ট্যাসিস, রিসেসিভ এপিস্ট্যাসিস, ডুপ্লিকেট রিসেসিভ এপিস্ট্যাসিস ইত্যাদি। 😲

১২:৩:১ অনুপাতটি কিভাবে আসে?

১২:৩:১ অনুপাতটি সাধারণত ডোমিন্যান্ট এপিস্ট্যাসিসের কারণে দেখা যায়। এক্ষেত্রে, একটি ডোমিন্যান্ট অ্যালিল অন্য একটি জিনের প্রকাশকে সম্পূর্ণরূপে মাস্ক করে দেয়। নিচে একটি কাল্পনিক উদাহরণ দেওয়া হলো:

ধরা যাক, দুটি জিন আছে: A এবং B। জিন A তে A এবং a অ্যালিল এবং জিন B তে B এবং b অ্যালিল রয়েছে। জিন A যদি এপিস্ট্যাটিক হয় এবং B জিনের উপর প্রভাব ফেলে, তাহলে:

  • A- B- : (১২ ভাগ) - এপিস্ট্যাটিক জিন A এর কারণে একটি নির্দিষ্ট ফিনোটাইপ প্রকাশ পায়।
  • aa B- : (৩ ভাগ) - যখন A জিন রিসেসিভ হয়, তখন B জিনের প্রভাবে অন্য একটি ফিনোটাইপ দেখা যায়।
  • aa bb : (১ ভাগ) - উভয় জিন রিসেসিভ হলে একটি ভিন্ন ফিনোটাইপ প্রকাশ পায়।

উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা

মনে করুন, কোনো উদ্ভিদের ফলের রং দুটি জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়: W (সাদা) এবং Y (হলুদ)। W জিনটি Y জিনের উপর এপিস্ট্যাটিক। অর্থাৎ, W অ্যালিল উপস্থিত থাকলে Y জিনের হলুদ রং প্রকাশ পাবে না। 🥭

জিনোটাইপ ফলের রং কারণ
W- Y- সাদা W অ্যালিল Y জিনের হলুদ রংকে মাস্ক করে দেয়।
W- yy সাদা W অ্যালিল y জিনের হলুদ রংকে মাস্ক করে দেয়।
ww Y- হলুদ W অ্যালিল অনুপস্থিত থাকায় Y জিনের হলুদ রং প্রকাশ পায়।
ww yy সবুজ W এবং Y উভয় অ্যালিলই অনুপস্থিত থাকায় সবুজ রং প্রকাশ পায়।

যদি দুটি হেটেরোজাইগাস উদ্ভিদ (WwYy) এর মধ্যে ক্রস ঘটানো হয়, তাহলে F2 জনুতে ফিনোটাইপিক অনুপাত হবে ১২ (সাদা) : ৩ (হলুদ) : ১ (সবুজ)। 🎉

বিভিন্ন প্রকার এপিস্ট্যাসিস

  1. ডোমিন্যান্ট এপিস্ট্যাসিস: একটি ডোমিন্যান্ট অ্যালিল অন্য জিনের প্রকাশকে মাস্ক করে। (১২:৩:১)
  2. রিসেসিভ এপিস্ট্যাসিস: একটি রিসেসিভ অ্যালিল হোমোজাইগাস অবস্থায় অন্য জিনের প্রকাশকে মাস্ক করে। (৯:৩:৪)
  3. ডুপ্লিকেট ডোমিন্যান্ট এপিস্ট্যাসিস: দুটি জিনের ডোমিন্যান্ট অ্যালিল আলাদাভাবে অথবা একত্রে একই ফিনোটাইপ তৈরি করে। (১৫:১)
  4. ডুপ্লিকেট রিসেসিভ এপিস্ট্যাসিস: দুটি জিনের রিসেসিভ অ্যালিল হোমোজাইগাস অবস্থায় থাকলে একই ফিনোটাইপ তৈরি করে। (৯:৭)

এপিস্ট্যাসিস বংশগতির জটিলতা বুঝতে সাহায্য করে এবং এটি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য কিভাবে প্রকাশ পায়, তা জানতে গুরুত্বপূর্ণ। 📚

