H বন্ধনের জন্য-
- স্ফুটনাঙ্ক বাড়ে
- পানিতে দ্রবণীয়তা বাড়ে
- ডাইমার গঠন সম্ভব হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
রসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনহাইড্রোজেন বন্ধন ও এর গুরুত্ব (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
D.
i,ii ও iii
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
H বন্ধনের প্রভাব 🧪
হাইড্রোজেন বন্ধন (H-bond) একটি দুর্বল প্রকারের রাসায়নিক বন্ধন। এটি অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের সৃষ্টি করে। H বন্ধনের কারণে পদার্থের কিছু ভৌত ধর্মে পরিবর্তন দেখা যায়। নিচে এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব আলোচনা করা হলো:
H বন্ধনের প্রভাবসমূহ 📝
- স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি 🌡️:
- H বন্ধন অণুগুলোকে কাছাকাছি রাখে।
- ফলে আন্তঃআণবিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।
- এ কারণে তরলকে গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তর করতে বেশি তাপের প্রয়োজন হয়।
- উদাহরণ: অ্যালকোহল (R-OH) এবং কার্বক্সিলিক অ্যাসিড (R-COOH) এর স্ফুটনাঙ্ক ইথার (R-O-R) ও অ্যালডিহাইড (R-CHO) থেকে বেশি।
- পানিতে দ্রবণীয়তা বৃদ্ধি 💧:
- H বন্ধন পানিতে দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতা বাড়ায়।
- যেসব যৌগ পানির সাথে H বন্ধন তৈরি করতে পারে, তারা সহজেই পানিতে মিশে যায়।
- উদাহরণ: চিনি (C12H22O11), অ্যালকোহল (R-OH), অ্যামোনিয়া (NH3)।
- ডাইমার গঠন 👥:
- H বন্ধনের মাধ্যমে কিছু অণু একত্রিত হয়ে ডাইমার (dimer) গঠন করতে পারে।
- ডাইমার হলো দুটি একই অণুর সমন্বয়ে গঠিত কাঠামো।
- কার্বক্সিলিক অ্যাসিড (R-COOH) সাধারণত ডাইমার গঠন করে।
H বন্ধনের প্রভাব সম্পর্কিত তথ্যের সারণী 📊
| বৈশিষ্ট্য | H বন্ধনের প্রভাব | উদাহরণ |
|---|---|---|
| স্ফুটনাঙ্ক | বৃদ্ধি পায় | পানি (H2O), ইথানল (C2H5OH) |
| দ্রবণীয়তা | বৃদ্ধি পায় | গ্লুকোজ (C6H12O6), অ্যামোনিয়া (NH3) |
| ডাইমার গঠন | সম্ভব | অ্যাসিটিক অ্যাসিড (CH3COOH) |
সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে H বন্ধন স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি করে, পানিতে দ্রবণীয়তা বাড়ায় এবং ডাইমার গঠনে সহায়তা করে। 👍
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 📖
ধন্যবাদ! 🙏
```