মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোন মুসলিম মহিলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান?

A. খালিদা এদিব
B. শান্তা মরিয়ম
C. শিরিন এবাদী
D. মরিয়ম জামিলা
Poster Download
RUUnit-ASet-1সাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকপুরষ্কার ও সম্মাননানোবেল পুরস্কার ( মুসলিম মহিলা) (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. শিরিন এবাদী
Another Explanation (5): ```html

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী মুসলিম নারী: শিরিন এবাদী

শিরিন এবাদী (ফার্সি: شیرین عبادی; জন্ম ২১ জুন ১৯৪৭) একজন ইরানি আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। তিনি ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রচারের ক্ষেত্রে তার অবদানের জন্য তিনি এই পুরস্কার পান।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:

  • পুরো নাম: শিরিন এবাদী
  • জন্ম: ২১ জুন, ১৯৪৭ (তেহরান, ইরান)
  • পেশা: আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী
  • নোবেল পুরস্কার লাভ: ২০০৩ (শান্তি)
  • জাতীয়তা: ইরানি 🇮🇷

শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভের কারণ:

শিরিন এবাদী মূলত নারী ও শিশুদের অধিকারের পক্ষে কাজ করার জন্য পরিচিত। তিনি ইরানে নারীদের আইনি অধিকার রক্ষা এবং শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সংগ্রাম করেছেন। তার অবদানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  1. নারী ও শিশুদের অধিকারের পক্ষে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান।
  2. ইরানের আইন ব্যবস্থায় নারী ও শিশুদের অধিকার সম্পর্কিত সংস্কারের জন্য চাপ সৃষ্টি।
  3. গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রচারের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান।

গুরুত্বপূর্ণ কাজসমূহ:

কার্যক্রম বিবরণ
মানবাধিকার রক্ষা ⚖️ ইরানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা প্রদান।
নারী অধিকার 👩 নারীদের সমান অধিকারের জন্য প্রচারণা এবং বৈষম্যমূলক আইনের বিরোধিতা।
শিশু অধিকার 👶 শিশু নির্যাতন বন্ধে জনসচেতনতা তৈরি এবং শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ।
গণতন্ত্রের প্রচার 🗳️ ইরানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা।

পুরস্কার ও স্বীকৃতি:

  • শান্তিতে নোবেল পুরস্কার (২০০৩) 🏅
  • আরও অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পুরস্কার

আরও কিছু তথ্য:

শিরিন এবাদী ইরানের প্রথম নারী বিচারক ছিলেন। তিনি ১৯৮০-এর দশকে আইন পেশা থেকে অবসর নিতে বাধ্য হন, কিন্তু পরবর্তীতে একজন আইনজীবী হিসেবে মানবাধিকারের জন্য কাজ শুরু করেন। তিনি অনেক বই লিখেছেন, যার মধ্যে তার আত্মজীবনী "Iran Awakening: One Woman's Struggle for Justice" উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে তিনি নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলছেন। 🗣️

তিনি বিশ্বের সকল শান্তিপ্রিয় মানুষের কাছে এক অনুপ্রেরণা। 🕊️

```