Option A Explanation:
  1. অসম্পূর্ণ প্রকটতা: এটি একটি জেনেটিক অবস্থা যেখানে দ্বৈত অণুগুলির মধ্যে একটির প্রভাব অন্যটির উপর সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় না। ফলে, হাইব্রিড প্রজন্মে সাধারণত দুইটি পেরেন্টের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণভাবে দেখা যায় না, বরং একটি মধ্যবর্তী বা মিশ্র বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
  2. এই ধরনের প্রকটতার কারণে, জিনোটাইপের অনুপাত সাধারণত ১:2:1 হয়, যেখানে:
    • প্রথম সংখ্যা: হোমোজিগাস (প্রথম ধরনের জিনের দুটি অভিন্ন কপি)
    • দ্বিতীয় সংখ্যা: হেটেরোজিগাস (দুটি ভিন্ন জিনের কপি)
    • তৃতীয় সংখ্যা: আবার হোমোজিগাস (অন্য ধরনের জিনের দুটি অভিন্ন কপি)
  3. অর্থাৎ, অসম্পূর্ণ প্রকটতার কারণে, হেটেরোজিগাস জেনোটাইপের উপস্থাপনা মধ্যবর্তী প্রকটতার কারণে ১:2:1 অনুপাত সৃষ্টি করে।
Option B Explanation:
  • ঘাতক জিন: এটি এমন জিন যা অন্য জিনের কার্যকলাপকে দমন বা বাধা দেয়।
  • ঘাতক জিন সাধারণত অন্য জিনের প্রকাশকে বাধা দিয়ে নির্দিষ্ট ফলাফল বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য প্রভাব ফেলে।
  • F2 প্রজন্মে 1:2:1 জিনোটাইপিক অনুপাতের কারণ হতে পারে যখন ঘাতক জিন একটি বিশেষ জিনের কার্যকলাপকে বাধা দেয় বা পরিবর্তন করে, যার ফলে নির্দিষ্ট জিনোটাইপের অনুপাত তৈরি হয়।
  • এটি জেনেটিক ট্রেইটের প্রকাশে জটিলতা সৃষ্টি করে, যেখানে কিছু জিন অন্য জিনের কার্যকলাপের উপর প্রভাব ফেলে।
Option C Explanation:
  • পরিপূরক জিন: এই জিনগুলো এমন জিন যা একসাথে কাজ করে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য।
  • প্রতিটি জিনের আলাদা আলাদা অপ্রকাশ বা প্রকাশের মাত্রা নির্ধারণ করে বৈশিষ্ট্যের ফলাফল।
  • পরিপূরক জিনের উপস্থিতি বা অভাব নির্ভর করে নির্দিষ্ট জিনোটাইপের অনুপাতের উপর, যেমন 1:2:1।
  • এটি সাধারণত জিনের ক্রোমোসোমাল অবস্থান বা জিনের আন্তঃপ্রভাবের কারণে ঘটে, যা বৈশিষ্ট্য প্রকাশে প্রভাব ফেলে।
Option D Explanation:

এপিস্ট্যাসিস (Epistasis)

  • এপিস্ট্যাসিস হলো জেনেটিক ইন্টারঅ্যাকশনের এক প্রকার যেখানে এক জিনের প্রভাব অন্য জিনের প্রকাশের উপর প্রভাব ফেলে।
  • এতে একটি জিনের অস্থিরতা বা অভাব অন্য জিনের ফলাফল বা প্রকাশের উপর প্রভাব ফেলে, ফলে সাধারণ জিনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তিত হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি জিন অন্য একটি জিনের কার্যকলাপের উপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করে, তবে ফলস্বরূপ জিনের নির্দিষ্ট প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট জিনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপরিহার্য হয়ে ওঠে।
  • এপিস্ট্যাসিসের কারণে সাধারণ 9:3:3:1 বা 1:2:1 ইত্যাদি জিনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তিত হয়ে অন্য রকম হতে পারে।