ঢাকা থেকে লন্ডনের সময়ের ব্যবধান ৬ ঘন্টা হলে দুটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য কত?
JUUnit-BSet-2সাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকসমসাময়িক সমস্যাসমসাময়িক সমস্যা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
৯০০
Another Explanation (5): ```html
ঢাকা 🌍 ✈️ লন্ডন: সময়ের ব্যবধান ও দ্রাঘিমার পার্থক্য
ঢাকা ও লন্ডনের মধ্যে সময়ের পার্থক্য ৬ ঘন্টা। এই পার্থক্যের কারণে উভয় স্থানের দ্রাঘিমার মধ্যে একটি বিশেষ সম্পর্ক বিদ্যমান। নিচে তা আলোচনা করা হলো:
দ্রাঘিমা (Longitude) কি? 🧭
- দ্রাঘিমা হলো পৃথিবীর উপর কোনো স্থানের কৌণিক অবস্থান, যা মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে মাপা হয়।
- মূল মধ্যরেখা গ্রিনিচ শহরের উপর দিয়ে গেছে, যার দ্রাঘিমা 0°।
- পূর্ব দ্রাঘিমাংশকে সাধারণত "E" এবং পশ্চিম দ্রাঘিমাংশকে "W" দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
সময়ের পার্থক্য ও দ্রাঘিমার সম্পর্ক ⏰
পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর একবার ঘুরে আসতে ২৪ ঘন্টা সময় নেয়। অর্থাৎ, ৩৬০° দ্রাঘিমা ঘুরতে ২৪ ঘন্টা লাগে।
সুতরাং,
১ ঘন্টা = ৩৬০° / ২৪ = ১৫°
অতএব, প্রতি ১ ঘন্টার সময়ের পার্থক্যের জন্য দ্রাঘিমার পার্থক্য হয় ১৫°।
ঢাকা ও লন্ডনের দ্রাঘিমার পার্থক্য নির্ণয় 🧮
যেহেতু ঢাকা ও লন্ডনের মধ্যে সময়ের পার্থক্য ৬ ঘন্টা, তাই তাদের দ্রাঘিমার পার্থক্য:
৬ ঘন্টা × ১৫°/ঘন্টা = ৯০°
সুতরাং, ঢাকা ও লন্ডনের মধ্যে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০°।
ফলাফল 📊
| বিষয় | মান |
|---|---|
| সময়ের পার্থক্য ⏳ | ৬ ঘন্টা |
| দ্রাঘিমার পার্থক্য 🗺️ | ৯০° |
নোট: ঢাকার দ্রাঘিমাংশ লন্ডনের পূর্বে অবস্থিত। 👍
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি বোধগম্য হয়েছে। 😊
```