মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

অ্যাসবেস্টস কোন রোগ সৃষ্টি করে?

A. ক্যান্সার
B. হাঁপানি
C. যক্ষ্মা
D. আমাশয়
Poster Download
RUUnit-GSet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রশ্বসন ও শ্বাসক্রিয়াশ্বাসনালির সমস্যা, লক্ষণ ও প্রতিকার (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. ক্যান্সার
Explanation:

Another Explanation (5):

অ্যাসবেস্টস এবং ক্যান???সার ⚠️

অ্যাসবেস্টস একটি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টিকারী উপাদান। এটি বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। নিচে কয়েকটি প্রধান ক্যান্সার এবং অন্যান্য রোগ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

অ্যাসবেস্টস-সৃষ্ট ক্যান্সারসমূহ:

  • মেসোথেলিয়োমা (Mesothelioma): এটি অ্যাসবেস্টস-এর কারণে সৃষ্ট সবচেয়ে পরিচিত ক্যান্সার। এটি ফুসফুসের চারপাশের আস্তরণ, পেটের আস্তরণ বা হৃদপিণ্ডের আস্তরণে হতে পারে। 😔
  • ফুসফুসের ক্যান্সার (Lung Cancer): অ্যাসবেস্টস শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। ধূমপান এই ঝুঁকি আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। 🚬
  • ল্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সার (Laryngeal Cancer): স্বরযন্ত্রের ক্যান্সারও অ্যাসবেস্টসের সংস্পর্শে আসার কারণে হতে পারে।🗣️
  • ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার (Ovarian Cancer): কিছু গবেষণায় অ্যাসবেস্টসের সংস্পর্শের সাথে ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের যোগসূত্র পাওয়া গেছে। 👩‍⚕️

অ্যাসবেস্টস-সৃষ্ট অন্যান্য রোগ:

  • অ্যাসবেস্টোসিস (Asbestosis): এটি ফুসফুসের একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ। অ্যাসবেস্টস ফাইবার ফুসফুসে জমা হওয়ার কারণে ফুসফুসে প্রদাহ হয় এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। 🫁
  • প্লুরাল প্ল্যাকস (Pleural Plaques): এটি ফুসফুসের আস্তরণে (প্লুরা) জমা হওয়া ক্যালসিফাইড বা শক্ত হয়ে যাওয়া অঞ্চল। সাধারণত এটি তেমন ক্ষতিকর নয়, তবে অ্যাসবেস্টসের সংস্পর্শের একটি চিহ্ন।
  • প্লুরাল ইফিউশন (Pleural Effusion): ফুসফুসের চারপাশে তরল জমা হওয়া। 💧

ঝুঁকির কারণসমূহ:

  • অ্যাসবেস্টস খনিতে কাজ করা ⛏️
  • অ্যাসবেস্টসযুক্ত বিল্ডিংয়ে বসবাস বা কাজ করা 🏢
  • অ্যাসবেস্টস উৎপাদনকারী কারখানায় কাজ করা 🏭
  • অ্যাসবেস্টসযুক্ত পণ্য ব্যবহার করা (যেমন: পুরনো দিনের কিছু নির্মাণ সামগ্রী) 🏠

রোগের লক্ষণ:

অ্যাসবেস্টস-সৃষ্ট রোগের লক্ষণগুলি রোগের ধরনের উপর নির্ভর করে। কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো:

  • শ্বাসকষ্ট 😮‍💨
  • persistent কাশি 🗣️
  • বুকে ব্যথা 🤕
  • ক্লান্তি 😪
  • ওজন কমে যাওয়া 📉

অ্যাসবেস্টস থেকে সুরক্ষার উপায়:

  1. অ্যাসবেস্টসযুক্ত স্থান চিহ্নিত করে এড়িয়ে চলা। 🚫
  2. অ্যাসবেস্টস অপসারণের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা। 👷‍♀️
  3. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো। 👨‍⚕️

অ্যাসবেস্টস এবং ক্যান্সার: একটি সংক্ষিপ্ত টেবিল

রোগের নাম কারণ ঝুঁকি প্রতিরোধ
মেসোথেলিয়োমা অ্যাসবেস্টস ফাইবার উচ্চ অ্যাসবেস্টস এড়িয়ে চলা
ফুসফুসের ক্যান্সার অ্যাসবেস্টস + ধূমপান খুবই উচ্চ অ্যাসবেস্টস ও ধূমপান পরিহার
অ্যাসবেস্টোসিস অ্যাসবেস্টস ফাইবার জমা মাঝারি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

সচেতন থাকুন, সুরক্ষিত থাকুন! 🙏

Option A Explanation:

ক্যান্সার সম্পর্কে ব্যাখ্যা

  • অর্থ: ক্যান্সার হলো একটি রকমের অসাধারণ রোগ যেখানে কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ থেকে বিচ্যুত হয়।
  • অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস: ক্যান্সার কোষগুলো নিয়মিত ও স্বাভাবিকভাবে বিভাজিত হয় না, বরং এটি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়। এই কারণে, টিস্যু ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন ও কাজ ব্যাহত হয়।
  • কারণ: অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের ফলে টিউমার গঠন হয়, যা ক্ষতিকর এবং প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য জরুরি।
  • প্রভাব: ক্যান্সার বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যার ফলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যাবলী ব্যাহত হয় এবং জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
Option B Explanation:
  • হাঁপানি: অ্যাসবেস্টস শ্বাসনালীতে প্রদাহ এবং অস্বস্তি সৃষ্টি করে, যা হাঁপানি সৃষ্টি করতে পারে।
Option C Explanation:
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
  • প্রধান কারণ: Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়া
  • প্রভাবিত অঙ্গ: ফুসফুস প্রধানত, তবে অন্য অঙ্গগুলোও হতে পারে
  • লক্ষণ: দীর্ঘস্থায়ী কাশি, কাশির রক্ত, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, জ্বর ও রাতের ঘাম
  • চিকিৎসা: এন্টিবায়োটিকের মাধ্যমে পুরো কোর্স সম্পন্ন করা জরুরি
  • প্রতিরোধ: টিকা (BCG) ব্যবস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধি
Option D Explanation:
  • প্রকার: ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কিত রোগ
  • উদাহরণ: আমাশয় (ডাইরিয়া)
  • কারণ: বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া যেমন Escherichia coli, Shigella, Salmonella ইত্যাদি দ্বারা সৃষ্ট হতে পারে
  • লক্ষণ: জলীয় ডায়রিয়া, পেট ব্যথা, জ্বর, বমি, দুর্বলতা
  • প্রতিরোধ: পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, বিশুদ্ধ পানি পান, সঠিক খাদ্য প্রণালী অনুসরণ, হাত ধোয়া
  • উপচার: প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক ও হাইড্রেশন থেরাপি