নিচের কোণ আলোকরশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড়?
DUUnit-Aরসায়ন প্রথম পত্রগুণগত রসায়নতড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালি ও পারমানবিক বর্ণালি - রিডবার্গ সমীকরণ (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
Microwave
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
কোন আলোকরশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড়? 🤔
আলোকরশ্মি বা তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীর (Electromagnetic Spectrum) বিভিন্ন অংশের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিভিন্ন হয়ে থাকে। এই বর্ণালীর মধ্যে দৃশ্যমান আলো (Visible light), অবলোহিত রশ্মি (Infrared), অতিবেগুনী রশ্মি (Ultraviolet), মাইক্রোওয়েভ (Microwave), বেতার তরঙ্গ (Radio wave), গামা রশ্মি (Gamma ray) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বিভিন্ন প্রকার আলোকরশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তুলনা 📊
| আলোকরশ্মির প্রকারভেদ | সাধারণ তরঙ্গদৈর্ঘ্য | বৈশিষ্ট্য | ব্যবহার 💡 |
|---|---|---|---|
| গামা রশ্মি (Gamma ray) | < 0.01 ন্যানোমিটার | ক্ষতিকর, উচ্চ শক্তি সম্পন্ন | ক্যান্সার চিকিৎসায়, জীবাণুনাশক হিসেবে |
| এক্স-রে (X-ray) | 0.01 - 10 ন্যানোমিটার | ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন | মেডিকেল ইমেজিং (হাড়ের ছবি) |
| অতিবেগুনী রশ্মি (Ultraviolet) | 10 - 400 ন্যানোমিটার | ত্বকের জন্য ক্ষতিকর | জীবাণুনাশক, ভিটামিন ডি তৈরিতে |
| দৃশ্যমান আলো (Visible Light) | 400 - 700 ন্যানোমিটার | আমরা দেখতে পাই | আলো দেখতে, ছবি তুলতে 📸 |
| অবলোহিত রশ্মি (Infrared) | 700 ন্যানোমিটার - 1 মিলিমিটার | তাপীয় অনুভূতি সৃষ্টি করে | রিমোট কন্ট্রোল, নাইট ভিশন |
| মাইক্রোওয়েভ (Microwave) | 1 মিলিমিটার - 1 মিটার | খাবার গরম করতে ব্যবহৃত | যোগাযোগ, রাডার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন 🍕 |
| বেতার তরঙ্গ (Radio wave) | 1 মিলিমিটার - 100 কিলোমিটার | দীর্ঘ দূরত্বে যোগাযোগে ব্যবহৃত | রেডিও, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন 📱 |
ব্যাখ্যা 🤔
- আলোকরশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার কম্পাঙ্ক (frequency) তত কম।
- উপরের তালিকা থেকে স্পষ্ট যে, বেতার তরঙ্গ এবং মাইক্রোওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অন্য সব আলোকরশ্মি থেকে বেশি।
- বেতার তরঙ্গের চেয়ে মাইক্রোওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত ছোট হয়ে থাকে, তবে দৃশ্যমান আলো, অতিবেগুনী রশ্মি, অবলোহিত রশ্মি, এক্স-রে এবং গামা রশ্মি থেকে অনেক বড়।
কেন মাইক্রোওয়েভ? 🍕
প্রশ্নানুসারে, অপশনগুলোতে বেতার তরঙ্গ না থাকায়, মাইক্রোওয়েভের তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তাই, উত্তরটি মাইক্রোওয়েভ।
তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ধারণা ভালোভাবে বুঝতে এই বিষয়গুলো জানতে হবে:
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength): একটি তরঙ্গের দুটি পরপর শীর্ষবিন্দু (crest) অথবা দুটি পরপর সর্বনিম্ন বিন্দুর (trough) মধ্যে দূরত্ব।
- কম্পাঙ্ক (Frequency): প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো তরঙ্গ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অতিক্রম করে।
- আলোর গতি (Speed of light): আলোর গতি একটি ধ্রুবক (প্রায় 3 x 108 মিটার/সেকেন্ড)।
এদের মধ্যে সম্পর্ক: আলোর গতি = তরঙ্গদৈর্ঘ্য x কম্পাঙ্ক
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊
```